বাণী
মেরো না আমারে আর নয়ন-বাণে। কী জ্বালা ব্যাধের বাণে বনের হরিণই জানে।। একে এ পরান দহে মদির ও-আঁখির মোহে চাহনির যাদু মাখা তায়। জ্বলিছে আলেয়া-শিখা নয়ন-জলের মরীচিকা পিয়াসি পথিক ছোটে হায় — তাহারি টানে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
মেরো না আমারে আর নয়ন-বাণে। কী জ্বালা ব্যাধের বাণে বনের হরিণই জানে।। একে এ পরান দহে মদির ও-আঁখির মোহে চাহনির যাদু মাখা তায়। জ্বলিছে আলেয়া-শিখা নয়ন-জলের মরীচিকা পিয়াসি পথিক ছোটে হায় — তাহারি টানে।।
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
আজ উদার আকাশে ছুটির শঙ্খ-ঘণ্টা বাজায় কে। প্রবাসীর মন উচাটন, শোনে — ‘দীপ জ্বাল্, উলু দে’।। আর মন লাগে নাকো কাজে, শ্রবণের কাছে চুড়ি-কঙ্কণ বাজে। এলোমেলো বায়ে এলো, কবরীর সৌরভ এলো যে।। কোথা আনন্দ-নন্দিনী কার চন্দন বুঝি ঘষে; মন মেতে ওঠে মৌমাছি-সম, নন্দন-মধু রসে। তৃতীয়া চাঁদের রসকলি পরি’ বৈষ্ণবী সেজে এলো বিভাবরী; বাউল-হৃদয়! চল্ রে বাহিরে, হাতে একতারা নে।।
রাগঃ
তালঃ
টলমল টলে হৃদয়-সরসী। নীর ভরণে এলে কে ষোড়শী।। এলে কি নাহিতে, পরশ চাহিতে এলে কি অলস তরণী বাহিতে, এলে কি ভুলিতে কমল তুলিতে — আমার স্বপন-মানসী।।
রাগঃ দুর্গা (খাম্বাজ ঠাট)
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালী
কেন গো যোগিনী! বিধুর অভিমানে। যৌবনে মগন গভীর ধ্যানে।। হের গো কুসুম ঝরিয়া পায়ে, চাহিয়া রহে ধরণীর পানে।।
রাগঃ যোগিয়া
তালঃ দীপচন্দী

আমার হৃদয় হবে রাঙাজবা দেহ বিল্বদল, মুক্তি পাবো ছুঁয়ে মুক্তকেশীর চরণতল॥ মোর বলির পশু হবে সর্বকাম, মোর পূজার মন্ত্র হবে মায়ের নাম, মোর অশ্রু দেবো মা’র চরণে সেই তো গঙ্গাজল॥ মোর আনন্দ মাকে দেবো তাই হবে চন্দন, মোর পুষ্পাঞ্জলি হবে আমার প্রাণ মন। মোর জীবন হবে আরতি-দীপ, মোর গুরু হবেন শঙ্কর-শিব, মোর কাঁটার জ্বালা পদ্ম হবে শুভ্র সুনির্মল॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আমি চিরতরে দূরে চলে যাব তবু আমারে দেব না ভুলিতে আমিবাতাস হইয়া জড়াইব কেশ বেণী যাবে যবে খুলিতে।। তোমার সুরের নেশায় যখন ঝিমাবে আকাশ কাঁদিবে পবন রোদন হইয়া আসিব তখন তোমার বক্ষে দুলিতে।। আসিবে তোমার পরমোৎসব — কত প্রিয়জন কে জানে, মনে প’ড়ে যাবে কোন্ সে ভিখারি পায়নি ভিক্ষা এখানে। তোমার কুঞ্জ-পথে যেতে হায় চমকি’ থামিয়া যাবে বেদনায় দেখিবে কে যেন ম’রে মিশে আছে তোমার পথের ধূলিতে।।
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ দাদ্রা
শিল্পীঃ অনুপ ভট্টাচার্য্য
