বাণী
জাগো জাগো, পোহাল রাতি। গগন-আঙনে ম্লান চাঁদের বাতি।। মধুমাছি মধু বোলে ফুলমুখী ঘুম ভোলে, শরমে নয়ন খোলে — শয়ন-সাথী।। সলিল লুটায় ঘটে বধূর বুকে তটে, বাজে বাঁশি ছায়া-বটে — আবেশ মাতি’।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী ভূপাল
তালঃ যৎ
জাগো জাগো, পোহাল রাতি। গগন-আঙনে ম্লান চাঁদের বাতি।। মধুমাছি মধু বোলে ফুলমুখী ঘুম ভোলে, শরমে নয়ন খোলে — শয়ন-সাথী।। সলিল লুটায় ঘটে বধূর বুকে তটে, বাজে বাঁশি ছায়া-বটে — আবেশ মাতি’।।
রাগঃ ভৈরবী ভূপাল
তালঃ যৎ
হে গোবিন্দ, ও অরবিন্দ চরণে শরণ দাও হে। বিফল জনম কাটিল কাঁদিয়া, শান্তি নাহি কোথাও হে।। জীবন-প্রভাত কাটিল খেলায়, দুপুর ফুরাল মোহের মেলায়। ডাকিব যে নাথ সন্ধ্যা-বেলায়, ডাকিতে পারিনি তাও হে।। এসেছি দুঃখ-জীর্ণ পথিক মৃত্যু-গহন রাতে। কিছু নাহি প্রভু সম্বল, শুধু জল আছে আঁখি-পাতে।। সন্তান তব বিপথগামী, ফিরিয়া এসেছে হে জীবন-স্বামী। পাপী তাপী তবু সন্তান আমি ধূলা মুছে-কোলে নাও হে।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ একতাল

ওরে ও নতুন ঈদের চাঁদ তোমার হেরে হৃদয় সাগর আনন্দে উন্মাদ।। তোমার রাঙা তশতরিতে ফিরদৌসের পরী খুশির শিরনি বিলায় রে ভাই নিখিল ভুবন ভরি খোদার রহম পড়ছে তোমার চাঁদনি রূপে ঝরি। দুখ ও শোক সব ভুলিয়ে দিতে তুমি মায়ার ফাঁদ।। তুমি আসমানে কালাম ইশারাতে লেখা যেন মোহাম্মাদের নাম। খোদার আদেশ তুমি জান স্মরণ করাও এসে যাকাত দিতে দৌলত সব দরিদ্রেরে হেসে শত্রুরে আজি ধরিতে বুকে শেখাও ভালবেসে। তোমায় দেখে টুটে গেছে অসীম প্রেমের বাঁধ।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ওগো মাগো আজো, বেঁচে আছি, তোরই প্রসাদ পেয়ে। তোর দয়াময়ী অন্নপূর্ণা, তোরই অন্ন খেয়ে॥ কবে কখন খেলার ছলে, ডেকেছিলাম শ্যামা ব’লে; সেই পুণ্যে ধন্য আমি, আজ তোরই নাম গেয়ে॥ পাপী হয়েও পাই আমি তাই, যখন যাহা চাই। দুঃখে শোকে বিপদ ঝড়ে, বাঁচাস্ মা তুই বক্ষে ধ’রে; দয়াময়ী নাই কেহ মা, ভবানী তোর চেয়ে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

(আমার) মা আছে রে সকল নামে মা যে আমার সর্বনাম। যে নামে ডাক শ্যামা মাকে পুর্বে তাতেই মনস্কাম।। ভালোবেসে আমার শ্যামা মাকে যার যাহা সাধ সেই নামে সে ডাকে, সেই নামে মা দেয় রে সাড়া১ কেউ শ্যামা কয়, কেহ শ্যাম।। এক সাগরে মিশে গিয়ে সকল নামের নদী, সেই হরি হর কৃষ্ণ ও রাম, দেখিস্ তাঁকে যদি। নিরাকারা সাকারা সে কভু সকল জাতির উপাস্য সে প্রভু, নয় সে নারী নয় সে পুরুষ, সর্বলোকে তাঁহার ধাম।।
১. দেয় রে ধরা।
রাগঃ দেশি মিশ্র
তালঃ দাদ্রা

শ্যামা তোর নাম যার জপমালা তার কি মা ভয় ভাবনা আছে। দুঃখ-অভাব-রোগ-শোক-জরা লুটায় মা তার পায়ের কাছে॥ যার চিত্ত নিবেদিত তোর চরণে ওমা কি ভয় তাহার জীবনে মরণে। যেমন খেলে শিশু মায়ের সম তোর অভয় কোলে সে তেমনি নাচে॥ রক্ষামন্ত্র যার শ্যামা তোর নাম, সকল বিপদ তারে করে প্রণাম। সদা প্রসন্ন মন তার ধ্যানে মা তোর, ভূমানন্দে মা গো রহে সে বিভোর। তার নিকটে আসিতে নারে কালো কঠোর তব নাম প্রসাদ সে লভিয়াছে॥
রাগঃ মিশ্র বাগেশ্রী
তালঃ ত্রিতাল
