বাণী
পিউ পিউ বোলে পাপিয়া ফাল্গুন উন্মন বন ব্যাপিয়া।। বিরহিনী মন বিহগী — ওরি সাথে কাঁদে,একা ঘরে নিশি জাগিয়া।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বাহার
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

পিউ পিউ বোলে পাপিয়া ফাল্গুন উন্মন বন ব্যাপিয়া।। বিরহিনী মন বিহগী — ওরি সাথে কাঁদে,একা ঘরে নিশি জাগিয়া।।
রাগঃ বাহার
তালঃ ত্রিতাল

ফুলে পুছিনু, বল, বল ওরে ফুল! কোথা পেলি এ সুরভি, রূপ এ অতুল? 'যার রূপে উজালা দুনিয়া, কহে গুল, দিল সেই মোরে এই রূপ এই খোশবু। আল্লাহু আল্লাহু।। 'ওরে কোকিল, কে তোরে দিল এ সুর, কোথা পেলি পাপিয়া এ কন্ঠ মধুর? কহে কোকিল পাপিয়া, আল্লাহ গফুর, তাঁরি নাম গাহি 'পিউ পিউ' কুহু কুহু — আল্লাহু আল্লাহু।। 'ওরে রবি-শশী, ওরে গ্রহ-তারা কোথা পেলি এ রওশনী জ্যোতি ধারা?' কহে, আমরা তাহারি রূপের ইশারা মুসা, বেহুঁশ হলো হেরি' যে খুবরু আল্লাহু আল্লাহু।। যারে আউলিয়া আম্বিয়া ধ্যানে না পায় কূল-মখলুক যাঁহার মহিমা গায়, যে নাম নিয়ে এসেছি এইদুনিয়ায়, নাম নিতে নিতে মরি এই আরজু আল্লাহু আল্লাহু।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

সেদিন নিশীথে মোর কানে কানে যে কথাটি গেছ বলে প্রথম মুকুল হয়ে সেই বাণী মালতী লতায় দোলে।। সে-কথাটি আবার শুনিবে বলিয়া আড়ি পাতে চাঁদ মেঘে লুকাইয়া চাহে চুপি চুপি পিয়াসি পাপিয়া ঘন পল্লব তলে।। বসে আছি সেই মালতী বিতানে আজ তুমি নাই কাছে — ম্লান মুখে পথ চাহে ফুলগুলি আঁধার বকুল গাছে। দখিনা বাতাস করে হায় হায় ঝরিছে কুসুম শুকনো পাতায় নিবু নিবু হল তোমার আশায় চাঁদের প্রদীপ জ্বলে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

(মা) ওমা তোর ভুবনে জ্বলে এত আলো আমি কেন অন্ধ মাগো দেখি শুধু কালো॥ মা সর্বলোকে শক্তি ফিরিস নাচি ওমা আমি কেন পঙ্গু হয়ে আছি ওমা ছেলে কেন মন্দ হল জননী যার ভালো॥ তুই নিত্য মহা প্রসাদ বিলাস কৃপার দুয়ার খুলি চির শুন্য রইল কেন আমার ভিক্ষা ঝুলি। বিন্দু বারি পেলাম না মা সিন্ধুজলে রয়ে মা ও তোর চোখের কাছে পড়ে আছি চোখের বালি হয়ে মোর জীবন্মৃত এই দেহে মা চিতার আগুন জ্বালো॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

কেন আসিলে ভালোবাসিলে দিলে না ধরা জীবনে যদি। বিশাল চোখে মিশায়ে মরু চাহিলে কেন গো বে–দরদী।। ছিনু অচেতন আপনা নিয়ে কেন জাগালে আঘাত দিয়ে তব আঁখিজল সে কি শুধু ছল একি মরু হায় নহে জলধি।। ওগো কত জনমের কত সে কাঁদন করে হাহাকার বুকেরি তলায় ওগো কত নিরাশায় কত অভিমান ফেনায়ে ওঠে গভীর ব্যথায়। মিলন হবে কোথায় সে কবে কাঁদিছে সাগর স্মরিয়া নদী।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ সাবিহা মাহবুব

অয়ি চঞ্চল-লীলায়িত-দেহা চির-চেনা ফোটাও মনের বনে তুমি বকুল হেনা।। যৌবন-মদ গর্বিতা তন্বী আননে জ্যোৎস্না, নয়নে বহ্নি, তব চরণের পরশ বিনা অশোক তরু মুঞ্জরে না।। নন্দন-নন্দিনী তুমি দয়িতা চির-আনন্দিতা, প্রথম কবির প্রথম লেখা তুমি কবিতা। নৃত্য শেষের তব নুপুরগুলি হায় রয়েছে ছড়ানো আকাশের তারকায় সুর-লোক-উর্বশী হে বসন্ত-সেনা ! চির-চেনা।।
রাগঃ সাহানা-বাহার
তালঃ কাহার্বা
১.

২.
