বাণী
নামিল বাদল! রুমু রুমু ঝুমু নূপুর চরণে চল লো বাদল-পরী, আকাশ-আঙিনা ভরি’ নৃত্য-উছল।। চামেলি কদম যূঁথী মুঠি মুঠি ছড়ায়ে উতল পবনে দে অঞ্চল উড়ায়ে, তৃষিত চাতক-তৃষ্ণারে জুড়ায়ে চল্ ধরাতল।।
নাটক : ‘আলেয়া’ (বৃষ্টিধারার গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
নামিল বাদল! রুমু রুমু ঝুমু নূপুর চরণে চল লো বাদল-পরী, আকাশ-আঙিনা ভরি’ নৃত্য-উছল।। চামেলি কদম যূঁথী মুঠি মুঠি ছড়ায়ে উতল পবনে দে অঞ্চল উড়ায়ে, তৃষিত চাতক-তৃষ্ণারে জুড়ায়ে চল্ ধরাতল।।
নাটক : ‘আলেয়া’ (বৃষ্টিধারার গান)
রাগঃ
তালঃ
অগ্নি-গিরি ঘুমন্ত উঠিল জাগিয়া। বহ্নি-রাগে দিগন্ত গেল রে রাঙিয়া॥ রুদ্র রোষে কি শঙ্কর উর্ধ্বের পানে লক্ষ-ফণা ভুজঙ্গ-বিদ্যুৎ হানে দীপ্ত তেজে অনন্ত-নাগের ঘুম ভাঙিয়া॥ লঙ্কা-দাহন হোমাগ্নি সাগ্নিক মন্ত্র যজ্ঞ-ধূম বেদ-ওঙ্কার ছাইল অনন্ত। খড়গ-পাণি শ্রীচন্ডী অরাজক মহীতে দৈত্য নিশুম্ভ-শুম্ভে এলো বুঝি দহিতে, বিশ্ব কাঁদে প্রেম-ভিক্ষু আনন্দ মাগিয়া॥
রাগঃ লঙ্কাদহন সারং
তালঃ ত্রিতাল

গুল–বাগিচার বুলবুলি আমি রঙিন প্রেমের গাই গজল। অনুরাগের লাল শারাব মোর আঁখি ঝলে ঝলমল (হায়)।। আমার গানের মদির ছোঁয়ায় গোলাপ কুঁড়ির ঘুম টুটে যায়, সে গান শুনে প্রেমে–দীওয়ানা কবির আঁখি ছলছল (হায়)।। লাল শিরাজীর গেলাস হাতে তন্বী সাকি পড়ে ঢুলে, আমার গানের মিঠা পানির লহর বহে নহর–কূলে। ফুটে ওঠে আনারকলি নাচে ভ্রমর রং–পাগল (হায়)।। সে সুর শুনে দিশেহারা ঝিমায় গগন ঝিমায় তারা, চন্দ্র জাগে তন্দ্রাহারা বনের চোখে১ শিশির জল (হায়)।।
১. বনের পাতায়
রাগঃ সিন্ধু-কাফি
তালঃ লাউনি
শিল্পীঃ রুনা লায়লা
শিল্পীঃ অনুপ বড়ুয়া
১.

২.

পদ্মদীঘির ধারে ধারে ঐ সখি লো কমল-দীঘির পারে। আমি জল নিতে যাই সকাল সাঁঝে সই, সখি, ছল ক'রে সে মাছ ধরে, আর, চায় সে বারে বারে।। মাছ ধরে সে, বঁড়শী আমার বুকে এসে বেঁধে, ওলো সই বুকে এসে বেঁধে, আর, চোখের জল কলসি আমার সই, আমি ভরাই কেঁদে কেঁদে সই যত দেখি তা'রে।। ছিপ নিয়ে যায় মাছ জলে তার (ওলো সই) তাকায় না তা’র পানে মন ধরে না মীন ধরে সে সখি লো সেই জানে। মন-ভিখারি মীন-শিকারি মুখের পানে চায়, সখি লো চোখের পানে চায়, আমি বঁড়শী-বেঁধা মাছের মত (গো) সখি ছুটিয়া মরি হায়, অকূল পাথারে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ঝড় এসেছে ঝড় এসেছে কাহারা যেন ডাকে। বেরিয়ে এলো নতুন পাতা পল্লবহীন শাখে।। ক্ষুদ্র আমার শুকনো ডালে দুঃসাহসের রুদ্র ভালে কচি পাতার লাগলো নাচন ভীষণ ঘূর্ণিপাকে। স্তবির আমার ভয় টুটেছে গভীর শঙ্খ-রবে, মন মেতেছে আজ নতুনের ঝড়ের মহোৎসবে। কিশলয়ের জয়-পতাকা অন্তরে আজ মেললো পাখা প্রণাম জানাই ভয়-ভাঙানো অভয়-মহাত্মাকে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

হে গোবিন্দ, হে গোবিন্দ ও রাঙা চরণ কমল ঘেরি গুঞ্জরে কোটি ভক্তবৃন্দ।। শত দুখ দিয়ে ভক্তের সাথ, একি অনন্ত-লীলা তব নাথ যোগী মুনি ঋষি বুঝিতে পারে না তুমি অচিন্ত্য তুমি অনিন্দ্য লীলা-রসিক হে গোবিন্দ।।
নাটিকা: ‘নরমেধ’
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
