বাণী
চঞ্চল মলয় হাওয়া শোন শোন মিনতি। গুণ্ঠন খুলো না মোর, আমি নব যুবতী।। অঙ্গে জাগেনি যার আজিও অনঙ্গ অসময়ে কেন তার কর রস ভঙ্গ, লুকায় মুকুল হের পাতার আঁচলে ভোমরার ভয়ে ভীরু বন-মালতী।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
চঞ্চল মলয় হাওয়া শোন শোন মিনতি। গুণ্ঠন খুলো না মোর, আমি নব যুবতী।। অঙ্গে জাগেনি যার আজিও অনঙ্গ অসময়ে কেন তার কর রস ভঙ্গ, লুকায় মুকুল হের পাতার আঁচলে ভোমরার ভয়ে ভীরু বন-মালতী।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
একলা গানের পায়রা উড়াই। সে কাছে নাই গো সে কাছে নাই।। চাঁদ ভালো লাগে না, তার চেনা কার যেন ইহুদী মাক্ড়ি, সে কেন কাছে নাই, অভিমানে ঝ’রে যায় গোলাপের পাপ্ড়ি। ফিরোজা আকাশের জাফ্রানি জোছনায় মন ভরে না, কি যেন চাই গো কি যেন চাই।।
সঙ্গীতালেখ্য : ‘কাফেলা’
রাগঃ
তালঃ
বল রাঙা হংসদূতি তা’র বারতা। দাও তা’র বিরহ-লিপি, বল সে কোথা।। কেমনে কাটে তা’র অলস বেলা আজো কি গাঙের ধারে কাঁদে একেলা, দু’জনের আশা-তরী ডুবিল যথা।। দীপ জ্বালেনি কি কেউ তাহার ঘরে, ভাঙা ঘর বেঁধেছে কি নূতন ক’রে। দেখা হ’লে তা’রে কহিও নিরালায় আমি মরিয়াছি — মোর প্রেম মরেনি, হায়! (মোর) অন্তরে সে আজো অন্তর-দেবতা।।
রাগঃ রক্তহংস সারং
তালঃ আদ্ধা

তুমি যদি রাধা হতে শ্যাম, আমারি মতন দিবস-নিশি জপিতে শ্যাম-নাম।। কৃষ্ণ-কলঙ্কেরি জ্বালা, মনে হ’ত মালতীর মালা চাহিয়া কৃষ্ণ-প্রেম জনমে জনমে আসিতে ব্রজধাম।। কত অকরুণ তব বাঁশরির সুর তুমি হইলে শ্রীমতী ব্রজ-কুলবতী বুঝিতে নিঠুর। তুমি যে-কাঁদনে কাঁদায়েছ মোরে আমি কাঁদাতাম তেমনি ক’রে বুঝিতে, কেমন লাগে এই গুরু-গঞ্জনা এ প্রাণ-পোড়ানি অবিরাম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পুরুষ : কুনুর নদীর ধারে ঝুনুর ঝুনুর বাজে বাজে বাজে লো ঘুঙুর কাহার পায়ে। স্ত্রী : হাতে তল্তা বাঁশের বাঁশি মুখে জংলা হাসি কে ঐ বুনো গো বড়ায় আদুল গায়ে।। পুরুষ : তার ফিঙের মত এলোখোঁপায় ঝিঙেরি ফুল স্ত্রী : যেন কালো ভোম্রার গা কালার ঝামর চুল। দ্বৈত : ও যদি না হতো পর দু’জনের হতো ঘর একই গাঁয়ে গো।। পুরুষ : ওর বাঁকা ভঙ্গিমা দেখে তৃতীয়ার চাঁদ ডেকে, হতে চাহে ওর হাঁসুলি-হার। স্ত্রী : ঝিলের শঙ্খ ঝিনুক বলে কিনুক বিনামূলে আমরা হব কালার কণ্ঠেরই হার। পুরুষ : ও মেয়ে না পাহাড়ি-ঝর্নার সুর স্ত্রী : ও পুরুষ না কষ্টি পাথরের ঠাকুর দ্বৈত : যদি বাসত ভালো, যদি আসত কাছে রাখতাম হিয়ায় লুকায়ে গো।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

নূরজাহান, নূরজাহান! সিন্ধু নদীতে ভেসে, এলে মেঘলামতীর দেশে, ইরানি গুলিস্তান।। নার্গিস লালা গোলাপ আঙ্গুর–লতা শিঁরি ফরহাদ সিরাজের উপকথা এনেছিলে তুমি তনুর পেয়ালা ভরি’ বুলবুলি দিলরুবা রবাবের গান।। তব প্রেমে উন্মাদ ভুলিল সেলিম, সে যে রাজাধিরাজ – চন্দন সম মাখিল অঙ্গে কলঙ্ক লোক–লাজ। যে কলঙ্ক লয়ে হাসে চাঁদ নীল আকাশে, যাহা লেখা থাকে শুধু প্রেমিকের ইতিহাসে, দেবে চিরদিন নন্দন–লোক–চারী তব সেই কলঙ্ক সে প্রেমের সম্মান।।
সঙ্গীতালেখ্য : ‘পঞ্চাঙ্গনা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ খিলখিল কাজী
শিল্পীঃ শ্যামল মিত্র
