বাণী
অবুঝ মোর আঁখি বারি, আমি রোধিতে নারি।। গ'লেছে যে-নদী জল, কে তারে রোধিবে বল, পাষাণের সে নারায়ণ তবু সে আমারি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ তিলক কামোদ
তালঃ
অবুঝ মোর আঁখি বারি, আমি রোধিতে নারি।। গ'লেছে যে-নদী জল, কে তারে রোধিবে বল, পাষাণের সে নারায়ণ তবু সে আমারি।।
রাগঃ তিলক কামোদ
তালঃ
আমাদের ভাল কর, হে ভগবান, সকলের ভাল কর, হে ভগবান।। আমাদের সব লোকে বাসিবে ভালো আমরাও সকলেরে বাসিব ভালো, রবে না হিংসা-দ্বেষ, দেহ ও মনের ক্লেশ মাটির পৃথিবী হবে স্বর্গ সমান - হে ভগভান।। জ্ঞানের আলোক দাও, হে ভগবান! বিপুল শক্তি দাও, হে ভগবান। তোমারি দেওয়া জ্ঞানে চিনিব তোমায় তোমার শক্তি হবে কর্মে সহায়, ধর্ম যদি সাথি হয়, রবেনাক দুঃখ-ভয় বিপদে পড়িলে তুমি করো যেন ত্রাণ - হে ভগবান।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সম্পা কুন্ডু
সহসা কি গোল বাঁধালো পাপিয়া আর পিকে গোলাপ ফুলের টুকটুকে রঙ চোখে লাগে ফিকে।। নাই বৃষ্টি বাদল ওলো, দৃষ্টি কেন ঝাপসা হলো? অশ্রু জলের ঝালর দোলে চোখের পাতার চিকে।। পলাশ-কলির লাল আঁখরে বনের দিকে দিকে গোপন আমার ব্যথার কথা কে গেল সই লিখে। মনে আমার পাইনে লো খেই; কে যেন নেই, কি যেন নেই। কে বনবাস দিল আমার মনের বাসন্তীকে।।
রাগঃ সিন্ধু-ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

(হায় গো) ভালোবেসে অবশেষে কেঁদে দিন গেল। ফুল-শয্যা বাসি হল, বঁধূ না এলো।। শুকাইল পানের খিলি বাঁটাতে ভরা, এ পান আমি কারে দিব সে বঁধূ ছাড়া। (হায় গো) নীলাম্বরী শাড়ি ছি ছি পরলেম মিছে লো।। এবার ধ’রে দিস্ যদি তায় রাখ্ব বেঁধে বিনোদ খোঁপায়, কাঙালে পাইলে রতন রাখে যেমন লো।। সোঁদা-মাখা নিস্নে কেশে, গন্ধে যে লো তার মনে আনে চন্দন-গন্ধ সোনার বঁধূয়ার। এত দুঃখ ছিল আমার এই বয়সে লো।।
বাউল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোমার প্রেমে সন্দেহ মোর দুর কর নাথ ভক্তি দাও। যেখানে হোক তুমি আছ — এই বিশ্বাস শক্তি দাও।। যে কোন জনমে আমি পাইব পাব তোমায় আমি অবিশ্বাসের আঁধার রাতে তোমায় পাওয়ার পথ দেখাও।। শত দুঃখ ব্যথার মাঝে এইটুকু দাও শন্তি নাথ। কাঁদিবে তুমি আমার দুঃখে আজকে যতই দাও আঘাত।। হয়ত কোটি জনম পরে পাব তোমায় আমার করে, তোমায় আমায় মিলন হবে এই আশাতেই মন দোলাও।।
রাগঃ ছায়ানট
তালঃ একতাল

আমি দেখন-হাসি আমায়দেখ্লে পরে হাসতে হাসতে পেয়ে যাবে কাশী।। আমিহাসির হাঁসলী ফিরি করি এলে আমার হাসির দেশে বুড়োরা সব ছোঁড়া হয়, আর ছোঁড়ারা যায় টেসে। আমারহাস-খালিতে বাড়ি, আমি হাস্নু হানার মাসি।। এলেআমার হাসির হেঁসেলে তার হাঁসফাঁসানি লেগে অন্তে শুধু দন্ত থাকে শরীরটা যায় ভেগে। (আমি)পাতি হাঁসির আন্ডা বেচি আর হাসির ময়দা খাঁসি।। সেদিন পথে যাচ্ছিল সব রাজার হাতি ঘোড়া উট তারা না আমায় দেখি হাসতে হাসতে ‘চোঁ চোঁ চোঁ’ এই না বলি’ অমনি দিলে ছুট হেসে পালিয়ে গেল দড়ি ছিঁড়ে মটরু মিঞার খাসি।।
রাগঃ বেহাগ মিশ্র
তালঃ দাদ্রা