বাণী
পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু। ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু। ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।
নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)
রাগঃ
তালঃ
এসো এসো পাহাড়ি ঝর্ণা মেঘ সজল কাজল বর্ণা এসো জল ছিটিয়ে ফুল ফুটিয়ে এসো।। উপল নুড়িতে কাঁকন চুড়িতে রিনি ঠিনি ছন্দে বন্য আনন্দে এসো এসো ছলছল ঝলমল আঁচল লুটিয়ে এসো।। তৃষ্ণায় ডাকে কূলে কূলে হরিণী আনো কৃষ্ণার জল নির্ঝরিণী। ফুলবনে ভ্রমর দল জুটিয়ে এসো।। এসো তপ্ত ধরার বক্ষে, শান্তি ধারা আনো চক্ষে শীতল হোক খরতর বায়ু, নির্জীব প্রান্তরে আনো পরমায়ু এসো পাষাণ-কারারঘুম টুটিয়ে এসো।।
নাটকঃ‘মদিনা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঘুম টুটেছে ফুল-কলিদের রঙ লেগেছে ফুলবনে। দখিনা বাতাস আভাসে জানায় আগমনী তার মোর মনে।। মন উচাটন, মনে রয় না রয় না তার বিনা, কথা আর, কয় না কয় না, নয়নে ঘুম আর সয় না সয় না — শুধাই তা’র কথা জনে জনে।। রাঙা রঙের ছোঁয়া লাগে লাজ-রাঙা মোর মনে। নিশীথ-রাতে পলাশ-বনে মিল্ব কি বঁধুর সনে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
গান ভুলে যাই, মুখ পানে চাই, সুন্দর হে (সুন্দর মোর!)। তব নয়ন পানে চাহি’ কণ্ঠের সুর কাঁপে থর থর হে (সুন্দর মোর!)।। তোমার অনুরাগে, ওগো বুল্বুল্ মোর গানের লতায় ফোটে কথার ফুল, অশ্রু হয়ে সেই ফুল তব পায়ে ঝরিতে চায় ঝর ঝর হে।। এ নহে গান প্রিয়, কান্না এ যে তব বিরহে, অন্তর-শিলাতলে রোদনের সুরধুনী সুর হয়ে বহে। প্রিয়, এ নহে গানের ছন্দ, এ যে আনন্দে-বিষাদে মনের দ্বন্দ্ব, (এ যে) রাগিণীর তলে তব অনুরাগিণীর মর্মের ক্রন্দন-বিলাপ মর্মর হে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
একেলা ঢুলিয়া ঢুলিয়া কে যায়। চলিতে চরণ চরণে জড়ায়।। এখনো ভাঙেনি মল্লিকার ঘুম এখনো অমলিন-কবরী কুসুম, নয়নে নিশির ঝরেনি শিশির বিহগ পাখায় বিহগী ঘুমায়।। অভিসার নিশি বৃথাই জাগি কোথা অভিমানিনী চলে মূর্তিমতী ব্যথা। ভীরু চকিত চোখে করুণ কাতরতা রবি না ওঠে যেন মিনতি জানায়।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালী
বঁধু হে বঁধু ফিরে এসো আজো প্রাণের প্রদীপ রেখেছি আঁচল ঢেকে বিরহ নিশাসে দীরঘ বাতাসে কেঁপে ওঠে থেকে থেকে। আর রাখতে নারি, নিবু নিবু দীপ রাখতে নারি বুঝি আমার পরান প্রদীপ নিভাবে আমারি নয়ন বারি। বঁধু যমুনারি তীরে আসি ফিরে ফিরে কাঁদি কদম তরু তলে হেরি বালুচরে বেণু আছে পড়ে ডাকে না আর রাধা বলে। অভিমানে বাঁশি আমার বুকে আসি’ কেঁদে কেঁদে কহে যেন গো হরি আরাধিকা রাধিকা এলে যদি শ্রীহরি এলো না কেন গো। পায়ে পড়ে কাঁদে এসে যমুনারি ঢেউ বলে রাধা রাধা বলে আর ডাকে না তো কেউ। জটিলা কুটিলা আজ কলহ ভুলে জড়াইয়া মোরে কাঁদে যমুনা কূলে। বলে কৃষ্ণ কই লো প্রলয়েরি কালে আর লইব কার নাম। এই বিরহ যমুনা পার হব কবে বল হে বিরহী মম গেলে কোন সে গোলকে রহিবে চোখে চোখে প্রিয়তম হে কৃষ্ণ আঁখি তারা সম।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা