বাণী
মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে। বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।। কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে, কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
মলয় হাওয়া আসবে কবে ফুল ফোটাতে। বকুল চাঁপার বেল যুথিকার ঘুম ভাঙাতে।। কৃষ্ণ চূড়ার ডালে ডালে নাচবে তুমি, এসে সাঁঝ সকালে, কোকিল ডাকে, আজকে এসো, চাঁদনি রাতে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ
মোরা বিহান-বেলা উঠে রে ভাই চাষ করি এই মাটি। যে মাটির বুকে আছে পাকা ধানের সোনার কাঠি॥ ফসল বুনে রোদের তাতে উঠি যখন ঘেমে সদয় হয়ে আকাশ বেয়ে বৃষ্টি আসে নেমে (ওরে) মুচকি হেসে বৌ এনে দেয় পান্তা ভাতের বাটি॥ আশ মেটে না চারা ধানের পানে চেয়ে চেয়ে মরাই ভ’রে থাকবে ওরাই আমার ছেলে মেয়ে। (আমি) চাই না স্বর্গ, পাই যদি এই পাকা ধানের আটি (রে ভাই)॥ জল নিতে যায় আড়চোখে চায় বৌ-ঝি নদীর কূলে খুশিতে বুক ভ’রে ওঠে, খাটুনি যাই ভুলে। এ মাঠ নয় ভাই বৌ পেতেছে ঠান্ডা শীতল পাটি॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দরিয়ায় ঘোর তুফান, পার কর নাইয়া। রজনী আঁধার ঘোর, মেঘ আসে ছাইয়া।। যাত্রী গুনাহ্গার, জীর্ণ তরুণী, অসীম পাথারে কাঁদি পথ হারাইয়া।। হে-চির কাণ্ডারী, পাপে তাপে বোঝাই তরী তুমি না করিলে পার, পার হব কেমন করি’, সুখ-দিনে ভুলে’ থাকি, বিপদে তোমারে স্মরি – ডুবাবে কি তব নাম আমারে ডুবাইয়া।। মা’র কাছে মার খেয়ে শিশু যেমন মাকে ডাকে যত দাও দুখ শোক, ডাকি ততই তোমাকে, জানি শুধু তুমি আছ, আসিবে আমার ডাকে – তোমারি এ তরী প্রভু, তুমি চল বাহিয়া।।
রাগঃ জংলা
তালঃ দাদ্রা

হেলে দুলে নীর ভরণে ও-কে যায়। (কিশোরী) ছল ক’রে কলসী নাচায়।। দুলে দোদুল তনু-লতা, বাহু দোলে, দুলে অঞ্চল চঞ্চল বায়। দুলে বেণী, দুলে চাবি আঁচলায়।। নাচে জল-তরঙ্গে তটিনী রঙ্গে জলদ্ দাদ্রা বাজায়, (তার পায়) মম পরান নূপুর হতে চায়।।
রাগঃ বেহাগ–খাম্বাজ
তালঃ দাদ্রা

যাক্ না নিশি গানে গানে জাগরণে আজকে গানের বান এসেছে আমার মনে।। মন ছিল মোর পাতায় ছাওয়া হঠাৎ এলো দিখন্ হাওয়া পাতার কোলে কথার কুঁড়ি ফুট্লো অধীর হরষণে।। সেই কথারই মুকুলগুলি সুরের সুতোয় গেঁথে গেঁথে, কা’রে যেন চাই পরাতে কাহারে চাই কাছে পেতে। জানি না সে কোন্ বিজনে নিশীথ জেগে এ গান শোনে না-দেখা তার চোখের চাওয়ায় আবেশ জাগায় মোর নয়নে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা / কাহার্বা
শিল্পীঃ ফেরদৌস আরা

বউ কথা কও, বউ কথা কও, কও কথা অভিমানিনী সেধে সেধে কেঁদে কেঁদে যাবে কত যামিনী।। সে কাঁদন শুনি হের নামিল নভে বাদল এলো পাতার বাতায়নে যুঁই চামেলী কামিনী।। আমার প্রাণের ভাষা শিখে ডাকে পাখি পিউ কাঁহা খোঁজে তোমায় মেঘে মেঘে আঁখি মোর সৌদামিনী।।
রাগঃ ভৈরবী–পিলু
তালঃ কাহার্বা
