আয় গোপিনী খেলবি হোরি ফাগের রাঙা

বাণী

আয় গোপিনী খেলবি হোরি ফাগের রাঙা পিচ্‌কারিতে
আজ শ্যামে লো করব ঘায়েল আবির হাসির টিট্‌কারিতে।।
রঙে রাঙা হয়ে শ্যাম আজ হবে যেন রাই কিশোরী
যমুনা জল লাল হবে আজ আবির ফাগের রঙে ভরি
কপালে কলঙ্ক মোদের ধুয়ে যাবে রঙ ঝারিতে।।
গুরুজনার গঞ্জনা আজ
সইব না লো মানব না লাজ
কূল ভুলে গোকুল পানে ভেসে যাব রাঙা গীতে।।

আ’ মেরে সঙ্গ আ

বাণী

আ’ মেরে সঙ্গ আ, মঙ্গল গা হিল্‌মিল্‌কে এয় বনমালী।
আরমা ফের পুরে হো জাঁয়ে সারে দিল্‌কে এয় বনমালী॥
মুঝ্‌কো জাগানেওয়ালা, হো, জগ্‌মে তেরা উজালা
তু মুঝ্‌কো ধূল সমঝ্‌কে, লে লে চরণ মে আপ্‌নে
তুনে দিয়ে জ্বালায়ে বিরাণ মন্‌জিল্‌ কে এয় বনমালী॥
তু হামকো খাক্‌ ছানায়া, (আউর) ব্যাকুল আপনা বানায়া
কহিঁ আউ না কহিঁ জাউ, আপনে আগে তুমকো পাউঁ
খো জায়েঁ যুঁহি মিট্টি মে হাম মিলকে এয় বনমালী॥

তোমারি প্রকাশ মহান

বাণী

তোমারি প্রকাশ মহান, রে নিখিল দুনিয়া জাহান্!
তোমারি জ্যোতিতে রওশন্ নিশিদিন জমিন ও আস্‌মান্‌।।
নিভিল কোটি তপন চাঁদ তোমারে খুঁজিয়া প্রভু,
কত দাউদ ঈশা মুসা করিল তব জয়গান।।
তোমারে কত নামে হায় ডাকিছে বিশ্ব শিশুর প্রায়,
কত নামে পূজে তোমায় ফেরেশতা হুর পরী ইনসান্।।

মনে যে মোর মনের ঠাকুর তারেই আমি

বাণী

মনে যে মোর মনের ঠাকুর তারেই আমি পূজা করি,
আমার দেহের পঞ্চভূতের পঞ্চপ্রদীপ তুলে ধরি।।
	ফকির যোগী হয়ে বনে
	ফিরি না তার অন্বেষণে
আমি	মনের দুয়ার খুলে দেখি রূপের জোয়ার মরি মরি।।
	আছেন যিনি ঘিরে আমায়
	তারে আমি খুঁজব কোথায়
সাগরে খুঁজে বেড়াই সাগর বুকে ভাসিয়ে তরী।
	মন্দিরের ঐ বন্ধ খোঁপে
	ঠাকুর কি রয় পূজার লোভে?
পেতে রাখি ভক্তি বেদী আসবে নেমে প্রেমের হরি।।

আসিলে কে গো বিদেশি

বাণী

আসিলে কে গো বিদেশি দাঁড়ালে মোর আঙিনাতে।
আঁখিতে ল’য়ে আঁখি-জল লইয়া ফুল-মালা হাতে।।
জানি না চিনি না তোমায় কেমনে ঘরে দিব ঠাঁই
অমনি আসে তো সবাই হাতে ফুল, জল নয়ন-পাতে।।
কত সে প্রেম-পিয়াসি প্রাণ চাহিছে তোমার হাতের দান
কাঁদায়ে কত গুলিস্তান আমারে এলে কাঁদাতে।।
ফুলে আর ভোলে না মোর মন, গলে না নয়ন-জলে,
ভুলিয়া জীবনে একদিন আজিও জ্বলি জ্বালাতে।।

চোখ গেল চোখ গেল

বাণী

‘চোখ গেল’ ‘চোখ গেল’ কেন ডাকিস রে
			চোখ গেল পাখি (রে)।
তোর ও চোখে কাহার চোখ পড়েছে নাকি রে
			চোখ গেল পাখি (রে)।।
চোখের বালির জ্বালা জানে সবাই রে
চোখে যার চোখ পড়ে তার অষুধ নাই রে
কেঁদে কেঁদে অন্ধ হয় তাহার আঁখি রে।।
তোর চোখের জ্বালা বুঝি নিশি রাতে বুকে লাগে
চোখ গেল ভুলে রে ‘পিউ কাঁহা’ ‘পিউ কাঁহা’ বলে
			তাই ডাকিস অনুরাগে রে।
ওরে বন পাপিয়া কাহার গোপন্-প্রিয়া
			ছিলি আর জনমে
আজো ভুলতে নারিস আজো ঝুরে হিয়া
ওরে পাপিয়া বল্ যে হারায় তাহারে কি
			পাওয়া যায় ডাকি’ রে।।