বাণী
দোলে ঝুলন দোলায় দোলে নওল কিশোর গিরিধারী হরষে।। মৃদঙ্গ বাজে নভোচারী মেঘে বারিধারা রুমু ঝুমু বরষে।। নাচে ময়ুর নাচে কুরঙ্গ কাজরি গাহে বন বিহঙ্গ যমুনা-জলে বাজে জলতরঙ্গ শ্যামসুন্দর রূপ দরশে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ ধামার
ভিডিও
স্বরলিপি

দোলে ঝুলন দোলায় দোলে নওল কিশোর গিরিধারী হরষে।। মৃদঙ্গ বাজে নভোচারী মেঘে বারিধারা রুমু ঝুমু বরষে।। নাচে ময়ুর নাচে কুরঙ্গ কাজরি গাহে বন বিহঙ্গ যমুনা-জলে বাজে জলতরঙ্গ শ্যামসুন্দর রূপ দরশে।।
রাগঃ
তালঃ ধামার

মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে। বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।। কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে, কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ
শ্মশান-কালীর নাম শুনে রে ভয় কে পায়। মা যে আমার শবের মাঝে শিব জাগায়।। আনন্দেরই নন্দিনী সে শান্তি সুধা কণ্ঠ বিষে মায়ের চরণ শোভে অরুণ আলোর লাল জবায়।। চার হাতে মা'র চার যুগেরই খঞ্জনী, নৃত্য-তালে নিত্য ওঠে রনঝণি'। মা পায় না ধ্যানে যোগীন্দ্র সেই যোগমায়ায়।।
রাগঃ কৌশিকী কানাড়া মিশ্র
তালঃ তেওড়া

তুমি আমারে কাঁদাও নিজেরে আড়াল রাখি', তুমি চাও আমি নিশি-দিন যেন তব নাম ধরে ডাকি।। হে লীলা-বিলাসী অন্তরতম, অন্তর-মধু চাও বুঝি মম গোপনে করিতে পান, ওগো বঁধু, অন্তরালে সে থাকি।। বিরহ তোমার ছল, কেন নাহি বুঝি! আমাতে রহিয়া কাঁদাও আমারে তবু কেন মরি খুঁজি'। ভুলিয়া থাকি সুখের মোহে তাই বুঝি প্রিয় কাঁদাও বিরহে — বন্ধু, ওগো বন্ধু; তুমি অন্তরে এলে রাজ-সমারোহে নয়নেরে দিয়ে ফাঁকি।।
রাগঃ দেশ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

শুধু নামে যাঁহার এত মধু সে বঁধু কেমন শুধু নাম শুনে যাঁর জাগে জোয়ার পরানে এমন।। শুধু যাহার বাঁশির সুরে আমার এত নয়ন ঝুরে ওগো না জানি তার রূপ কেমন মদন-মোহন।। সে বুঝি লো' অপরূপ সে চির-নতুন বাঁশির সুরের মতো আঁখি-সকরুণ। তারে আমি দেখি যদি কাঁদিব কি নিরবধি ওগো, যেমন ক'রে ঐ যমুনা কাঁদে অনুক্ষণ।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ ফের্তা (কাহার্বা ও ত্রিতাল)

বাদল-মেঘের মাদল-তালে ময়ূর নাচে দু’লে দু’লে। আকাশে নাচে মেঘের পরী বিজ্লি-জরীন্ ফিতা পড়ে খুলে’।। কদম্ব-ডালে ঝুলনিয়া ঝুলায়ে বনের বেণী কেয়াফুল দুলায়ে, তাল তমাল বনে কাজল বুলায়ে — বর্ষারানী নাচে এলোচুলে।। তরঙ্গ-রঙ্গ নাচে নটিনী ভরা-যৌবন ভাদর-তটিনী, পরি’ ফুলমালা নাচে বনমালা — সবুজ সুধার লহর তু’লে।।
রাগঃ সারং মিশ্র
তালঃ কাওয়ালি