বাণী
আমি রাজার কুমার পথ ভোলা, আমি পথ ভোলা, দখিন হাওয়া দাও দোলা! আজি প্রাণের ও মনের সকল দ্বার খোলা।। তরুলতা বনের পাখি তোদের ডাকি আয় শুনে যা শোন ঝর ঝর ঝর্না-ধারা, রাজার দুলাল আমি শোন রে ফুল-নদী উতরোলা।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আমি রাজার কুমার পথ ভোলা, আমি পথ ভোলা, দখিন হাওয়া দাও দোলা! আজি প্রাণের ও মনের সকল দ্বার খোলা।। তরুলতা বনের পাখি তোদের ডাকি আয় শুনে যা শোন ঝর ঝর ঝর্না-ধারা, রাজার দুলাল আমি শোন রে ফুল-নদী উতরোলা।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’
রাগঃ
তালঃ
শ্যামা বড় লাজুক মেয়ে কেবলই সে লুকাতে চায়। আলো-আঁধার পর্দা টেনে বালিকা সে পালিয়ে বেড়ায়।। নিখিল ভুবন আছে তারে ঘিরে আমার মেয়ে তবু বসন খুঁজে ফিরে, তারে যে দেখে সে এক নিমেষে তারি মাঝে লয় হয়ে যায়।। তাই কেবলি সে লুকাতে চায়।। কোটি শিব ব্রহ্মা হরি অনন্তকাল গভীর ধ্যানে, তার সে লুকোচুরি খেলায় পায় না দিশা পায় না মনে। রবি শশী গ্রহতারার ফাঁকে যে দেখেছে পালিয়ে যেতে মাকে, (সে) আপনাকে আর পায় না খুঁজে মায়াবিনীর মহামায়ায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

সই নদীর পারে বকুল তলায় সুবাস শীতল ছায় (সখি) আকুল তাহার আঁখি দুটি কাহার পানে চায়॥ সই যা না লো দাঁড়ায়ে, কাঁটা বিঁধেছে মোর পায়ে তোরা দাঁড়া সখি ক্ষণেক, (সখি) ওকি হাসিস্ কেন হায়॥ আমার কলসিটি যে ভারি, ডালে বেঁধেছে মোর শাড়ি তোরা বলিস ছলে হেরি ওরে (ওলো) ছি ছি একি দায়! যদি হেরেই থাকি ওরে, তোরা দুষিস্ কেন মোরে ওলো আমার আমি বশে নাই মোর (পাগল) আঁখির নেশায়॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঐ কাজল-কালো চোখ। আদি কবির আদি রসের যেন দু’টি শ্লোক।। দু’টি কুসুম আছে ফু’টে পুষ্প-লতার পত্র-পুটে, সেই আলোকে১ রেঙে উঠে — বনের গহন লোক।। রূপের সাগর সাঁত্রে বেড়ায় পান কৌড়ি পাখি ঐ কাজল-কালো আঁখি, মদির আঁখির নীল পেয়ালায় শরাব বিলাও নাকি, ওগো কাজল-কালো আঁখি। তোমার দু’টি আঁখি-তারা তারার মত তন্দ্রাহারা, আমার মুখে চেয়ে চেয়ে অশ্রু-সজল হোক।।
১. হাসিতে
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
শ্যামে হারায়েছি বলে কাঁদি না বিশাখা হারায়েছি শ্যামের হৃদয় আমি তারি তরে কাঁদি গো সেই নিদয়ের তরে নয় তার হৃদয়ের তরে কাঁদি গো হারায়েছি শ্যামের হৃদয়। যে হৃদয় ছিল একা গোপিকার রাধিকার কুবুজা করেছে তারে জয়, সখি গো কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে যে রাধা ছাড়া জানত না সই কুবুজা তারে কু বুঝায়েছে কুবুজা করেছে তারে জয়। কি হবে মথুরা গিয়া, হেরি সে হৃদয়হীন পাষাণ দেবতায় সে কিছুই দেবে না, দেবতাই বটে গো সে দেবতাই বটে গো পাষাণ খুঁজে না রাধা তার প্রিয় আনন্দঘন শ্যামরায় তোরা যেতে চাস যা লো — ঠাকুর দেখিতে তোরা যেতে চাস যা লো, সখি গো ধরম-করম মম তনু-মন-যৌবন সঁপিনু চরণে যার সে পর-পুরুষ, হ’ল আজি অপরার পুরুষ স্বভাব ভ্রমবার। সে ভ্রমরাই সমতুল ফুলে ফুলে ভ্রমে সে ভ্রমরাই সমতুল তারে, দেখলে ভ্রমে জাতিকুল, ভ্রমরাই সমতুল পুরুষ স্বভাব ভ্রমরার যা’র হরি ছাড়া বোধ নাই প্রবোধ দিস্নে তায়, সজনী সবারই পোহাবে নিশি, পোহাবে না রাধারই এ আঁধার রজনী॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

ব্যথা দিয়ে প্রাণ ব্যথা না পায় — ওগো, অকরুণ, লহ বিদায়।। এ পথে যায় না পথিক, ভুল করে রূপ-সন্ধানে, এ মেঘে নাই বরিষণ, চম্কে চিকুর বাজ হানে। কাঁটা-নিকুঞ্জে এ মোর আর না মুকুল মুঞ্জরে, উদাসীর মন বেঁধে না আর নয়নের ফুল-শরে। ভুলে গেছে পাখি তার সুর-সাধায়।। আমারে চাও না যদি চাও মালিকার বন্ধনে, পূজারীর প্রাণ না চাও খালি ধূপ-চন্দনে। ফিরে যাও যাও মধুকর, আর নিলাজের গুঞ্জনে, ছলনার জাল বুনো না এই বেদনার-ফুল-বনে। মিছে চেয়ে থাকা মোর মন কাঁদায়।।
রাগঃ
তালঃ