ব্রজ-দুলাল ঘন শ‍্যাম

বাণী

ব্রজ-দুলাল ঘন শ‍্যাম
মোর হৃদে কর বিহার হে।।
নব অনুরাগের জ্বালায়ে বাতি
অঙ্গে অঙ্গে রাখি তব শেজ পাতি’
গাঁথি অশ্রু-মোতিহার হে।।
আরতি-প্রদীপ আঁখিতে জ্বালায়ে রাখি
পথ-পানে চাহি বার বার হে।।
নিবেদন করি নাথ তব চরণে
নিত্য পূজা-উপচার হে
বিরহ-গন্ধ ধূপ বেদনা চন্দন
পূজাঞ্জলি আঁখি-ধার হে
দেবতা এসো, খোল দ্বার হে।।

ঝলমল জরীণ বেণী দুলায়ে

বাণী

ঝলমল জরীণ বেণী দুলায়ে প্রিয়া কি এলে 
সজল শাওন-মেঘে কাজল নয়ন মেলে।।
কেয়া ফুলের পরিমল, ঝুরে মরে তব পথে,
হেরি দীঘল তব তনু তাল পিয়াল তরু পড়ে হেলে’।।
পরিবে বলিয়া খোঁপায় ঝরিছে বকুল চাঁপা
তোমায় খুঁজিছে আকাশ তারার প্রদীপ জ্বেলে।।
তোমারি লাবনি প্রিয়া ঝরিছে শ্যামল মেঘে,
ফুটালে ফুল মরুভূমে চঞ্চল চরণ ফেলে।।

তোমার আমার এই বিরহ সইব কত আর

বাণী

তোমার আমার এই বিরহ সইব কত আর
রইবে কত আড়াল টেনে গ্রহ-তারকার।।
	তৃষিত মোর হৃদয় যাচে
	এসো আমার বুকের কাছে
যেমন দূরের চাঁদকে ডাকে ব্যাকুল পারাবার।।
হাত চাহে মোর ব'সো কাছে করবো সেবা তব,
নয়ন বলে নয়ন পাতায় রাখবো হে বল্লভ।
	হে নাথ তোমার তীর্থ পথে
	এ প্রাণ চাহে ধূলি হ'তে
ঘুচবে কবে মোদের মাঝে অসীম অন্ধকার।।

হিন্দোলি’ হিন্দোলি’ ওঠে নীল সিন্ধু

বাণী

হিন্দোলি’ হিন্দোলি’ 
		ওঠে নীল সিন্ধু
গগনে উঠিল তার
		কোন্ পূর্ণ ইন্দু।।
শত শুক্তি-আঁখি দিয়া
পিইছে চাঁদ-অমিয়া,
শিশির রূপে ঝরিয়া
		পড়ে জোছনা-বিন্দু।।

আজো ফাল্গুনে বকুল কিংশুকের বনে

বাণী

আজো ফাল্গুনে বকুল কিংশুকের বনে
কহে কোন্ কথা হৃদয় স্বপ্নে আনমনে।।
মৃদু মর্মরে পথের পল্লবের সাথে
গাহে কোন্ গীতি নিশীথে পান্‌সে জোছনাতে
খোঁজে কার স্মৃতি নীরস শুভ্র চন্দনে।।
গ্রহ চন্দ্রে কয়, সে কি গো মৃত্যুদ্বার খুলে
হয়ে সৃষ্টিপার গিয়াছে অমৃতের কূলে,
কাঁদে কোন্ লোকে পরম সুন্দরের সনে।।

ওরে আলয়ে আজ মহালয়া

বাণী

ওরে	আলয়ে আজ মহালয়া মা এসেছে ঘর।
তোরা 	উলু দে রে, শঙ্খ বাজা, প্রদীপ তুলে ধর্‌।।
		(এলো মা, আমার মা)
		মাকে ভুলে ছিলাম ওরে
		কাজের মাঝে মায়ার ঘোরে,
আজ	বরষ পরে মাকে ডাকার মিলল অবসর।।
	মা ছিল না ব’লে সবাই গেছে পায়ে দ’লে,
	মার খেয়েছি যত তত ডেকেছি মা ব’লে।
		মা এসেছে ছুটে রে তাই 
		ভয় নাইরে আর ভয় নাই,
মা	অভয়া এনেছে রে দশ হাতে তাঁর বর।।