পায়েলা বোলে রিনিঝিনি

বাণী

পায়েলা বোলে রিনিঝিনি।
নাচে রূপ-মঞ্জরি শ্রীরাধার সঙ্গিনী।।
	ভাব-বিলাসে
	চাঁদের পাশে,
ছড়ায়ে তারার ফুল নাচে যেন নিশীথিনী।।
নাচে উড়ায়ে নীলাম্বরী অঞ্চল,
মৃদু মৃদু হাসে আনন্দ রাসে শ্যামল চঞ্চল।
কভু মৃদুমন্দ
কভু ঝরে দ্রুত তালে সুমধুর ছন্দ,
বিরহের বেদনা মিলন-আনন্দ —
ফোটায় তনুর ভঙ্গিমাতে ছন্দ-বিলাসিনী।।

চোখের নেশার ভালোবাসা

বাণী

চোখের নেশার ভালোবাসা সে কি কভু থাকে গো
জাগিয়া স্বপনের স্মৃতি স্মরণে কে রাখে গো।।
তোমরা ভোল গো যা’রে চিরতরে ভোল তা’রে
মেঘ গেলে আবছায়া থাকে কি আকাশে গো।।
পুতুল লইয়া খেলা খেলেছ বালিকা বেলা
খেলিছ পরাণ ল’য়ে তেমনি পুতুল খেলা।
ভাঙ্গিছ গড়িছ নিতি হৃদয়–দেবতাকে গো।
চোখের ভালোবাসা গ’লে
শেষ হ’য়ে যায় চোখের জলে
বুকের ছলনা সেকি নয়ন জলে ঢাকে গো।।

সুদূর মক্কা মদিনার পথে আমি রাহি মুসাফির

বাণী

সুদূর মক্কা মদিনার পথে আমি রাহি মুসাফির,
বিরাজে রওজা মোবারক যথা মোর প্রিয় নবীজীর।।
	বাতাসে যেখানে বাজে অবিরাম
	তওহিদ বাণী খোদার কালাম, 
জিয়ারতে যথা আসে ফেরেশ্‌তা শত আউলিয়া পীর।।
মা ফাতেমা আর হাসান হোসেন খেলেছেন পথে যার, 
কদমের ধূলি পড়েছে যথায় হাজারো আম্বিয়ার।
	সুরমা করিয়া কবে সেই ধূলি
	মাখিব নয়নে দুই হাতে তুলি',
কবে এ দুনিয়া হ’তে যাবার আগে রে কা'বাতে লুটাব শির।।

কানন গিরি সিন্ধু পার ফিরনু পথিক দেশ-বিদেশ

বাণী

কানন গিরি সিন্ধু–পার ফির্‌নু পথিক দেশ–বিদেশ।
ভ্রমিনু কতই রূপে এই সৃজন ভুবন অশেষ।।
তীর্থ–পথিক এই পথের ফিরিয়া এলো না কেউ,
আজ এ পথে যাত্রা যার, কা’ল নাহি তার চিহ্ন লেশ।।
রাত্রি দিবার রঙমহল চিত্রিত এ চন্দ্রতাপ
দু’দিনের এ পান্থবাস এই ভুবন – এ সুখ–আবেশ।।
ভোগ–বিলাসী ‘জমশেদের জল্‌সা ছিল এই সে দেশ,
আজ শ্মশান, ছিল যেথায় “বাহ্‌রামের” আরাম আয়েশ।।

ও শাপ্‌লা ফুল নেবো না

বাণী

মেয়েঃ	ও শাপ্‌লা ফুল নেবো না বাবলা ফুল এনে দে
		নইলে দেবো না বাঁশি ফিরিয়ে।
ছেলেঃ	খুলে বেণীর বিনুনী, খোঁপার চিরুনি
		হাতে দে, যাব খানিক জিরিয়ে।
মেয়েঃ	বন-পায়রার পালক দে কুড়িয়ে,
ছেলেঃ	তোর চোখের চাওয়া পায়রা দিল উড়িয়ে,
দুজনেঃ	মোদের ঝগড়া দেখে হালকা হাওয়া বহে ঝিরঝিরিয়ে।
ছেলেঃ	তোর জোড়া ভুরু-ধনুক মোর নাসিকা বাঁশি লো
মেয়েঃ	চাঁদের চেয়ে ভালো লাগে
		কালো রূপের হাসি রে তোর কালো রূপের হাসি
ছেলেঃ	ওই কালো চোখের হাসি।
মেয়েঃ	তুই যাদু করে মন দিলি দুলিয়ে
দুজনেঃ	মোদের কথা শুনে শিরিষ পাতা ওঠে শিরশিরিয়ে॥

সিনেমাঃ ‘অভিনয় নয়’

তোমার মহাবিশ্বে কিছু হারায় না তো কভু

বাণী

তোমার মহাবিশ্বে কিছু হারায় না তো কভু।
আমরা অবোধ, অন্ধ মায়ায় তাই তো কাঁদি প্রভু।।
তোমার মতই তোমার ভুবন
চির পূর্ণ, হে নারায়ণ!
দেখতে না পায় অন্ধ নয়ন তাই এ দুঃখ প্রভু।।
ঝরে যে ফল ধূলায় জানি, হয় না তাহা (কভু) হারা,
ঐ ঝরা ফলে নেয় যে জনম তরুণ তরুর চারা —
তারা হয় না কভু হারা।
হারালো (ও) মোর প্রিয় যারা,
তোমার কাছে আছে তারা;
আমার কাছে নাই তাহারা — হারায়নিক’ তবু।।