মুক্তি আমায় দিলে হে নাথ মোর যে প্রিয়

বাণী

মুক্তি আমায় দিলে হে নাথ মোর যে প্রিয় তারে নিয়ে।
আমি কিছু রাখতে নারি দেখ্‌লে বারে বারে দিয়ে॥
	যত্ন আদর পায়নি হেথা
	স’য়ে গেল শত ব্যথা।
তোমার দান সইলো না মোর গেল বুঝি তাই হারিয়ে॥
তোমার প্রিয় এসেছিল অতীত হয়ে আমার দ্বারে,
ফিরে গেল অভিমানে বুঝি আমার অনাদরে।
	যে ছিল নাথ মোর প্রাণাধিক
	সে যে তোমার বুকের মানিক
(প্রভু) এবার সে আর হারাবে না বাঁচ্‌ল তোমার কাছে গিয়ে॥

অগ্নি-ঋষি অগ্নি-বীণা তোমায় শুধু সাজে

বাণী

অগ্নি-ঋষি! অগ্নি-বীণা তোমায় শুধু সাজে;
তাই ত তোমার বহ্নি-রাগেও বেদন-বেহাগ বাজে॥
		দহন-বনের গহন-চারী —  
		হায় ঋষি — কোন্ বংশীধারী দেশি
নিঙ্‌ড়ে আগুন আনলে বারি, অগ্নি-মরুর মাঝে।
সর্বনাশা কোন্ বাঁশি সে বুঝতে পারি না যে॥
দুর্বাসা হে! রুদ্র তড়িৎ হানছিলে বৈশাখে,
হঠাৎ সে কার শুন্‌লে বেণু কদম্বের ঐ শাখে।
		বজ্রে তোমার বাজল বাঁশি,
		বহ্নি হল কান্না-হাসি,
সুরের ব্যথায় প্রাণ উদাসী — মন সরে না কাজে।
তোমার নয়ন-ঝুরা অগ্নি-সুরেও রক্তশিখা রাজে॥

মুরলী শিখিব ব'লে এসেছি কদম্ব তলে

বাণী

মুরলী শিখিব ব'লে এসেছি কদম্ব তলে
মুরলীধারী মুরলী শিখাও হে
কোন সুরে মধু-মাধবী ফোটে
কোন সুরে রাধা নাম ওঠে
মাধব হে! বাঁশির কোন সুরে
উদাসী করে প্রাণ দাসী করে, মাধব হে —
দেহ ময়ুর নাচে কোন সুর শুনিয়া
মন-পাপিয়া গেয়ে ওঠে পিয়া পিয়া
মোরে শিখাও সে সুর হে —
যে সুরে তুমি নাচিবে, পিয়া ব'লে ডাকিবে
মোরে শিখাও সে সুর হে বঁধু
যে সুরে কেবল তব সাথে ভাব হয় অভাব রয় না
আমি সেই সুর শিখিব
যে সুর কৃষ্ণ ছাড়া কোন কথা কয় না
কেন ছলছল চোখে চাও
মুরলী শিখাও কেন হাত কাপে রসময়।
যে সুর তোমার অধর পরশ লাগে
সেই বেনু যেন চিরদিন রাধারই রয় বেনু শিখাও হে
মোর দেহ মন ধায় যেন ধেনু সম তব পানে বেণু শিখাও হে।।

তারকা-নূপুরে নীল নভে ছন্দ শোন্ ছন্দিতার

বাণী

তারকা-নূপুরে নীল নভে ছন্দ শোন্ ছন্দিতার।
সৃষ্টিময় বৃষ্টি হয় নৃত্য সেই নন্দিতার।।
সাগরে নদীতে ঢেউ তোলে সেই দেবীর মুক্তকেশ।
সঙ্গীতের হিন্দোলে তাঁর আঁখির প্রেম-আবেশ।
পবনে পবনে হিল্লোলে নীল আঁচল চঞ্চলার
ছন্দোময় আনন্দময় চরণশ্রী বন্দি তাঁর।।

মোর বুক ভরা ছিল আশা

বাণী

মোর বুক ভরা ছিল আশা প্রাণ ভরা ভালোবাসা।
হায় আসিল সে যবে কাছে মুখে সরিল না ভাষা।।
	আমি পেয়েছিলাম তায় একা
	ছিল চোখে তাহার প্রেম-লেখা,
তবু বলিতে পারিনি তারে কাঁদে প্রাণে কি দুরাশা।।
	এসে ভরা নদীর তীরে
	পান না করিয়া বারি
	আমি আসিলাম ফিরে — 
ছিল তৃষ্ণা-কাতর এ প্রাণে মরুভূমির পিয়াসা।।

আমি গরবিনী মুসলিম বালা

বাণী

আমি গরবিনী মুসলিম বালা
সংসার সাহারাতে আমি গুলে লালা।।
জ্বালায়েছি বাতি (আমি) আঁধার কাবায়
এনেছি খুশির, ঈদে শিরনির থালা।।
আনিয়াছি ঈমান প্রথম আমি
আমি দিয়াছি সবার আগে মোহাম্মদে মালা।।
কত শত কারবালা বদরের রণে
বিলায়ে দিয়াছি স্বামী-পুত্র স্বজনে;
জানে গ্রহ-তারা জানে আল্লাহ তালা।।