আমার দেওয়া ব্যথা ভোলো

বাণী

আমার দেওয়া ব্যথা ভোলো।
আজ যে যাবার সময় হলো।।
নিব্‌বে যখন আমার বাতি 
আসবে তোমার নূতন সাথি, 
আমার কথা তা'রে বলো।।
ব্যথা দেওয়ার কী যে ব্যথা 
জানি আমি, জানে দেবতা।
জানিলে না কী অভিমান 
করেছে হায় আমায় পাষাণ, 
দাও যেতে দাও, দুয়ার খোলো।।

কি মজার কড়াই ভাজা

বাণী

কি মজার কড়াই ভাজা কুড়ুর মুড়ুর খাই রে,
		যদি পয়সা একটি পাই রে।
মোদের জামাও আছে পকেটও আছে
		পয়সা কিন্তু নাই রে।।
	দাদা, পয়সা যদি পাই
	চল পেয়ারা তলায় যাই,
আমি আনি নুন লঙ্কা, তুমি লুকিয়ে চল বাইরে।।

রেকর্ড-নাটিকাঃ ‌‘খুকি ও কাঠবেরালি’

কিশোর রাখাল বেশে মেষ চারণে যায় নবী

বাণী

কিশোর রাখাল বেশে মেষ চারণে যায় নবী
নীল রেশমি রুমাল বেঁধে তার চারু-চাঁচর কেশে।
তাঁর রাঙা পদতলে পুলকে ধরা টলে
তাঁর রূপ -লাবনির ঢলে মরুভূমি গেল ভেসে।।
তাঁর মুখে রহে চাহি মেষ-শিশু তৃণ ভুলি‌'
বিশ্বের শাহানশাহ আজ মাখে গোঠের ধূলি,
তাঁর চরণ-নখরে কোটি চাঁদ কেঁদে মরে
তাঁর ছায়া ক'রে চলে আকাশে মেঘ এসে।।
কিশোর নবী গোঠে চলে
তাঁর চরণ-ছোঁয়ায় পথের পাথর মোম হয়ে যায় গ'লে
তসলিম জানায় পাহাড় চরণে ঝুকে তাঁহার।
নারাঙ্গি,আঙুর,খরজুর,পায়ে নজরানা দেয় হেসে।।

হাসি মুখে বাসিফুল ফেলে দাও ভোরে

বাণী

হাসি মুখে বাসিফুল ফেলে দাও ভোরে।
মোর মন নিয়ে ফেলে দিলে তেমনি ক’রে।।
কেন ডেকেছিলে তব উৎসব সভাতে
অবহেলা ভরে যদি ফেলে দিবে প্রভাতে,
অকারণ অকরুণ বাণ হানিতে কেন —
	বনের পাখিরে এনেছিলে পিঞ্জরে।।
গান গেয়ে চলেছিনু আপনার পথে,
কেন তব হৃদয়ে ঠাঁই দিলে আমারে এনে পথ হতে।
পুতুল খেলার মত মোরে ল’য়ে খেলিলে
বক্ষে রাখিয়া শেষে পায়ে দ’লে ফেলিলে,
দেবতার পূজা শেষে বিগ্রহ ল’য়ে —
	ডুবাইলে নদী-জলে নিষ্ঠুর ক’রে।।

রাঙামাটির পথে লো

বাণী

	রাঙামাটির পথে লো মাদল বাজে, বাজে বাঁশের বাঁশি,
	বাঁশি বাজে বুকের মাঝে লো, মন লাগে না কাজে লো,
	রইতে নারি ঘরে ওলো প্রাণ হলো উদাসী লো।।
	মাদলীয়ার তালে তালে অঙ্গ ওঠে দুলে লো,
	দোল লাগে শাল পিয়াল বনে, নোটন খোঁপার ফুলে লো,
	মহুয়া বনে লুটিয়ে পরে মাতাল চাঁদের হাসি লো।।
	চোখে ভালো লাগে যাকে, তারে দেখবো পথের বাঁকে,
তার 	চাঁচড় কেশে বেঁধে দেবো ঝুমকো জবার ফুল
তার 	গলার মালার কুসুম কেড়ে করব কানের দুল।
তার 	নাচের তালের ইশারাতে বলবো ভালোবাসি লো।।

ওগো প্রিয় তব গান আকাশ-গাঙের জোয়ারে

বাণী

ওগো	প্রিয়, তব গান! আকাশ-গাঙের জোয়ারে
		উজান বহিয়া যায়
	মোর কথাগুলি কাঁদিছে বুকের দুয়ারে
		পথ খুঁজে নাহি পায়।।
ওগো	দখিনা বাতাস, ফুলের সুরভি বহ
		ওরি সাথে মোর না-বলা বাণী লহ
ওগো	মেঘ, তুমি মোর হয়ে গিয়ে কহ
	বন্দিনী গিরি ঝরনা পাষাণ-তলে
		যে কথা কহিতে চায়।।
	ওরে ও সুরমা, পদ্মা, কর্ণফুলি তোদের ভাটির স্রোতে
	নিয়ে যা আমার না-বলা কথাগুলি ধুয়ে মোর বুক হ'তে
ওরে	'চোখ গেল' বউ কথা কও' পাখি
	তোদের কণ্ঠে মোর সুর, যাই রাখি' কি?
(ওরে)	মাঠের মুরলী কহিও তাহারে ডাকি,
	আমার গানের কলি না-ফোটা বুলি ঝ'রে গেল নিরাশায়।।