
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।
নজরুলগীতির নতুন মোবাইল অ্যাপ প্রকাশ করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে। ইনস্টল করতে ক্লিক করুন।

নাচে ঐ আনন্দে নন্দ-দুলাল তাতা থৈ তাতা থৈ — নাচে বৃন্দাবনে হরি ব্রজ-গোপাল।। ছন্দ নামে, দক্ষিণে বামে, টলে বাঁকা শিখী-পাখা। উছল যমুনা-জলে বাজিছে তাল। নাচে নন্দ-দুলাল।। বিরাট খেলে হের আজ শিশুর রূপে, স্বর্গে কাঙাল করি’ ধরায় এলো চুপে চুপে। এত রূপ কেমনে দেখি, দিলে কেন দুটি আঁখি তাহে আবার পলক পড়ে; আজি বিশ্ব-পালক হ’ল বালক রাখাল।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা

কোন্ অজানা জনে দিব প্রাণ মোর। নেবে আমার মালা সে-কোন কিশোর।। কাহার লাগি’ একেলা জাগি কোথা সে আমার প্রেম-অনুরাগী, কোন্ কাননে রয় সে বনমালী চোর।। পরি’ বধূর সাজ ভুলিয়া কুল লাজ বৃথা আছি ব’সে কোথা হৃদয়-রাজ, মম যৌবন-নিশি জেগে হল ভোর।।
রাগঃ
তালঃ
তোমার হাতের সোনার রাখি আমার হাতে পরালে। আমার বিফল বনের কুসুম তোমার পায়ে ঝরালে।। খুঁজেছি তোমায় তারার চোখে কত সে-গ্রহে কত সে-লোকে, আজ কি তৃষিত মরুর আকাশ বাদল-মেঘে ভরালে।। দূর অভিমানের স্মৃতি কাঁদায় কেন আজি গো! মিলন-বাঁশি সহসা ওঠে ভৈরবীতে বাজি’ গো! হেনেছ হেলা, দিয়েছ ব্যথা মনে পড়ে আজ কেন সে-কথা, মরণ-বেলায় কেন এ গলায় মালার মতন জড়ালে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

তোরা যারে এখনি হালিমার কাছে লয়ে ক্ষীর সর ননী আমি খোয়াবে দেখেছি কাঁদিছে মা বলে আমার নয়ন-মণি॥ মোর শিশু আহমদে যেদিন কাঁদিয়া হালিমার হাতে দিয়াছি সঁপিয়া সেই দিন হ’তে কেঁদে কেঁদে মোর কাটিছে দিন রজনী॥ পিতৃহীন সে সন্তান হায় বঞ্চিত মা’র স্নেহে তারে ফেলে দূরে কোল খালি করে (আমি) থাকিতে পারি না গেহে। অভাগিনী তার মা আমিনায় মনে করে সে কি আজো কাঁদে হায় বলিস তাহারি আসার আশায় দিবানিশি দিন গণি॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ও মা বক্ষে ধরেন শিব যে চরণ শরণ নিলাম সেই চরণে জীবন আমার ধন্য হলো ভয় নাই মা আর মরণে।। যা ছিল মা মোর ত্রিলোকে তোকে দিলাম, দিলাম তোকে আমার ব’লে রইল শুধু তোর চরণের ধ্যান, এ মনে।। তোর কেশ নাকি মা মুক্ত হলো ছুঁয়ে তোর ওই রাঙা চরণ মুক্তকেশী, মুক্ত হবো ওই চরণে নিয়ে শরণ। তোর চরণ-চিহ্ন বক্ষে এঁকে বিশ্বজনে বলবো ডেকে — মা ‘দেখে যা কোন্ রত্ন রাজে আমার হৃদয়-সিংহাসনে’।।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

আমি কি সুখে লো গৃহে রবো সখি গো — আমার শ্যাম হলো যদি যোগী ওলো সখি আমিও যোগিনী হবো। আমি যোগিনী হবো শ্যাম যে তরুর তলে বসিবে লো ধ্যানে সেথা অঞ্চল পাতি’ রবো আমার বঁধুর পথের ধূলি হবো আমায় চলে যেতে দলে যাবে সেই সুখে লো ধূলি হবো সখি গো — আমি আমার সুখের গোধূলি বেলার রঙে রঙে তারে রাঙাইব তার গেরুয়া রাঙা বসন হয়ে জড়াইয়া রবো দিবস যামী সখি গো — সখি আমার কঠিন এ রূপ হবে রুদ্রাক্ষেরই মালা তার মালা হয়ে ভুলব আমার পোড়া প্রাণের জ্বালা আমার এ দেহ পোড়ায়ে হইব চিতা ছাই মাখিবে যোগী মোর পুড়িব সেই আশায় পোড়ার কি আর বাকি আছে আমার শ্যাম গেছে যোগী হয়ে ছায়া শুধু পড়ে আছে।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা, ঝাঁপতাল ও কাহার্বা)

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan