জল ছল ছল এসো মন্দাকিনী

বাণী

জল ছল ছল এসো মন্দাকিনী।
রস-ঢলঢল বারি-সঞ্চারিণী।।
হৃদয়-গগন আজি তৃষ্ণা-ভরে
উতল হইল প্রেম-গঙ্গা-তরে,
মুদিত নয়ন খোলো বৈরাগিনী।।
বিরস ভুবন রাখ সঞ্জীবিতা
সজল সলিল আনো হিল্লোলিতা,
ঝর ঝর ঝর স্রোত-উন্মাদিনী।।

ঘুমায়েছে ফুল পথের ধূলায়

বাণী

ঘুমায়েছে ফুল পথের ধূলায় (ওগো)
	জাগিয়ো না উহারে ঘুমাইতে দাও।
বনের পাখী ধীরে গাহ গান
	দখিনা হাওয়া ধীরে ধীরে বয়ে যাও।।
এখনো শুকায়নি চোখে তারই জল
	এখনো আঁধারে হাসি ছলছল
প্রভাত রবি শুকায়ো না তায়
	ধীরে কিরণে তাহারি নয়নে চাও।।
সামলে পথিক ফেলিয়ো চরন
	ঝরেছে হেথায় ফুলেরও জীবন।
ভুলিয়া দল না ঝরা পাতাগুলি
	ফুল সমাধি থাকিতে পারে হেথাও।।

তোমারি মহিমা গাই বিশ্বপালক করতার

বাণী

তোমারি মহিমা গাই বিশ্বপালক করতার
করুণা কৃপার তব নাহি সীমা নাহি পার॥
রোজ-হাশরের বিচার-দিনে তুমিই মালিক এয়্ খোদা,
আরাধনা করি প্রভু, আমরা কেবলি তোমার॥
সহায় যাচি তোমারি নাথ, দেখাও মোদের সরল পথ,
সেই পথেতে চালাও খোদা বিলাও যাদের পুরস্কার।
অবিশ্বাসী ধর্মহারা যাহারা সে ভ্রান্ত-পথ,
চালায়ো না তাদের পথে, এই চাহি পরওয়ারদিগার॥

বৈতালিক

আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান

বাণী

আল্লাজী আল্লাজী রহম কর তুমি যে রহমান
দুনিয়াদারির ফাঁদে পড়ে কাঁদে আমার প্রাণ।।
	পাই না সময় ডাকতে তোমায়
	বৃথা কাজে দিন বয়ে যায়
চলতে নারি মেনে আমার নবীর ফরমান।।
দুনিয়াদারির চিন্তা এসে মনকে ভোলায় সদা
তাইতো মনে তোমায় স্মরণ করতে নারি খোদা।
	দাও অবসর তুমি ডাকার
	এই বেদনা সহে না আর
সংসারে এই দোজখ হতে করো মোরে ত্রাণ।।

দূর আজানের মধুর ধ্বনি বাজে বাজে

বাণী

দূর আজানের মধুর ধ্বনি বাজে বাজে মসজিদেরই মিনারে।
এ কী খুশির অধীর তরঙ্গ উঠলো জেগে’ প্রাণের কিনারে।।
মনে জাগে হাজার বছর আগে
	ডাকিত বেলাল এমনি অনুরাগে,
তাঁর খোশ এলেহান, মাতাইত প্রাণ গলাইত পাষাণ ভাসাইত মদিনারে
		প্রেমে ভাসাইত মদিনারে।।
তোরা ভোল গৃহকাজ, ওরে মুসলিম থাম
চল খোদার রাহে, শোন, ডাকিছে ইমাম।
মেখে’ দুনিয়ারই খা, বৃথা রহিলি না-পাক,
চল মসজিদে তুই, শোন মোয়াজ্জিনের ডাক,
তোর জনম যাবে বিফলে যে ভাই এই ইবাদতে বিনা রে।।

কারো ভরসা করিসনে তুই

বাণী

		কারো ভরসা করিসনে তুই (ও মন) এক আল্লার ভরসা কর।
		আল্লা যদি সহায় থাকেন (ও তোর) ভাবনা কিসের, কিসের ডর।।
		রোগে শোকে দুঃখে ঋণে নাই ভরসা আল্লা বিনে রে
তুই		মানুষের সহায় মাগিস (তাই) পাস্‌নে খোদার নেক্‌-নজর।।
		রাজার রাজা বাদশাহ্‌ যিনি গোলাম হ তুই সেই খোদার,
		বড় লোকের দুয়ারে তুই বৃথাই হাত পাতিস্‌নে আর।
		তোর দুখের বোঝা ভারি হ’লে ফেলে প্রিয়জনও যায় রে চ’লে
সেদিন	ডাক্‌লে খোদায় তাঁহার রহম (ওরে) ঝরবে রে তোর মাথার ’পর।।