বাণী
তুমি যেয়ো না তুমি যেয়ো না। মিলনের সাধ না মিটিতে চাঁদ বিদায় চেয়ো না।। শোনো গো আমার বক্ষের মাঝে সাত সাগরের ক্রন্দন বাজে, জোয়ারের তরী এখনই বন্ধু ভাটার স্রোতে বেয়ো না।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
তুমি যেয়ো না তুমি যেয়ো না। মিলনের সাধ না মিটিতে চাঁদ বিদায় চেয়ো না।। শোনো গো আমার বক্ষের মাঝে সাত সাগরের ক্রন্দন বাজে, জোয়ারের তরী এখনই বন্ধু ভাটার স্রোতে বেয়ো না।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
আমি ছন্দ ভুল চির-সুন্দরের নট-নৃত্যে গো। আমি অপ্সরা-মায়া ধ্যানভঙ্গের যোগী মহেন্দ্রের চিত্তে গো।। আমি পঞ্চশর-তৃণে রক্তমাখা শর, অমৃত-পাত্রে গো স্মর-গরল খর আমি উর্বশীর খল-চরণ-নূপুর উদাসিনী দেব-চিত্তে গো।।
রাগঃ টোড়ি
তালঃ তেওড়া
কবে সে মদিনার পথে, গিয়াছে সুজন। বহায়ে নয়ন বারি, ভিজিল বসন।। রমজানের ঐ চাঁদ নবী, পাঠাইলেন নূরের খুবী, পাগল করে আমার হিয়া করেছে হরণ।। পশুপাখি তরুলতা, তারা শুধায় পারের কথা, আমি একলা বসে ভাবছি হেথা নবীজীর কারণ।। বেড়াই আমি পথে পথে, খুঁজে না পাই মদিনাতে, কোথায় গেলেন পাক মোস্তফা অমূল্য রতন।। [দুখুমিয়ার লেটোগান, সংগ্রহ ও সম্পাদনা : মুহম্মদ আয়ুব হোসেন, বিশ্বকোষ পরিষদ, কলকাতা, ২০০৩]
রেকর্ড
কবে সে মদিনা পথে গিয়াছে সুজন। বহায়ে নয়ন-বারি (আমার) ভিজায়ে বদন।। রমজানের চাঁদে নবী, পাঠায় সদা নূরের ছবি, পাগল করে আমার মন করেছে হরণ।। পশুপাখি তরুলতা, তাদের শুধাই পথের কথা, কেমনে পাবো সে চাঁদে জীবন-শরণ।। খুঁজে সে মদিনা-নাথে, কেঁদে ফিরি পথে পথে, কোথা গেলে পাবো আমি ও রাঙা চরণ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

জল ছল ছল এসো মন্দাকিনী। রস-ঢলঢল বারি-সঞ্চারিণী।। হৃদয়-গগন আজি তৃষ্ণা-ভরে উতল হইল প্রেম-গঙ্গা-তরে, মুদিত নয়ন খোলো বৈরাগিনী।। বিরস ভুবন রাখ সঞ্জীবিতা সজল সলিল আনো হিল্লোলিতা, ঝর ঝর ঝর স্রোত-উন্মাদিনী।।
রাগঃ
তালঃ মন্দাকিনী (১৬ মাত্রা)
রেশ্মি চুড়ির শিঞ্জিনীতে রিমঝিমিয়ে মরম কথা পথের মাঝে চম্কে’ কে গো থম্কে’ যায় ঐ শরম-নতা।। কাঁখ-চুমা তার কলসি-ঠোঁটে উল্লাসে জল উল্সি’ ওঠে, অঙ্গে নিলাজ পুলক ছোটে বায় যেন হায় নরম লতা।। অ-চকিতে পথের মাঝে পথ-ভুলানো পরদেশিকে হান্লে দিঠি পিয়াস-জাগা পথ্বালা এই উর্বশীকে! শূন্য তাহার কন্যা হিয়া ভর্ল বঁধুর বেদ্না নিয়া, জাগিয়ে গেল পর্দেশিয়া বিধুর বধূর মধুর ব্যথা।।
রাগঃ কালাংড়া
তালঃ কাশ্মিরী খেম্টা
শিল্পীঃ ডা. ফারহানা মাহবুব
রুম্ ঝুম্ ঝুম্ বাদল নূপুর বোলে বোলে, তমাল বরণী কে নাচে, কে নাচে গগন কোলে।। তার অঙ্গের লাবনি যেন ঝরে অবিরল হয়ে শীতল মেঘলা মতির ধারা জল। কদম ফুলের পীত উত্তরী তার পূব হাওয়াতে দোলে।। বিজলি ঝিলিকে কার বনমালার আভাস জাগে বন কুন্তলা ধরা হলো শ্যাম মনোহরা তাহারি অনুরাগে। কারে হেরি পাপিয়া পিয়া পিয়া কহে সাগর কাঁদে নদী জল বহে ময়ূর-ময়ূরী বন-শবরী নাচে ট’লে ট’লে।।
বেতার গীতিকা: ‘বর্ষা মোদের প্রাণ’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
