ভিখারিনী করে পাঠাইলি মোরে

বাণী

	ভিখারিনী করে পাঠাইলি মোরে, (মাগো) কি দিয়ে পূজিব বল।
	হাতে আছে শুধু শূন্য প্রণাম, চোখে আছে শুধু জল।।
	পূজা ধূপ নাই, চন্দন নাই, মাগো, লাজে মরি দিতে ভয় পাই
	চুরি করে আনা দুটি জবা ফুল, একটি বিল্বদল।।
তোর	ধনী ছেলে মেয়ে ঘটা করে তোর পূজা করে কত রূপে,
মাগো	ভিখারি মেয়ের বেশে তুই কেন দাঁড়াইলি এসে, মোর কাছে চুপে চুপে
	কিছু নাই মাগো হাতে দিতে তোর, শুধু নামখানি সম্বল মোর,
যদি	চাস তুই ঐ রাঙা পায়ে দিব নামের সে শতদল।।

লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা

বাণী

লীলা-চঞ্চল ছন্দ দোদুল চল-চরণা।
হেলে দুলে এলে কে গো গিরি-ঝরনা।।
দুলিয়ে জলের জরিন বেণী নাচো আনন্দে
রামধনুতে ওড়ে তব রাঙা ওড়না।।
বুলবুলিরে গান গাওয়াও, নাচাও ময়ূরে,
ফুল-ভূষণে সাজে কানন নিরাভরণা।।
চাহিয়া আছি তোমার পথে, শুনেছি নূপুর।
কবে মিলবে আমার প্রেম-পাথারে সাগর-শরণা।।

শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর জপ-মলা নিশিদিন

বাণী

শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর জপ-মলা নিশিদিন শ্রীকৃষ্ণ নাম মোর ধ্যান।
শ্রীকৃষ্ণ বসন শ্রীকৃষ্ণ ভূষণ ধরম করম মোর জ্ঞান।।
শয়নে স্বপনে ঘুমে জাগরণে বিজড়িত শ্রীকৃষ্ণ নাম (মোর)
কৃষ্ণ আত্মা মম কৃষ্ণ প্রিয়তম ওই নাম দেহ মন প্রাণ।।
কৃষ্ণ নয়ন-ধার কৃষ্ণ গলার হার এ হৃদয় তাঁরি ব্রজধাম
ঐ নাম-কলঙ্ক ললাটে আঁকিয়া গো ত্যাজিয়াছি লাজ কুল মান।।

ওরে বনের ময়ূর কোথায় পেলি এমন চিত্রপাখা

বাণী

ওরে বনের ময়ূর কোথায় পেলি এমন চিত্রপাখা
তোর পাখাতে হরির স্মৃতি পাখার শ্রী কি আঁকা॥
		তারই মতন হেলে দুলে
		নাচিস্ রে তুই পেখম খুলে
তনুতে তোর ওরে শ্যামের আঁখির নীলাঞ্জন মাখা॥
হারিয়ে নব কিশোরে, দিবা-নিশি ঘুরি
তাই কি শ্যামের বিভূতি তুই আনলি ক’রে চুরি।
		সান্ত্বনা কি দিতে মোরে 
		শ্যামল রেখে গেছে তোরে
তাইতো তোরে হেরি ওরে যায় না কাঁদন্ রাখা॥

চল রে কাবার জিয়ারতে

বাণী

চল রে কাবার জিয়ারতে, চল নবীজীর দেশ।
দুনিয়াদারির লেবাস খুলে পর রে হাজীর বেশ।।
আওকাতে তোর থাকে যদি - আরফাতের ময়দান,
	চল আরফাতের ময়দান,
এক জামাত হয় যেখানে ভাই নিখিল মুসলমান। 
মুসলিম গৌরব দেখার যদি থাকে তোর খায়েশ।।
যেথায় হজরত হলেন নাজেল মা আমিনার ঘরে
খেলেছেন যার পথে-ঘাটে মক্কার শহরে, 
	চল মক্কার শহরে।
সেই মাঠের ধূলা মাখবি যথা নবী চরাতেন মেষ।।
ক'রে হিজরত কায়েম হলেন মদিনায় হজরত - যে মদিনায় হজরত,
সেই মদিনা দেখবি রে চল, মিটবে রে তোর প্রানের হসরত;
সেথা নবীজীর ঐ রওজাতে তোর আরজি করবি পেশ।। 

ও তুই কারে দেখে ঘোমটা দিলি নতুন বউ বল গো

বাণী

ও তুই কারে দেখে ঘোমটা দিলি নতুন বউ বল গো
তুই উঠলি রেঙে যেন পাকা কামরাঙ্গার ফল গো।।
তোর মন আইঢাই কি দেখে কে জানে
তুই চুন বলে দিস হলুদ বাটা পানে
তুই লাল নটে শাক ভেবে কুটিস শাড়ির আঁচল গো।।
তুই এ ঘর যেতে ও ঘরে যাস পায়ে বাধে পা
বউ তোর রঙ্গ দেখে হাসছে ননদ জা।
তুই দিন থাকিতে পিদিম জ্বালিস ঘরে
ওলো রাত আসিবে আরো অনেক পরে
কেন ভাতের হাঁড়ি মনে ক'রে উনুনে দিস জল গো।।