বাণী
হৃদয়-সরসী দুলালে পরশি’ গত নিশি। নিশি-শেষে চাঁদ পূর্ণিমা চাঁদ গেল মিশি।। নয়ন মুদি কুমুদী ঐ কাঁদে প্রিয় কই, পিউ কাঁহা, পিউ কাঁহা, পিউ কাঁহা দশ দিশি।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
হৃদয়-সরসী দুলালে পরশি’ গত নিশি। নিশি-শেষে চাঁদ পূর্ণিমা চাঁদ গেল মিশি।। নয়ন মুদি কুমুদী ঐ কাঁদে প্রিয় কই, পিউ কাঁহা, পিউ কাঁহা, পিউ কাঁহা দশ দিশি।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
স্বপ্নে দেখি একটি নতুন ঘর তুমি আমি দু’জন প্রিয় তুমি আমি দু’জন। বাহিরে বকুল-বনে কুহু পাপিয়া করে কুজন।। আবেশে ঢুলে’ ফুল-শয্যায় শুই মুখ টিপে হাসে মল্লিকা যুঁই কানে কানে গানে গানে কহে ‘চিনেছি উতল সমীরণ’।। পূর্ণিমা চাঁদ কয়, গান আর সুর, চঞ্চল ওরা দু’জন প্রেম-জ্যোতি আনন্দ-আঁখিজল, ছল ছল ওরা দু’জন। মৌমাছি কয়, গুন্ গুন্ গান গাই মুখোমুখি দু’জনে সেইখানে যাই শারদীয়া শেফালি গায়ে পড়ে কয় — ‘ব্রজের মধুবন — এই তো ব্রজের মধুবন’।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা
শিল্পীঃ রাহাত আরা গীতি

সাবিত্রী সমান হও, লহ লহ এই আশিষ। শ্বশুর শাশুড়ির মা বাপের, কুলের তারা হয়ে হাসিস।। রামের মত স্বামী পাস, সতী হ’স সীতার সম দশরথ কৌশল্যার মত শ্বশুর শাশুড়ি অনুপম। লক্ষ্মণ সম দেবর পেয়ে সুখের সায়রে ভাসিস।। গোয়ালে গরু, মরায়ে ধান সিঁথেয় সিঁদুর, মুখে পান আল্তা পায়ে চির-এয়োতি যায় সুখে দিন এক সমান অন্নপূর্ণা জগৎ জীবের মা হয়ে ফিরে আসিস।। সভা-উজ্জ্বল জামাই পাস ভুবন-উজ্জ্বল দুঃখ পাস ধরার মত সহ্য পাস জন্মায়স্তে কাল কাটাস। পাকা চুলে পরিস্ সিঁদুর হয়ে থাকিস্ স্বামীর গো। বেঁচে থাকিস্ যতকাল অক্ষয় থাক তোর হাতের নো। পুত্র দিয়ে স্বামীর কোলে গঙ্গাজলে দেহ রাখিস।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
পাপিয়া আজ কেন ডাকে সখি, পিয়া পিয়া। শুনি’, পিয়া পিয়া বোল্ ঝুরিছে আমার হিয়া।। এমনি মধুরাতি, ছিল সে মোর সাথি, সেদিন পাপিয়া এমনি উঠিত ডাকিয়া সে কি আজ এলো তবে, চাঁদের মত নীরবে হাসির জোছনাতে তার দশদিশি রাঙাইয়া।।
নাটকঃ ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
মানবতাহীন ভারত শ্মশানে দাও মানবতা হে পরমেশ। কি হবে লইয়া মানবতাহীন ত্রিশ কোটি মানুষ মেষ।। কলের পুতুল এরা প্রাণহীন পাষাণ আত্মা বিশ্বাসহীন, নিজেরে ইহারা চিনে না জানে না, কেমনে চিনিবে নিজের দেশ।। ভারত শ্মশানে ফেরে প্রেতপাল, নর নাই, শুধু নর-কঙ্কাল; এই চির অভিশপ্তের মাঝে জাগাও হে প্রভু প্রাণের রেশ।। ভায়ে ভায়ে হেথা নাহি প্রেমবোধ, কেবলি কলহ, কেবলি বিরোধ; হে দেশ-বিধাতা, দূর কর এই লজ্জা ও গ্লানি, এ দীন বেশ।।
রাগঃ মালকোষ
তালঃ তেওড়া
