আজ বাদে কাল আসবে কি না

বাণী

আজ বাদে কাল আসবে কি না
		কে জানে ভাই কে জানে।
ভোল রে ব্যথা বেদন-আতুর,
		লাল শারাব-ভরপুর-প্রাণে।।
ঝরছে শারাব জোছনা-উজল,
		হাসতেছে চাঁদ ঝলমল,
কালকে এ চাঁদ খুঁজবে বৃথাই,
		হারিয়ে যাব কোন্‌খানে।।
প্রেমিক যত আমার মতো
		মদের রঙে হোক রঙিন,
হোক দীওয়ানা মস্‌ত্‌ নেশায়
		নিমেষ-সুখের সন্ধানে।।
এম্‌নি চোখে হেরি ধরায়
		দুঃখ ব্যথার অন্ত নাই,
কালের কথা আজ ভুলে যাই
		দুখ্-ভুলানো মদ পানে।।

তুমি সুন্দর কপট হে নাথ

বাণী

তুমি সুন্দর কপট হে নাথ! মায়াতে রাখ বিভোর।
তোমার ছলনা যে বোঝে না নাথ সেই সে দুঃখী ঘোর।।
	কত শত রূপে নিঠুর আঘাতে
	তুমি চাও নাথ তোমারে ভোলাতে
তবু যে তোমারে ভুলিতে পারে না ধরা দাও তারে চোর।।
কাঁদাও তাহারে নিশিদিন তুমি যপে যে তোমার নাম
তোমারে যে চাহে শত বন্ধনে বাঁধ তারে অবিরাম।
	সাগরে মিশাতে চায় বলে নদী
	জনম গোঁয়ায় কেঁদে নিরবধি
ভক্তে তেমনি দিয়াছ যে নাথ অসীম আঁখি - লোর।।

ও সে বাঁশরি বাজায়

বাণী

ও সে		বাঁশরি বাজায় হেলে দুলে যায়
		গোঠে শ্যামরায় নওল কিশোর।
		জোছনা পিয়াসে চাঁদ মুখ পাশে।
		ঘোরে গোপিনীর নয়ন-চকোর।।
		নীল উৎপল ভ্রমে মধুকর
		উড়ে চলে সাথে, ছাড়ি’ সরোবর,
		অঙ্গে গোপী-চন্দন বাস
		লুটিয়া পলায় সমীর-চোর।।
		চরণ-কমলে ভ্রমরের প্রায় —
		সোনার নূপুর গুঞ্জরিয়া যায়।
		শ্যামেরে নবীন নীরদ ভাবিয়া
		নাচিছে ময়ূর কলাপ মেলিয়া,
		ঢেউ তুলে যেন চলে রূপের সায়র।।

চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা

বাণী

কোরাস্	:	চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা শত কোটি লোক।
			চীন ভারতের জয় হোক! ঐক্যের জয় হোক! সাম্যের জয় হোক।
			ধরার অর্ধ নরনারী মোরা রহি এই দুই দেশে,
			কেন আমাদের এত দুর্ভোগ নিত্য দৈন্য ক্লেশে।
পুরুষ কন্ঠ	:	সহিব না আজ এই অবিচার —
কোরাস্	:	খুলিয়াছে আজি চোখ॥
			প্রাচীন চীনের প্রাচীর মহাভারতের হিমালয়
			আজি এই কথা যেন কয় —
			মোরা সভ্যতা শিখায়েছি পৃথিবীরে-ইহা কি সত্য নয় ?
			হইব সর্বজয়ী আমরাই সর্বহারার দল,
			সুন্দর হবে শান্তি লভিবে নিপীড়িতা ধরাতল।
পুরুষ কন্ঠ	:	আমরা আনিব অভেদ ধর্ম —
কোরাস্	:	নব বেদ-গাঁথা-শ্লোক॥

আর কত দুখ্ দেবে বল মাধব বল

বাণী

আর কত দুখ্ দেবে, বল মাধব বল বল মাধব বল।
দুখ্ দিয়ে যদি সুখ পাও তুমি কেন আঁখি ছলছল॥
	তব শ্রীচরণ তলে আমি চাহি ঠাঁই,
	তুমি কেন ঠেল বাহিরে সদাই;
আমি কি এতই ভার এ জগতে যে, পাষাণ তুমিও টল॥
ক্ষুদ্র মানুষ অপরাধ ভোলে তুমি নাকি ভগবান,
তোমার চেয়ে কি পাপ বেশি হ’ল (মোরে) দিলে না চরণে স্থান।
	হে নারায়ণ! আমি নারায়ণী সেনা,
	মোরে কুরুকুল দিতে ব্যথা কি বাজে না,
(যদি) চার হাতে মেরে সাধ নাহি মেটে দু’চরণ দিয়ে দ’ল॥

ভাল লাগার স্মৃতি ভোলা নাহি যায়

বাণী

	ভাল লাগার স্মৃতি ভোলা নাহি যায়।
তাই	বারে বারে আসি ফিরে তব আঙিনায়।।
	আজো ওঠে বাঁকা চাঁদ নীল গগনে
	আজো ফোটে রাঙা ফুল মম কাননে,
	‘পিয়া পিয়া’ গাহে পাখি পিয়াল শাখায়।।
	যে আলো বাজালে বেণু রঙীন ঊষায়,
	তাহারি পুলকে আজি পরান মাতায়।
	মরুর কামনা আজো দীপ-শিখা সম
	পরানে লাগে জাগিয়া আছে ওগো প্রিয়তম,
	অনুরাগে লাগে দোল, দোল দেহ-যমুনায়।।