বাণী
আয় সবে ভাই বোন আয় সবে আয় শোন্ পদধূলি শিরে লয়ে মা’র। মা’র বড় কেহ নাই কেহ নাই, কেহ নাই, নত করি’ বল সবে — ‘মা আমার! মা আমার!’
রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘মাতৃস্তোত্র’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
স্বরলিপি

আয় সবে ভাই বোন আয় সবে আয় শোন্ পদধূলি শিরে লয়ে মা’র। মা’র বড় কেহ নাই কেহ নাই, কেহ নাই, নত করি’ বল সবে — ‘মা আমার! মা আমার!’
রেকর্ড-নাটিকাঃ ‘মাতৃস্তোত্র’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

লায়লী! লায়লী! ভাঙিয়ো না ধ্যান মজনুর এ মিনতি। লায়লী কোথায়? আমি শুধু দেখি লা এলা'র জ্যোতি।। পাথর খুঁজিয়া ফিরিয়াছি প্রিয়া প্রেম-দরিয়ার কূলে, খোদার প্রেমের পরশ-মানিক পেলাম কখন ভুলে। সে মানিক যদি দেখ একবার মজনুরে তুমি চাহিবে না আর জুলেখা-ইয়ুসুফ লাজ মানে হেরি' তাহার খুব -সুরতি।। মজনুরে ও যে লায়লী ভোলায় সে যে কত সুন্দর বুঝিবে লায়লী যদি তুমি তারে নেহার এক নজর। সাধ মিটিবে না হেথা ভালোবেসে, চল চল প্রিয়া লা এলা'র দেশে নিত্য মিলনে ভুলিব আমরা এই বিরহের ক্ষতি।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আসিলে কে গো অতিথি উড়ায়ে নিশান সোনালি! ও চরণ ছুঁই কেমনে দুই হাতে মোর মাখা যে কালি।। দখিনের হালকা হাওয়ায় আসলে ভেসে সুদূর বরাতী! শবে’রাত আজ উজালা গো আঙিনায় জ্বলল দীপালি।। তালি-বন ঝুমকি বাজায় গা ‘মোবারক-বাদ’ কোয়েলা। উলসি’ উপচে প’ল পলাশ-অশোক-ডালের ঐ ডালি।। প্রাচীন ঐ বটের ঝুরির দোলনাতে হায় দুলিছে শিশু। ভাঙা ঐ দেউল-চূড়ে উঠ্ল বুঝি নৌ-চাঁদের ফালি।। এলো কি অলখ্-আকাশ বেয়ে তরুণ হারুণ-আল্-রশীদ। এলো কি আল্-বেরুণী, হাফিজ, খৈয়াম, কায়েস, গাজ্জালী।। সানাইয়াঁ ভয়রোঁ বাজায়, নিঁদমহলায় জাগ্ল শাহজাদী। কারুনের রূপার পুরে নূপুর-পায়ে আস্ল রূপ-ওয়ালী।। খুশির এ বুলবুলিস্তানে মিলেছে ফরহাদ ও শিঁরি। লাল এ লায়লি-লোকে মজনুঁ হর্দম চালায় পেয়ালী।। বাসিফুল কুড়িয়ে মালা না-ই গাঁথিলি রে ফুল-মালি। নবীনের আসার পথে উজাড় করে দে ফুল-ডালি।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
সুন্দর বেশে মৃত্যু আমার আসিলে কি এত দিনে। বাজালে দুপুরে বিদায়-পূরবী আমার জীবন-বীণে।। ভয় নাই রানী, রেখে গেনু শুধু চোখের জলের লেখা, রাতের এ লেখা শুকাবে প্রভাতে, চ’লে যাব আমি একা। * * * দিনের আলোকে ভুলিও তোমার রাতের দুঃস্বপন। ঊর্ধ্বে তোমার প্রহরী দেবতা, মধ্যে দাঁড়ায়ে তুমি ব্যথাহতা, পায়ের তলার দৈত্যের কথা ভুলিতে কতক্ষণ?
রাগঃ
তালঃ
যত ফুল তত ভুল কণ্টক জাগে মাটির পৃথিবী তাই এত ভালো লাগে।। হেথা চাঁদে আছে কলঙ্ক, সাধে অবসাদ হেথা প্রেমে আছে গুরুগঞ্জনা অপবাদ; আছে মান-অভিমান পিরিতি-সোহাগে।। হেথা হারাই হারাই ভয়, প্রিয়তমে তাই ব’ক্ষে জড়ায়ে কাঁদি ছাড়িতে না চাই। স্বর্গের প্রেমে নাই বিরহ-অনল সুন্দর আঁখি আছে, নাই আখি-জল; রাধার অশ্রু নাই কুমকুম-ফাগে।।
নাটকঃ অন্নপূর্ণা (নাট্যকারঃ মণিলাল বন্দোপাধ্যায়)
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ ফিরোজা বেগম

সখি দখিনা মলয় ঝিরি ঝিরি বয় কানে কথা কয় ধীরে ধীরে ধীরে। চোখের মতন কেন ঘোরে অকারণ আমার ফুলবন ঘিরে।। সখি! ব’লে দিস্ মলয়ারে, যেন সে আসে না চাঁদের প্রিয়া আমি চৈতালি হেনা, করুণা যাচে কেন মোর কাছে ফিরে ফিরে।।
নাটক : ‘সর্বহারা’
রাগঃ
তালঃ