বাণী
কাঁদিস্নে আর কাঁদিস্নে মা, আমি মা তোর দুঃখ ঘুচাব। বসন-ভূষণ দেব এনে মা তোর চোখের জল মুছাব।। তুই হবি মা রাজ-জননী এনে দেব রত্ন-মণি, রাজার আসন আন্ব ছিনি তোরে সেই আসনে বসাব।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’ (ধ্রুবের গীত)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কাঁদিস্নে আর কাঁদিস্নে মা, আমি মা তোর দুঃখ ঘুচাব। বসন-ভূষণ দেব এনে মা তোর চোখের জল মুছাব।। তুই হবি মা রাজ-জননী এনে দেব রত্ন-মণি, রাজার আসন আন্ব ছিনি তোরে সেই আসনে বসাব।।
চলচ্চিত্র : ‘ধ্রুব’ (ধ্রুবের গীত)
রাগঃ
তালঃ
মধুর মধুর! আজি সকলি মধুর! মধুর মালা গলে মধুর বঁধুর।। মধুর চাঁদের পাশে মধুর রোহিণী হাসে মধুর ফুলের মুখে মধু ভরপুর।। মধুর মিলন রাতি মধুর জাগার সাথী মধুরতর হ’ল মধুরতর ওলো কাছে এসে বিধুর সুদূর।।
নাটক : ‘মধুমালা’
রাগঃ
তালঃ
আঁখি তোল আঁখি তোল না, দানো করুণা, ওগো অরুণা, মেলি’ নয়ন জীর্ণ কানন কর তরুণা।। আঁখি যে তোমার বনের পাখি — ঘুম যে ভাঙায় আঁধারে ডাকি’, আলোর-সাগর জাগাও বরুণা।। তব আনত আঁখির পাতার কোলে তরুণ আলোর মুকুল দোলে। রঙের কুমার দুয়ারে জাগে, তোমার আঁখির প্রসাদ মাগে, পাণ্ডুর ভোর হোক তরুণারুণা।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

মোর ঘুমঘোরে এলে মনোহর নমো নম, নমো নম, নমো নম। শ্রাবণ-মেঘে নাচে নটবর রমঝম, রমঝম, ঝমরম (ঝমঝম, রমঝম, রমঝম)।। শিয়রে বসি চুপি চুপি চুমিলে নয়ন মোর বিকশিল আবেশে তনু নীপ-সম, নিরুপম, মনোরম।। মোর ফুলবনে ছিল যত ফুল ভরি ডালি দিনু ঢালি’ দেবতা মোর হায় নিলে না সে ফুল, ছি ছি বেভুল, নিলে তুলি’ খোঁপা খুলি’ কুসুম-ডোর। স্বপনে কী যে কয়েছি তাই গিয়াছ চলি’ জাগিয়া কেঁদে ডাকি দেবতায় প্রিয়তম, প্রিয়তম, প্রিয়তম।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ কনক চাঁপা
১.

২.

৩.

মদির আঁখির সুধায় সাকি ডুবাও আমার এ তনু মন আজিকে তোমায় ও আমায় বেদনার বাসর জাগরণ। মঙ্গালস ও আঁখি তব, সাকি, দিল দোলা প্রাণে।। বাদল-ছাওয়া এ গুল-বাগিচায় বুলবুল কাঁদে গজল গানে।। গোলাবী গুলের নেশা ছিল মোর ফুলেল ফাগুনে। শুকায়ে গিয়াছে ফুলবন, নাই গোলাব গুলিস্তানে।। শুনি, সাকি তোমার কাছে ব্যথা ভোলার দারু আছে — হিয়া কোন অমিয়া যাচে জান তুমি, খোদা জানে।। দুখের পশরা লয়ে বিফল কাঁদিয়া বৃথা (সাকি)। সকলি গিয়াছে যখন যাক ঈমান শ্যরাব পানে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

নতুন চাঁদের তক্বীর শোন্ কয় ডেকে ঐ মুয়াজ্জিন — আসমানে ফের ঈদুজ্জোহার চাঁদ উঠেছে মুসলেমিন।। এলো স্মরণ করিয়ে দিতে ঈদুজ্জোহার এই সে চাঁদ, তোরা ভোগের পাত্র ফেল্ রে ছুঁড়ে ত্যাগের তরে হৃদয় বাঁধ। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।। প্রাণের যা তোর প্রিয়তম আজকে সে সব আন্, খোদারই রাহে আজ তাহাদের কর রে কোরবান্। কি হবে ঐ বনের পশু খোদারে দিয়ে, তোর কাম-ক্রোধাদি মনের পশু জবেহ্ কর্ নিয়ে। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।। বিলিয়ে দেওয়ার খুশির শিরনি তশ্তরিতে আন, পর্ রে তোরা সবাই ত্যাগের রঙিন পিরহান্। মোদের যা কিছু প্রিয় বিলাব সবে নবীর উম্মত তবে সকলে কবে। কোরবানি দে তোরা, কোরবানি দে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
