ঈদ মোবারক হো

বাণী

ঈদ মোবারক হো —
ঈদ মোবারক ঈদ মোবারক ঈদ, ঈদ মোবারক হো —
রাহেলিল্লাহ্‌কে আপনাকে বিলিয়ে দিল, কে হলো শহীদ।।
যে	কোরবানি আজ দিল খোদায় দৌলৎ ও হাশমত্‌,
যার	নিজের ব’লে রইলো শুধু আল্লা ও হজরত,
যে	রিক্ত হয়ে পেল আজি অমৃত-তৌহিদ।।
যে	খোদার রাহে ছেড়ে দিল পুত্র ও কন্যায়
যে	আমি নয়, আমিনা ব’লে মিশলো আমিনায়।
ওরে	তারি কোলে আসার লাগি’ নাই নবীজীর নিদ।।
যে	আপন পুত্র আল্লারে দেয় শহীদ হওয়ার তরে
	ক্বাবাতে সে যায় না রে ভাই নিজেই ক্বাবা গড়ে
সে	যেখানে যায় – জাগে সেথা ক্বাবার উম্মিদ।।

কোথায় তুই খুঁজিস ভগবান্

বাণী

কোথায় তুই খুঁজিস ভগবান্, সে যে রে তোরই মাঝে রয়,
			চেয়ে দেখ সে তোরই মাঝে রয়।
সাজিয়া যোগী ও দরবেশ খুঁজিস্ যায় পাহাড় জঙ্গলময়।।
আঁখি খোল্ ইচ্ছা-অন্ধের দল নিজেরে দেখ্ রে আয়নাতে,
দেখিবি তোরই এই দেহে নিরাকার তাঁহার পরিচয়।।
ভাবিস্ তুই ক্ষুদ্র কলেবর, ইহাতেই অসীম নীলাম্বর,
এ দেহের আধারে গোপন রহে সে বিশ্ব-চরাচর।
প্রাণে তোর প্রাণের ঠাকুর বেহেশ্‌তে স্বর্গে কোথাও নয়।।
এই তোর মন্দির-মসজিদ এই তোর কাশী-বৃন্দাবন,
আপনার পানে ফিরে চল কোথা তুই তীর্থে যাবি, মন!
এই তোর মক্কা-মদিনা, জগন্নাথ-ক্ষেত্র এই হৃদয়।।

বুনো ফুলের করুণ সুবাস

বাণী

বুনো ফুলের করুণ সুবাস ঝুরে।
নাম-না-জানা গানের পাখি, তোমার গানের সুরে।।
	জানাতে হায় এলে কোথা
	বনের ছায়ার মনের ব্যথা,
তরুর ছায়া ফেলে এলে মরুর বুকে উড়ে।।
এলে চাঁদের তৃষ্ণা নিয়ে কৃষ্ণা তিথির রাতে,
পাতার বাসা ফেলে এলে সজল নয়ন-পাতে।
	ওরে পাখি, তোর সাথে হায়
	উড়তে নারি দূর অলকায়,
বন্ধনে যে বাঁধা আমি মলিন মাটির পুরে।।

তুমি আনন্দ ঘনশ্যাম আমি প্রেম-পাগলিনী রাধা

বাণী

তুমি আনন্দ ঘনশ্যাম আমি প্রেম-পাগলিনী রাধা।
তব ডাক শুনে ছুটে যাই বনে আমি না মানি কুলের বাধা।।
	শূন্য প্রাণের গাগরি ঘিরে
	নিতি আসি রস-যমুনার তীরে
অঙ্গ ভাসায়ে তরঙ্গ-নীরে শুনি তব বাঁশি সাধা।।
যুগ-যুগান্ত অনন্ত কাল হৃদয়-বৃন্দাবনে
তোমাতে আমাতে এই লীলা, নাথ! চলেছে, সঙ্গোপনে।
	মোর সাথে কাঁদে প্রেম-বিগলিতা
	ভক্তি ও প্রীতি বিশাখা-ললিতা।
তোমারে যে চায়, মোর মতো, হায়! সার শুধু তার কাঁদা।।

বিদায় বেলায় করুণ সুরে গাইছ কেন গান

বাণী

বিদায় বেলায় করুণ সুরে গাইছ কেন গান।
সুরের সাথে হল আকুল পাষাণ পরান।।
	আজকে ব্যথায় উঠল ভ’রে
	মালার কুসুম পড়ল ঝ’রে,
পরান আমার কেমন করে নেবে তব দান।।
	বৃথায় ফুলে সাজাও মোরে
	ভাসাও যত নয়ন লোরে,
প্রাণের ঠাকুর ডাকেন মোরে কাঁদে মম প্রাণ।।

যেন দুধ-সাগরের ননী দিয়ে তৈরী

বাণী

যেন দুধ-সাগরের ননী দিয়ে তৈরী লো এর গা।
পৃথিবী কি শিউরে ওঠে, এ রাখে যখন পা।।

নাটক : ‘মধুমালা’