বাণী
চির-আপনার তুমি হে হরি। তুমি ভুলো না যদি আমি রই পাশরি’।। আমি ভুলিয়া যদি কভু রহি ঘুমে তুমি ঘুম ভাঙাও মোর আঁখি চুমে, তুমি আমি এক তরীতে তরি।। আমার বাঁধন মোচন মাঝে হরি হে তোমারও মুকুতি রাজে, তুমি জীবনে আমার আছ প্রাণ ধরি’।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
চির-আপনার তুমি হে হরি। তুমি ভুলো না যদি আমি রই পাশরি’।। আমি ভুলিয়া যদি কভু রহি ঘুমে তুমি ঘুম ভাঙাও মোর আঁখি চুমে, তুমি আমি এক তরীতে তরি।। আমার বাঁধন মোচন মাঝে হরি হে তোমারও মুকুতি রাজে, তুমি জীবনে আমার আছ প্রাণ ধরি’।।
রাগঃ
তালঃ
অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম। মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্কে শ্যামকা নাম।। বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্ যাতি নাগন কালি কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্ মাঙ্গনে আতে লাখ্ যনম্। তুম, আতে ইস্ বৃজধাম।। চুপ্কে চুপ্কে তুম্রে হিরদয় ম বসতা বন্সীওয়ালা, আওর, ধীরে ধীরে উস্কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্কি জ্বালা। পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্, র্যহতে আস্ ল্যগায়ে আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্ হো জাতে বদনাম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পিয়াল ফুলের পিয়ালায় বঁধু অন্তর-মধু ঢেলে পিয়াব তোমায়। রচিব হৃদয়ে মাধবী-কুঞ্জ বাহিরে ফাগুন যদি যেতে চায়।। বেল-ফুল যায় যদি ঝুরে প্রেম-ফুল দিব ডালি ভ’রে, নিশি জেগে আমি গান শোনাব বনের বিহগ যদি মাগে বিদায়।। আর যদি নাহি বহে দখিনা বাতাস (বঁধু) অঞ্চল আছে মোর, আছে কেশ-পাশ, যায় যদি যাক্ ডুবে চৈতালী চাঁদ আমার চাঁদ যেন চ’লে নাহি যায়।
রাগঃ
তালঃ ত্রিতাল
তোমা বিনা মাধব রহিতে পারি না আর। বায়ু বিনা যেমন বাঁচে না জীবন তেমনি আপন তুমি যে আমার॥ মেঘ বিনা চাতকিনী মরে যায়, জল বিনা যেমন শতদল ঝরে যায়, তিল্ তিল্ করি মরিতেছি আমি যে তেমনি বিরহে তোমার॥ তুমি ছাড়া প্রীতম্ মনে হয় কেহ মোর নাহি এ নিখিলে; নিভে গেছে রবি-শশী, ডুবে গেছে পৃথিবী প্রলয়-সলিলে। আর সকলের, তুমি প্রভু, ধ্রুব-জ্যোতি; কৃষ্ণ নয়ন-তারা তুমি যে মীরার॥
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা
কোন্ সুদূরের চেনা বাঁশির ডাক শুনেছিস্ ওরে চখা? ওরে আমার পলাতকা! তোর প’ড়লো মনে কোন্ হানা–ঘর, স্বপন-পারের কোন্ অলকা? ওরে আমার পলাতকা।। তোর জল ভ’রেছে চপল চোখে, বল কোন্ হারা–মা ডাক্লো তোকে রে ঐ গগন–সীমায় সাঁঝের ছায়ায় — হাতছানি দেয় নিবিড় মায়ায় — উতল পাগল! চিনিস্ কি তুই চিনিস্ ওকে রে? যেনবুক–ভরা ও’ গভীর স্নেহে ডাক দিয়ে যায়, ‘আয়, ওরে আয় আয় আয়, কোলে আয় রে আমার দুষ্টু খোকা! ওরে আমার পলাতকা।।‘ দখিন হাওয়ায় বনের কাঁপনে — দুলাল আমার! হাত–ইশারায় মা কি রে তোর ডাক দিয়েছে আজ? এতদিনে চিনলি কি রে পর ও আপনে! নিশি ভোরেই তাই কি আমার নামলো ঘরে সাঁঝ? ধানের শীষে, শ্যামার শিষে — যাদুমণি! বল্ সে কিসে রে, তুই শিউরে চেয়ে ছিঁড়্লি বাঁধন! চোখ ভরা তোর উছলে কাঁদন রে! তোরে কে পিয়ালো সবুজ স্নেহের কাঁচা বিষে রে! যেন আচম্কা কোন্ শশক–শিশু চম্কে ডাকে হায়, ‘ওরে আয় আয় আয় — বনে আয় ফিরে আয় বনের সখা। ওরে চপল পলাতকা।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ সুধীন দাস

মালঞ্চে আজ কাহার যাওয়া আসা। ঝরা পাতায় বাজে মৃদুল তাহার পায়ের ভাষা।। আসার কথা জানায় ঐ যে ফুলের আখর সবুজ পাতায়, ঐ দোয়েল শ্যামার কূজন কয় যে বাণী ঐ ঐ তার ভালোবাসা।। মদির সমীরণে তনুর সুবাস পাই যে ক্ষণে ক্ষণে, সবুজ বসন ফেলি’ পরল ঐ বন কুস্মী রাঙা চেলি। তাই বসুন্ধরায় জাগে অরুণ আশা — ঐ ঐ যে আলোকের পিপাসা।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা
