কার বাঁশরি বাজিল মেঠো সুরে

বাণী

কার বাঁশরি বাজিল মেঠো সুরে মন উদাস করা দুপুরে (গো)।
সখি কে কাহারে চায়
আজো সুরে সুরে ঝুরে ঝুরে কাহারে ধেয়ায়
মোর মন যেতে চায় বাঁশুরিয়ার সুরের দেশে উড়ে (গো)।।
হেরি যেতে নদী পথে
সে ভাঁট ফুলেরি মালা গেঁথে ভাসায় ভাটির স্রোতে (গো)
আমার সাধ জাগে ঐ মালা যাহার দেখি সেই বঁধু রে (গো)।।

কপোত কপোতী উড়িয়া বেড়াই

বাণী

উভয়ে : 	কপোত কপোতী উড়িয়া বেড়াই সুদূর বিমানে আমরা দু’জনে।
		কানন-কান্তর শিহরি’ ওঠে মোদের প্রণয়-মদির কূজনে।।
স্ত্রী 	:	ভ্রমর গুঞ্জে মঞ্জুল গীতি, হেরিয়া আমার বঁধূর প্রীতি,
পুরুষ :	আমার প্রিয়ার নয়নে চাহি’ কুসুম ফুটে ওঠে বিপিনে বিজনে।।
স্ত্রী 	:	তোমা ছাড়া স্বর্গ চাহি না, প্রিয়!
		মোদের প্রেমে চাঁদ আসে নেমে মাটির পাত্রে পান করি অমিয়।।
পুরুষ :	বিশ্ব ভুলায়ে ও-রাঙা পায়ে আমারে বেঁধেছে জীবনে মরণে।।

জগৎ জুড়ে জাল ফেলেছিস্ মা

বাণী

জগৎ জুড়ে জাল ফেলেছিস্ মা, শ্যামা কি তুই জেলের মেয়ে।
(তোর) মায়ার জালে মহামায়া, বিশ্বভুবন আছে ছেয়ে॥
	প’ড়ে মা তোর মায়ার ফাঁদে 
	কোটি নরনারী কাঁদে;
তোর মায়াজাল ততই বাঁধে পালাতে চায় যত ধেয়ে॥
চতুর যে-মীন সে জানে মা জাল থেকে যে মুক্তি আছে;
(তাই)	জেলে যখন জাল ফেলে মা সে লুকায় জেলের পায়ের কাছে।
	জাল এড়িয়ে তাই সে বাঁচে।
	তাই মা আমি নিলাম শরণ
	তোর ও দুটি রাঙা চরণ,
এড়িয়ে গেলাম মায়ার বাঁধন মা তোর অভয়-চরণ পেয়ে॥

ও কে সোনার চাঁদ কাঁদে রে

বাণী

ও কে সোনার চাঁদ কাঁদে রে হেরা গিরির ’পরে।
শিরে তাঁহার লক্ষ কোটি চাঁদের আলো ঝরে।।
কী অপরূপ জ্যোতির ধারা নীল আসমান হ’তে
			নামে বিপুল স্রোতে,
হেরা পাহাড় বেয়ে বহে সাহারা মরু পথে,
সেই জ্যোতিতে দুনিয়া আজি ঝলমল করে।।
আগুন বরণ ফেরেশ্‌তা এক এসে,
‘খোদার হাবিব, জাগো জাগো’, বলে হেসে হেসে।
নবুয়তের মোহর দিল বাজুতে তাঁর বেঁধে
তাজিম ক’রে কদমবুসি করে কেঁদে কেঁদে,
সেই নবীরই নামে আজি দুনিয়া দরুদ পড়ে।।

পাষাণের ভাঙালে ঘুম

বাণী

	পাষাণের ভাঙালে ঘুম			কে তুমি সোনার ছোঁয়ায়,
	গলিয়া সুরের তুষার			গীতি –নির্ঝর ব’য়ে যায়।।
	উদাসী বিবাগী মন			যাচে আজ বাহুর বাঁধন,
	কত জনমের কাঁদন			ও –পায়ে লুটাতে চায়।।
ওগো	তোমার চরণ ছন্দে মোর		মুঞ্জরিল গানের মুকুল
	তোমার বেণীর বন্ধে গো		মরিতে চায় সুরের বকুল
	চম্‌কে ওঠে মোর গগন		ঐ হরিণ–চোখের চাওয়ায়।।

হোক প্রবুদ্ধ সঙ্ঘবন্ধ মোদের মহাভারত

বাণী

হোক প্রবুদ্ধ সঙ্ঘবন্ধ মোদের মহাভারত হোক সার্থক নাম।
হোক এই জাতি ধর্মে এক, কর্মে এক, মর্মে এক — 
এক লক্ষ্যে মধুর সখ্যে,
পূর্ণ হউক পূর্ণ হউক আর্যাবর্তধাম।।

নাটিকাঃ ‘সুরথ উদ্ধার’