বাণী
ফণির ফণায় জ্বলে মণি কে নিবি তাহারে আয়। মণি নিতে ডরে না কে ফণির বিষ জ্বালায়।। করেছে মেঘ উজালা বজ্র মানিক মালা, সে-মালা নেবে কি কালা মরিয়া অশনি যায়।।
নাটক : ‘মহুয়া’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ফণির ফণায় জ্বলে মণি কে নিবি তাহারে আয়। মণি নিতে ডরে না কে ফণির বিষ জ্বালায়।। করেছে মেঘ উজালা বজ্র মানিক মালা, সে-মালা নেবে কি কালা মরিয়া অশনি যায়।।
নাটক : ‘মহুয়া’
রাগঃ
তালঃ
প্রণমামী শ্রীদুর্গে নারায়ণী গৌরী শিবে সিদ্ধি বিধায়িনী মহামায়া অম্বিকা আদ্যাশক্তি ধর্ম-অর্থ-কাম মোক্ষ-প্রদায়িনী।। শুম্ভ নিশুম্ভ বিমর্দিনী চন্ডী নমো নমঃ দশপ্রহরণ ধারিণী দেবী সৃষ্টি-স্থিতি-প্রলয়-বিধাত্রী জয় মহিষাসুর সংহারিণী। জয় দুর্গে, জয় দুর্গে।। যুগে যুগে দনুজ দলনী মহাশক্তি যোগনিদ্রা মধুকৈটভ নাশিনী বেদ-উদ্ধারিণী মণি-দীপ বাসিনী শ্রীরাম অবতারে বরাভয় দায়িনী। জয় দুর্গে, জয় দুর্গে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমার গহীন জলের নদী আমি তোমার জলে ভেসে রইলাম জনম অবধি।। ও ভাই তোমার বানে ভেসে গেল আমার বাঁধা ঘর আমি চরে এসে বস্লাম রে ভাই ভাসালে সে চর। এখন সব হারিয়ে তোমার জলে রে আমি ভাসি নিরবধি।। ঘর ভাঙিলে ঘর পাব ভাই ভাঙ্লে কেন মন ও ভাই হারালে আর পাওয়া না যায় মনেরি রতন। ও ভাই জোয়ারে মন ফেরে না আর রে ও সে ভাটিতে হারায় যদি।। তুমি যখন ভাঙ রে নদী (ভাঙ যখন কূল রে নদী) ভাঙ একই ধার আর মন যখন ভাঙ রে নদী দুই কূল ভাঙ তার ও ভাই চর পড়ে না মনের কূলে রে ও সে একবার সে ভাঙে যদি, ও ভাই একবার সে ভাঙে যদি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

কোরাস্ : চীন ও ভারতে মিলেছি আবার মোরা শত কোটি লোক। চীন ভারতের জয় হোক! ঐক্যের জয় হোক! সাম্যের জয় হোক। ধরার অর্ধ নরনারী মোরা রহি এই দুই দেশে, কেন আমাদের এত দুর্ভোগ নিত্য দৈন্য ক্লেশে। পুরুষ কন্ঠ : সহিব না আজ এই অবিচার — কোরাস্ : খুলিয়াছে আজি চোখ॥ প্রাচীন চীনের প্রাচীর মহাভারতের হিমালয় আজি এই কথা যেন কয় — মোরা সভ্যতা শিখায়েছি পৃথিবীরে-ইহা কি সত্য নয় ? হইব সর্বজয়ী আমরাই সর্বহারার দল, সুন্দর হবে শান্তি লভিবে নিপীড়িতা ধরাতল। পুরুষ কন্ঠ : আমরা আনিব অভেদ ধর্ম — কোরাস্ : নব বেদ-গাঁথা-শ্লোক॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ওগো মা — ফাতেমা ছুটে আয়, তোর দুলালের বুকে হানে ছুরি। দ্বীনের শেষ বাতি নিভিয়া যায় মাগো, বুঝি আঁধার হ’ল মদিনা-পুরী।। কোথায় শেরে খোদা, জুলফিকার কোথা, কবর ফেঁড়ে এসো কারবালা যথা — তোমার আওলাদ বিরান হ’ল আজি, নিখিল শোকে মরে ঝুরি’।। কোথায় আখেরী নবী, চুমা খেতে তুমি, যে গলে হোসেনের সহিছ কেমনে? সে গলে দুশমন হানিছে শমসের। রোজ্হাশরে নাকি কওসরের পানি পিয়াবে তোমরা গো গোনাহ্গারে আনি, দেখ না কি চেয়ে, দুধের ছেলেমেয়ে পানি বিহনে মরে পুড়ি।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

মিলন-গোধূলি রাঙা হয়ে এলো ঐ সোনার গগনময়। দাও আশিস অভয়, হে দেব জ্যোতির্ময়।। মিলিল আবার দুইটি প্রাণ কত যুগ পরে, হে ভগবান সার্থক কর, হে মনোহর, এ মিলন অক্ষয় যেন চির-সুখী হয়, হে দেব জ্যেতির্ময়।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
