বাণী
নিশীথ-স্বপন তোর ভু’লে যা নিশি-শেষে। বাদল-অবসানে আকাশ উঠেছে হেসে।। চখার পাশে আসে বিরহ-রাতের চখি আঁধার লুকাল ঐ দূর বনে এলোকেশে।। শরম-রাঙা গালে জাগিল কুমারী ঊষা, তরুণ অরুণ ঐ এসো রাঙা বর-বেশে।।
রাগ ও তাল
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
নিশীথ-স্বপন তোর ভু’লে যা নিশি-শেষে। বাদল-অবসানে আকাশ উঠেছে হেসে।। চখার পাশে আসে বিরহ-রাতের চখি আঁধার লুকাল ঐ দূর বনে এলোকেশে।। শরম-রাঙা গালে জাগিল কুমারী ঊষা, তরুণ অরুণ ঐ এসো রাঙা বর-বেশে।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
ঘোড়া-পূজার মন্ত্র : ওঁ নমস্তে শ্রী বিলাতী অশ্ব সাহেব হর্স নমোহ নমঃ। চতুষ্পদ একপুচ্ছ শৃঙ্গহীন জীব আদর্শ — সাহেব হর্স নমো নমঃ।। অ্যাই, আরে পঙ্খীরাজের বাচ্চা আমার ঘোড়া ছুইট্যা যাও। ক্যাৎরাইয়া দুই চক্ষুরে ঘোড়া ছ্যাৎরাইয়া চাইর পাও।। স্বর্গপানে ল্যাজ উঠাইয়া, (ছোট) চিঁহি চুঁহু চিঁহি চুঁহু ডাইক্যা আমরা দুজন রাত্র জাগুম ছোলা ভিজাইয়া রাইখ্যা (রে) ফাস্টো যদি না হও ঘোড়া, (তোমার) ঘোড়ানীর মাথা খাও হালা কচ্মচাইয়া খাও।। তোমার ঘোড়ানীর মাথা কচ্মচাইয়া খাও।।
নাটিকা : ‘বিলাতী ঘোড়ার বাচ্চা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ইরানের রূপ-মহলের শাহজাদী শিঁরি! জাগো জাগো শিঁরি। ‘প্রিয়া জাগো’ ব’লে ফরহাদ ডাকে শোনো আজো১ রাতে ধীরি ধীরি।। তুমি ধরা দিবে তারে বলেছিলে, বে-দরদি, যদি পাহাড় কাটিয়া আনিতে পারে সে নদী। হের গো শিলায় শিলায় আজি উঠিয়াছে ঢেউ সেথা তব মুখ ছাড়া নাহি আর কেউ, প্রেমের পরশে যেন মোমের পুতুল হয়েছে পাষাণ-গিরি।। গলিল পাষাণ, তুমি গলিলে না ব’লে — যে প্রেমিক মরেছিল তোমার পাষাণ-প্রতিমার তলে, সেই বিরহীর রোদন যেন গো উঠিছে ভুবন ঘিরি’।।
১. আধো
নাটকঃ ‘মদিনা’
রাগঃ শিরী-ফর্হাদ্ (নজরুল সৃষ্ট)
তালঃ কাহার্বা

মোরা ভেসে যাব কৃষ্ণ নামের স্রোতে গো ঐ নাম ধরে গো, উঠব মোরা ব্রজধামের পথে।। ঐ নামেরই মন্ত্র গুণে পথের মানুষ গোঠের বেণু শোনে গো ভুলের কূলে কূলে খেলে যে সে ওঠে ফুলের রথে।। ঐ নাম পেল যে, সুমুখে তার শ্যাম গো দেখা দেবার তরে নিতুই ঘোরে অবিরাম গো। ঐ কৃষ্ণ নামের টানে ধীরে ধীরে প্রেম যমুনা আনে। ঐ নামের গুণে গঙ্গাধারা নামে হিমগিরি হতে।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত–দাদ্রা

মেঘ-বিহীন খর-বৈশাখে তৃষায় কাতর চাতকী ডাকে।। সমাধি-মগ্না উমা তপতী — রৌদ্র যেন তার তেজঃ জ্যোতি, ছায়া মাগে ভীতা ক্লান্তা কপোতী — কপোত-পাখায় শুষ্ক শাখে।। শীর্ণা তপিনী বালুচর জড়ায়ে তীর্থে চলে যেন শ্রান্ত পায়ে। দগ্ধ-ধরণী যুক্ত-পাণি চাহে আষাঢ়ের আশিস বাণী যাপিয়া নির্জলা একদশীর তিথি পিপাসিত আকাশ যাচে কাহাকে।।
রাগঃ সামন্ত সারং
তালঃ ত্রিতাল

নৃত্যকালী শঙ্কর সঙ্গে নাচে অতি রুদ্র-বিহঙ্গে। ছন্দ ঝরে ঝর্ঝর ধারায় মন্দাকিনী গঙ্গা তরঙ্গে।। মুক্তবেণী ধূর্জটি-জটা বিধূনিত অম্বরে দোলে সসাগরা ভীতা পৃথ্বী কাঁপে মহাবিষ্ণুর কোলে, বাজে ঘোর ডম্বরু শিঙ্গা উল্কা ছোটে ভ্রুকুটি ভঙ্গে।। মৃত্যু-ক্ষুধা জাগিল একি রে, সৃষ্টি-স্থিতি সংহার মানসে। পঞ্চভূত চিত্ত অহঙ্কার ব্রহ্মা-হরি লয় হ’ল ব্রহ্মে উগ্র তারা রুদ্রেরে আবরি’ নাচে একা উন্মাদ দম্ভে, একি হেরি মূর্ছিতা শক্তি সোহম্ শিব আমারি অঙ্গে।।
রাগঃ বাঙ্গাল ভৈরব
তালঃ ঝুম্রা
