গুলশান কো চুম্‌ চুম্‌ কহ্‌তি বুলবুল

বাণী

গুলশান কো চুম্‌ চুম্‌ কহ্‌তি বুলবুল
রুখসারী সে বেদর্‌দী বোর্‌খা খুল খুল।।
হাঁসতি হায় বোস্তা মস্ত্‌ হো যা দোস্তা
শিরি শিরাজি সে হো যা বেহোঁশ জাঁ
সব কুছ আজ রঙ্গীন হ্যায় সব কুছ মশগুল
হাঁসতি হায় গুল হো কর দোজখ্‌ বিল্‌কুল্‌।
হারে আশক মাশুক কি চমনোঁ মে ফুলতা নেই
দোবারা ফুল, ফুল ফুল ফুল।।

ঐ কাজল-কালো চোখ

বাণী

			ঐ কাজল-কালো চোখ।
আদি কবির আদি রসের যেন দু’টি শ্লোক।।
	দু’টি কুসুম আছে ফু’টে
	পুষ্প-লতার পত্র-পুটে,
সেই আলোকে১ রেঙে উঠে — বনের গহন লোক।।
রূপের সাগর সাঁত্‌রে বেড়ায় পান কৌড়ি পাখি
			ঐ কাজল-কালো আঁখি,
মদির আঁখির নীল পেয়ালায় শরাব বিলাও নাকি,
			ওগো কাজল-কালো আঁখি।
	তোমার দু’টি আঁখি-তারা
	তারার মত তন্দ্রাহারা,
আমার মুখে চেয়ে চেয়ে অশ্রু-সজল হোক।।

১. হাসিতে

আমি পথ-মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে

বাণী

আমি পথ-মঞ্জরী ফুটেছি আঁধার রাতে। 
গোপন অশ্রু-সম রাতের নয়ন-পাতে।। 
দেবতা চাহে না মোরে 
গাঁথে না মালার ডোরে, 
অভিমানে তাই ভোরে শুকাই শিশির-সাথে।। 
মধুর সুরভি ছিল আমার পরাণ ভরা, 
আমার কামনা ছিল মালা হয়ে ঝ’রে পড়া। 
ভালোবাসা পেয়ে যদি 
আমি কাঁদিতাম নিরবধি, 
সে-বেদনা ছিল ভালো, সুখ ছিল সে-কাঁদাতে।। 

হে পাষাণ দেবতা

বাণী

হে পাষাণ দেবতা!
মন্দির দুয়ার খোল কও কথা।।
দুয়ারে দাঁড়ায়ে শ্রান্তি-হীন দীর্ঘ দিন,
অঞ্চলের পূষ্পাঞ্জলি শুকায়ে যায় উষ্ণ বায়;
আঁখি দীপ নিভিছে হায়, কাঁপিছে তনুলতা।
শুভ্রবাসে পূজারিণী, দিন শেষে —
গোধুলির গেরুয়া রঙ হের প্রিয় লাগে এসে;
খোল দ্বার শরণ দাও, সহে না আর নীরবতা।।

নাইয়া ধীরে চালাও তরণী

বাণী

	নাইয়া! ধীরে চালাও তরণী
	একে ভরা ভাদর তায় বালা মাতোয়ালা মেঘলা রজনী।।
	হায় পারে নেওয়ার ছলে নিলে মাঝ নদীতে
	যৌবন-নদী টলমল নারি রোধিতে
ঐ	ব্যাকুল বাতাস হরি’ নিল লাজ বাস
তায়	চঞ্চল-চিত যে তুমি চাহ বধিতে
	পায়ে ধরি ছাড়, বঁধু আমি পরের ঘরের ঘরণী।।
	তরঙ্গ ঘোর রঙ্গ করে, অঙ্গে লাগে দোল্
	একি এ নেশার ঘোরে তনু মন আঁখি লোল্।
	দুলিছে নদী দুলে বায়ু দুলিছে তরী
	কেমনে থির রাখি মোর চিত উতরোল ।
	ওঠে ডিঙি পান্‌সি ভরি’ বারি কি করি কিশোরী রমণী।।

আমার হাতে কালি মুখে কালি

বাণী

আমার হাতে কালি মুখে কালি, মা 
আমার কালিমাখা মুখ দেখে মা 
পাড়ার লোকে হাসে খালি।। 
মোর লেখাপড়া হ’ল না মা, 
আমি ‘ম’ দেখিতেই দেখি শ্যামা, 
আমি ‘ক’ দেখতেই কালী ব’লে 
নাচি দিয়ে করতালি।। 
কালো আঁক দেখে মা ধারাপাতের 
ধারা নামে আঁখি পাতে, 
আমার বর্ণ পরিচয় হ’লো না মা 
তোর বর্ণ বিনা কালী। 
যা লিখিস মা বনের পাতায় 
সাগর জলে আকাশ খাতায়, 
আমি সে লেখা তো পড়তে পারি 
মূর্খ বলে দিক্‌ না গালি মা, 
লোকে মূর্খ ব’লে দিক্‌ না গালি।।