বাণী
আয় আয় যুবতী তম্বী। জ্বালো জ্বালো লালসার বহ্নি।। হান হান হান নয়ন-বাণ তনুর পেয়ালা ভরি মদিরা আন।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
আয় আয় যুবতী তম্বী। জ্বালো জ্বালো লালসার বহ্নি।। হান হান হান নয়ন-বাণ তনুর পেয়ালা ভরি মদিরা আন।।
নাটক : ‘হরপার্বতী’
রাগঃ
তালঃ
ওরে আয় অশুচি আয়রে পতিত এবার মায়ের পূজা হবে। যেথা সকল জাতির সকল মানুষ নির্ভয়ে মা’র চরণ ছোবে। (সেথা) এবার মায়ের পূজা হবে॥ সেথা নাই মন্দির নাই পূজারি নাই শাস্ত্র নাইরে দ্বারী, সেথা মা বলে যে ডাকবে এসে মা তাহারেই কোলে লবে॥ মা সিংহ-আসন হ’তে নেমে বসেছে দেখ্ ধূলির তলে মার মঙ্গল ঘট পূর্ণ হবে সবার ছোঁওয়া তীর্থ জলে। মোরা জননীকে দেখিনি, তাই ভাইকে আঘাত হেনেছে ভাই, আজ মাকে দেখে বুঝবি মোরা এক মা’র সন্তান সবে। এবার ত্রিলোক জুড়ে পড়বে সাড়া মাতৃ মন্ত্র মাভৈঃ রবে॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

পালিয়ে তুমি বেড়াবে কি এমনিভাবে এমনি ক'রে জনম কি মোর কেঁদেই যাবে।। ওগো চপল বনের পাখি ধরা তুমি দেবে না কি, অন্তরালে থাকি' শুধু গান শোনাবে।। কেন এলে নিঠুর তুমি পথিক হাওয়া তোমার স্বভাব ফুল ফুটিয়েই ঝরিয়ে যাওয়া হে বিরহী, লীলা-চত্বর, অশ্রু কি মোর এতই মধুর! কবে এসে আমার অভিমান ভাঙাবে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

মালা গাঁথা শেষ না হ’তে তুমি এলে ঘরে। শূন্য হাতে তোমায় বরণ করব কেমন ক’রে।। লজ্জা পাবার অবসর মোর দিলে না হে চঞ্চল, চোর সজ্জা-বিহীন মলিন তনু দেখলে নয়ন ভ’রে।। বিফল মালার ফুলগুলি হায় কোথায় এখন রাখি, ক্ষণিক দাঁড়াও, ঐ কুসুমে (তোমার) চরণ দু’টি ঢাকি। আকুল কেশে পা মুছিয়ে করব বাতাস আঁচল দিয়ে, (মোর) নয়ন হবে আরতি-দীপ তোমার পূজার তরে।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ দাদ্রা

কেন হেরিলাম নব ঘনশ্যাম কালারে কাল্ কালিন্দী-কূলে। (সে যে) বাঁশরির তানে সকরুণ গানে ডাকিল প্রেম-কদম্ব মূলে।। কেন কলস ভরিতে গেনু যমুনা-তীরে, মোর কলস সাথে গেল ভাসি, লাজ-কূল-মান আকুল নীরে। কলসির জল মোর নয়নে ভরিয়া সই আসিনু ফিরে।। সখি হে তোদের সে রাই নাই, গোকুলের রাই গোকুলে নাই। সে যে হারাইয়া গেছে শ্যামের রূপে লো নবীন নীরদে বিজলি প্রায়। সে রবি-শশী সম ডুবিয়া গেছে লো সুনীল রূপের গগন-গায়।। হরি-চন্দন-পঙ্কে লো সখি শীতল ক’রে দে জ্বালা, দুলায়ে দে গলে বল্লভ-রূপী শ্যাম পল্লব মালা। নীল কমল আর অপরাজিতার, শেজ্ পেতে দে লো কোমর বিথার পেতে দে শয্যা পেতে দে, নীল শয্যা পেতে দে পেতে দে! পরাইয়া দে লো সখি অঙ্গে নীলাম্বরী, জড়াইয়া কালো বরণ আমি যেন মরি।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

রোজ হাশরে আল্লা আমার ক'রো না বিচার (আল্লা) বিচার চাহি না তোমার দয়া চাহে এ গুনাহ্গার।। আমি জেনে শুনে জীবন ভ'রে দোষ করেছি ঘরে পরে আশা নাই যে যাব ত'রে বিচারে তোমার।। বিচার যদি করবে কেন রহমান নাম নিলে। ঐ নামের গুণেই ত'রে যাব, কেন এ জ্ঞান দিলে। দীন ভিখারি ব'লে আমি ভিক্ষা যখন চাইব স্বামী শূন্য হাতে ফিরিয়ে দিতে পারবে নাকো আর।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
