আকাশে ভোরের তারা মুখ পানে

বাণী

আকাশে ভোরের তারা মুখ পানে চেয়ে আছে
ঝরা-ফুল অঞ্জলি পড়ে আছে,পা'র কাছে।
	দেবতা গো,জাগো জাগো জাগো।।
আঁধার-ঘোমটা খুলি শতদল আঁখি তুলি'
পৃথিবী প্রসাদ যাচে দেবতা গো,জাগো।।
কপোত-কণ্ঠে শোন তব বন্দনা বাজে
তোমারে হেরিতে ঊষা দাঁড়ায় বধূর সাজে।
দেবতা,তোমার লাগি'আজি আছি নিশি জাগি’'
ভীরু এ মনের কলি হের,দল মেলিয়াছে।
	দেবতা গো,জাগো।।

ফিরদৌসের শিরনি এলো

বাণী

	ফিরদৌসের শিরনি এলো ঈদের চাঁদের তশতরিতে।
	লুট ক’রে নে বনি আদম ফেরেশ্‌তা আর হুরপরীতে।।
		চোখের পানি হারাম আজি
		চলুক খুশির আতস বাজি,
(তার)	মউজ লাগুক দূর সেতারা জোহরা আর মোশ্‌তরিতে।।
	দুশমনে আজ দোস্ত মেনে নে তারে তুই বক্ষে টেনে
	হস্‌নে নারাজ দরাজ হাতে দৌলত তোর বিলিয়ে দিতে।।

জয় ব্রহ্ম বিদ্যা শিব-সরস্বতী

বাণী

জয় ব্রহ্ম বিদ্যা শিব-সরস্বতী।
জয় ধ্রুব জ্যোতি, জয় বেদবতী।।
জয় আদি কবি, জয় আদি বাণী
জয় চন্দ্রচূড়, জয় বীণাপাণি,
জয় শুদ্ধজ্ঞান শ্রীমূর্তিমতী।।
শিব! সঙ্গীত সুর দাও, তেজ আশা,
দেবী! জ্ঞান শক্তি দাও, অমর ভাষা।
শিব! যোগধ্যান দাও, অনাশক্তি
দেবী! মোক্ষলক্ষ্মী! দাও পরাভক্তি,
দাও রস অমৃত, দাও কৃপা মহতী।।

মোহররমের চাঁদ এলো ঐ

বাণী

মোহররমের চাঁদ এলো ঐ কাঁদাতে ফের দুনিয়ায়।
ওয়া হোসেনা ওয়া হোসেনা তারি মাতম শোনা যায়।।
কাঁদিয়া জয়নাল আবেদীন বেহোশ হল কারবালায়
বেহেশ্‌তে লুটিয়ে কাঁদে আলী ও মা ফাতেমায়।।
কাশেমের ঐ লাশ লয়ে কাঁদে বিবি সাকিনা।
আস্‌গরের ঐ কচি বুকে তীর দেখে কাঁদে খোদায়।।
কাঁদে বিশ্বের মুসলিম আজি গাহে তারি মর্সিয়া।
ঝরে হাজার বছর ধরে অশ্রু তারি শোকে হায়।।

সুরের ধারার পাগল-ঝোরা

বাণী

সুরের ধারার পাগল-ঝোরা নামিল সখি মোর পরানে।
	ভরি’ মোর নিশীথ নিঝুম,
	বাজে নূপুর কার রুমুঝুম,
	মোর চোখে নাহি ঘুম —
পাষাণ টুটে লো যায় ছুটে মন-তটিনী মোর সাগর পানে।।
পান্‌সে চাঁদের জোছনাতে ঐ বেলের কুঁড়ি মুঞ্জরে,
মন যেতে চায় ফুল-বিছানো বকুল-বীথির পথ ধ’রে।
	আজ চাইবে যে, দিব তাকে
	সেই ফুল ছুঁয়ে এই আপনাকে,
অরুণ-রাগে হৃদয় জাগে, ভাসিয়া যাব নৃত্যে গানে।।

জয় বিগলিত করূণা রূপিণী গঙ্গে

বাণী

জয় বিগলিত করূণা রূপিণী গঙ্গে
জয় কলুষহারিণী পতিতপাবনী
নিত্যা পবিত্রা যোগী-ঋষি সঙ্গে॥
হরি শ্রীচরণ ছুঁয়ে আপন-হারা,
পরম প্রেমে হ’লে দ্রবীভূত ধারা;
ত্রিলোকের ত্রিতাপ পাপ তুমি নিলে মা,
নির্মলে, তোমার পবিত্র অঙ্গে॥