ও গিন্নী বদন তোল

বাণী

ও গিন্নী বদন তোল একটু হানো নয়না।
আমি জুয়েলারীর দোকান হব গায়ে হব গয়না।।
(তোমার) সিঁথের হব সিঁথিপাটি কেশে হেয়ার পিন
চিরুনি হয়ে খোপায় বিঁধে রইব চিরদিন।
টায়রা ঝাপটা লেসপিন তাহলে মন্দ হয় না।।
টানা টিকলি কাঁটা হব ফুলের নয় গো চুলের
টাপ মাকড়ি দুল হব গো একটু বেশি ঝুলের।
কানের উপর কান হব গো নাকছাবি ঐ নাকের,
কাঁচ পোকা আর খয়েরি টিপ হব ভুরূর ফাঁকে,
নোলক বেসর তাও হব যা আজকাল লোক ছোঁয় না।।
গলার হব হার নেকলেস গজমতির মালা,
হাতে হব বাজু বন্দ, পৈঁচী চুড়ি বালা।
তাগা, কেয়ুর, রুলি, শাঁখা, জসম, আংটি, খাড়ু
তাবিজ হব নোয়া হব অনন্ত সূচারু।
ভুলে গেছি — নথ নৈলে গিন্নীর মান রয় না।।
নূপুর তোড়া হ্যাদে দেখো ভুলেই দেছি দেখি
ঝুমকো ঢেঁড়ি চিকের কথা মাদুলাও বাকি,
জাল পাটরি কি হই আর কী ফেলে রাখি
বাদ কি গেল দাও লিস্টি মুখ ভার আর সয় না।।

‘গিন্নীর কাছে গয়নার ফর্দ’

ভিখারির সাজে কে এলে

বাণী

	ভিখারির সাজে কে এলে।
	তৃতীয় প্রহর নিশি নিঝ্ঝুম দশ দিশি —
	আমার ঘুমের দুয়ার ঠেলে কে এলে কে এলে।।
	সুন্দর হাতে কেন ভিক্ষার ঝুলি
	চাঁদের অঙ্গে কেন পথের ধূলি?
	আমার কবরীর যূ’ই ফুলগুলি —
তব	চরণের পানে আছে আঁখি মেলি’।
	বনভূমি কাঁদে ঝরা-ফুল-পল্লব ছড়ায়ে,
	হে তরুণ সন্ন্যাসী! বসন্ত কাঁদে তব দুই কর জড়ায়ে।
	ওগো উদাসীন! কোন্ নিষ্ঠুর সাধে
	বিভূতি মাখায়ে হায়! চৈতালী চাঁদে।
	আমার এখন ফাগুন-নিশীথে ধুতুরা-আসব কেন দিলে ঢেলে।।

মোর ঘনশ্যাম এলে কি আজ

বাণী

মোর ঘনশ্যাম এলে কি আজ কালো মেঘের বেশে।
দূর মথুরার নীল-যমুনা পার হ’য়ে মোর দেশে।।
		এলে কালো মেঘের বেশে।।
	বৃষ্টি ধারায় টাপুর টুপুর
	বাজে তোমার সোনার নূপুর,
বিজলিতে চপল আঁখির চমক বেড়ায় হেসে।।
তোমার তনুর সুগন্ধ পাই, যুঁই কেতকীর ফুলে
ওগো রাজাধিরাজ! ব্রজে আবার এলে কি পথ ভুলে।
	মেঘ-গরজনের ছলে
	ডাকো ‘রাধা রাধা’ বলে
বাদল হাওয়ায় তোমার বাঁশির বেদন আসে ভেসে।।

ঢালো মদিরা মধু ঢালো

বাণী

ঢালো মদিরা মধু ঢালো, (ঢালো আরো)
মদ রঞ্জিত হোক পান্‌সে চাঁদের আলো।।
সারা দিনমান গেল বিফল কাজে,
জাগে হৃদয়ে আনন্দ তৃষ্ণা সাঁঝে।
চাহে পরান বিধুর সুরা আর সুর —
আর অনুরাগ রাঙা দু’টি নয়ন কালো।।

নাটক : ‘দেবী দুর্গা’

ব’লো না ব’লো না ওলো সই

বাণী

ব’লো না ব’লো না ওলো সই
		আর সে কথা।।
তরু কি লতার কাছে
এসে কভু প্রেম যাচে
তরু বিনা নাহি বাঁচে
		অসহায় লতা।।
ভুলিতে যার নাই তুলনা
সখি তার কথা তুলো না
প্রাণহীন পাষাণে গড়া
		সে যে দেবতা।।

মাধব গোবিন্দ শ্রীকৃষ্ণ মুরারি

বাণী

মাধব গোবিন্দ শ্রীকৃষ্ণ মুরারি॥
কহ নাম মুখে গাহ সুখে দুখে
মণিহারই করে গেঁথে রাখ বুকে
	গোলকে হরি তার সখা সাথী প্যারী॥
পেল না ব্রহ্মা শিব ধেয়ানে যাহারে
বাঁধিল গোকুলে গোয়ালিনী তারে
	যুগে যুগে সে যে প্রেমের ভিখারি॥
লীলা রসে তাহার ডুবে রও অবিরাম
এ সংসার হবে রে সুমধুর ব্রজধাম
	ধরিবেন হৃদয়ে তোরে গিরিধারী॥