বাণী
কেন গো যোগিনী! বিধুর অভিমানে। যৌবনে মগন গভীর ধ্যানে।। হের গো কুসুম ঝরিয়া পায়ে, চাহিয়া রহে ধরণীর পানে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ যোগিয়া
তালঃ দীপচন্দী
ভিডিও
স্বরলিপি

কেন গো যোগিনী! বিধুর অভিমানে। যৌবনে মগন গভীর ধ্যানে।। হের গো কুসুম ঝরিয়া পায়ে, চাহিয়া রহে ধরণীর পানে।।
রাগঃ যোগিয়া
তালঃ দীপচন্দী

মম তনুর ময়ূর-সিংহাসনে এসো রূপকুমার ফর্হাদ্। (মোর)ঘুম যবে ভাঙিল, প্রিয়, গগনে ঢলিয়া পড়িল চাঁদ।। আমি শিঁরি – হেরেমের১ নন্দিনী গো ছিনু অহঙ্কারের কারা-বন্দিনী গো, ভেবেছিনু তুমি শুধু রূপের পাগল — বুঝি নাই কা’রে বলে প্রেম-উন্মাদ।। গিরি-পাষাণে আঁকিলে তুমি যে ছবি মম, দিলে যে মধু, সেই মধু চেয়ে, সেই শিলা বুকে ল’য়ে কাঁদি, ফিরে এসো, ফিরে এসো বঁধু। ল’য়ে যাও সেই প্রেম-লোকে, বিরহী কাঁদিছে যথায় ‘শিঁরি শিঁরি’ কহি’— আজ ভরিয়াছে বিষাদের বিলাপে গোলাপের সাধ।।
১. বাদশাহ
রাগঃ ময়ূর-সিংহাসন
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ শবনম মুশ্তারী

ঘুম আয় ঘুম। নিশুতি দুপুর নিশীথ নিঝুম।। টুলটুল ঝিঙে ফুল ঘুমে ঝিমায়, ঝুমকো লতায় ঝিঁঝিঁ আলসে ঘুমায়, খোকনের চোখে দেয় ঘুমপরী চুম্।।
নাটিকা : ‘জুজুবুড়ির ভয়’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মোর শ্যাম সুন্দর এসো। প্রেমের বৃন্দাবনে এসো হে ব্রজধাম-সুন্দর এসো।। এসো হৃদয়ে হৃদয়েশ মোর নয়নের আগে এসো হে। মোর নব-অনুরাগে এসো শ্যাম কোটি-কাম-সুন্দর এসো।। রস মানস গঙ্গার কূলে রসরাজ এসো এসো হে। এসো মুরলী বাজায়ে এসো হে, এসো ময়ূর নাচায়ে এসো হে মধাব, মধু-বনমাঝে, এসো এসো হে।। মোর মুখের ভাষায় এসো, মোর প্রাণের আশায় এসো। নবীন নীরদ ঘনশ্যাম রূপে রূপ-পিপাসায় এসো এসো মদন-মোহন শোভন অভিরাম-সুন্দর এসো।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

যে দুর্দিনের নেমেছে বাদল তাহারি বজ্র শিরে ধরি’ ঝড়ের বন্ধু আঁধার নিশীথে ভাসায়েছি মোর ভাঙা তরী।। মোদের পথের ইঙ্গিত ঝলে বাঁকা বিদ্যুতে কালো-মেঘে, মরু-পথে জাগে নব অঙ্কুর মোদের চলার ছোঁওয়া লেগে, মোদের মন্ত্রে গোরস্থানের আঁধারে ওঠে গো প্রাণ জেগে, দীপ-শলাকার মতো মোরা ফিরি ঘরে ঘরে আলো সঞ্চারি’।। নব জীবনের ‘ফোরাত’-কূলে গো কাঁদে ‘কারবালা’ তৃষ্ণাতুর, ঊর্ধ্বে শোষণ-সূর্য, নিম্নে তপ্ত বালুকা ব্যথা-মরুর। ঘিরিয়া য়ুরোপ — ‘এজিদের’ সেনা এপার ওপার নিকট দূর, এরি মাঝে মোরা ‘আব্বাস’ সব পানি আনি প্রাণপণ করি’।। যখন জালিম ‘ফেরাউন’ চাহে ‘মুসা’ ও সত্যে মারিতে ভাই, নীল দরিয়ার মোরা তরঙ্গ, বন্যা আনিয়া তারে ডুবাই, আজো ‘নমরুদ’ ‘ইবরাহিমেরে’ মারিতে চাহিছে সর্বদাই, আনন্দ-দূত মোরা সে আগুনে ফোটাই পুষ্প-মঞ্জুরী।। ভরসার গান শুনাই আমরা ভয়ের ভূতের এই দেশে, জরা-জীর্ণের যৌবন দিয়া সাজাই নবীন বর-বেশে। মোদের আশার ঊষার রঙে গো রাতের অশ্রু যায় ভেসে, মশাল জ্বালিয়া আলোকিত করি ঝড়ের নিশীথ-শর্বরী।। নূতন দিনের নব যাত্রীরা চলিবে বলিয়া এই পথে বিছাইয়া যাই আমাদের প্রাণ, সুখ, দুখ, সব আজি হতে। ভবিষ্যতের স্বাধীন-পতাকা উড়িবে যে দিন জয়-রথে আমরা হাসিব দূর তারা-লোকে ওগো তোমাদের সুখ স্মরি’।।
রাগঃ ইমন–বেলাওল
তালঃ তেওড়া
তুমি এলে কে গো চির-সাথী অবেলাতে যবে ঝুরিছে সন্ধ্যামণি আঙিনাতে। ওগো কে এলে গো চির-সাথী অবেলাতে।। রোদের দাহে এলে স্নিগ্ধ-বাস ফুল-রেণু নিঝুম প্রাণে এলে বাজায়ে ব্যাকুল বেণু ওগো চাঁদের তিলক এলে আঁধার রাতে। ওগো কে এলে গো চির-সাথী অবেলাতে।। ফুল ঝরার বেলা এলে মোর শেষ অতিথি কাঁদে হা হা স্বরে রিক্ত কানন-বীথি। এলে রে মরুভূমে পিয়াসি চকোর মোর শুক্লাতিথির শেষে কাঁদিতে এলে চকোর। (তুমি) আসিলে জীবন-সাঁঝে ঘুম ভাঙাতে। ওগো কে এলে গো চির সাথী অবেলাতে।।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)
