বাণী
ঢল ঢল নয়নে স্বপনের ছায়া গো। কোন্ অমরার কোন্ মায়া গো।। মনের বনের ’পারে চকিতে দেখেছি যারে, সে এলে কি আজ ধরি’ কায়া গো।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঢল ঢল নয়নে স্বপনের ছায়া গো। কোন্ অমরার কোন্ মায়া গো।। মনের বনের ’পারে চকিতে দেখেছি যারে, সে এলে কি আজ ধরি’ কায়া গো।।
রাগঃ
তালঃ
পরাজিত হ’ল অপরাজিতার কাছে গোলাপের রূপ হায়। পথের ধূলিতে ঢেকে দে গোলাপ-বন, আয় ঝোড়ো হাওয়া আয়।। বসিল না মোর ময়ূর-সিংহাসনে বনের সে প্রজাপতি, কোহিনূর ফেলে দেখিল পথের ফুলে সে-কোন্ প্রেমের জ্যোতি। হে প্রেম-ভিখারি! তোমার ধূলির পথে ডাক দিলে যদি চির-ভিখারিনী হ’তে, মরণের ক্ষণে দুটি ফোঁটা আঁখি-জল সে যেন ভিক্ষা পায়।।
রাগঃ
তালঃ
তিলক দিলে কি শ্যাম ত্রিলোক ভুলাতে? কে দিল বনমালী বনমালা গলাতে? আঁখি যেন ঢলঢল আধফোটা শতদল কে শিখাল ও চাহনি গোপিনী ছলিতে?
রাগঃ
তালঃ
মোরে মেঘ যবে জল দিল না, তখন তুমি আঁখিজল দিলে। যারে ঘন বন ছায়া দিল না, তাহারে অঞ্চলে জড়াইলে।। অসীম আকাশ ধরিতে নারিল যারে তোমার নয়ন কেমনে ধরিল তারে, বল কেন ভিখারির শূন্য পাত্রে অমৃত ঢালিয়া দিলে।। বল বল চির-বৈরাগিণী গো, তোমার কি ক্ষতি তায়, পৃথিবী হইতে মোর নাম যদি চিরতরে মুছে যায়। চাওনি কিছুই মোর কাছে তুমি কভু কেন ফিরাইতে চাহ বক্ষে ধরিয়া তবু, তব গৈরিক-বাসে এ প্রেম-প্রবাহ কেমনে রাখিয়াছিলে।।
রাগঃ
তালঃ
টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা নাচে শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ'রে মুটকি মিস আরসোল্লা। হা-হা- হা-হা- হা।। খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে! দেখে পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা। আর বাবাজী কাছা খোল্লা।। দেখে আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি হা গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি হা ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি; নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়! কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায়। ( হায় হায় হায়) যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
জগতে আজিকে যারা আগে চলে ভয়-হারা ডেকে যায় আজি তারা, চল্ রে সুমুখে চল। পিছু পানে চেয়ে’ মিছে প’ড়ে আছি সব নীচে, চাস্নে রে তোরা পিছে অগ্র-পথিক দল।। চলার বেগে উঠবে জেগে বনে নূতন পথ বর্তমানের পানে মোদের চল্বে অরুণ-রথ, অতীত আজি পতিত রে ভাই, রচ্ব ভবিষ্যৎ। স্বর্গ মোরা আন্ব, না হয় যাব রসাতল।। রইব না পিছে প’ড়ে অতীতের কঙ্কাল ধ’রে, বইবে নব জীবন-স্রোত যৌবন-চঞ্চল। বিশ্ব-সভাঙ্গনে সকল জাতির সনে বসিব সম-আসনে গৌরব-উজ্জ্বল।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
