
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা।

বল্ রে জবা বল্ — কোন্ সাধনায় পেলি শ্যামা মায়ের চরণতল।। মায়া–তরুর বাঁধন টু’টে মায়ের পায়ে পড়লি লু’টে মুক্তি পেলি, উঠলি ফুটে আনন্দ–বিহ্বল। তোর সাধনা আমায় শেখা (জবা) জীবন হোক সফল।। কোটি গন্ধ –কুসুম ফোটে, বনে মনোলোভা — কেমনে মা’র চরণ পেলি, তুই তামসী জবা। তোর মত মা’র পায়ে রাতুল হবো কবে প্রসাদী ফুল, কবে উঠবে রেঙে — ওরে মায়ের পায়ের ছোঁয়া লেগে উঠবে রেঙে, কবে তোরই মতো রাঙবে রে মোর মলিন চিত্তদল।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

নব কিশলয়-রাঙা শয্যা পাতিয়া বালিকা-কুঁড়ির মালিকা গাঁথিয়া আমি একেলা জাগি রজনী বঁধু,এলো না তো কই সৃজনী, বিজনে বসিয়া রচিলাম বৃথা বনফুল দিয়া ব্যজনী। কৃষ্ণচূড়ার কলিকা অফুট আমি তুলি আনিবৃথা রচিনু মুকুট, মোর হৃদয়ের রাজা এলো না, মোর হৃদি-সিংহাসন শূন্য রহিল আমি যাহার লাগিয়া বাসর সাজাই সে ভাবে মিছে এ খেলনা (সখি)। সে-যে জীবন লইয়া খেলা করে সখি, আমি মরণের তীরে ব'সে তা'রে ডাকি হেসে যায় বঁধু আনঘরে সে-যে জীবন লইয়া খেলা করে। সে-যে পাষাণের মুরতি বৃথা পূজা-আরতি নিবেদন করি তার পায়: সাধে কি গো বলে সবে পাষাণ গলেছে কবে? তবু মন পাষাণেই ধায় (সখি রে)। আমি এবার মরিয়া পুরুষ হইব,বঁধু হবে কুলবালা দিয়ে তারে ব্যথা যাব যথাতথা বুঝিবে সেদিন কালা, বিরহিণীর কি যে জ্বালা তখনি বুঝিবে কালা। দিয়ে তারে ব্যথা যাব যথাতথা বুঝিবে সেদিন কালা।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দাদ্রা ও কাহার্বা)

কোন্ দূরে ও-কে যায় চ’লে যায়, সে ফিরে ফিরে চায় করুণ চোখে। তার স্মৃতি মেশা হায়, চেনা-অচেনায় তারে দেখেছি কোথায় যেন সে-কোন্ লোকে।। শুনি স্বপ্নে তারি যেন বাঁশি মন-উদাসী তারি বার্তা আসে নব মধু-মাসে, পলাশ আশোকে।। কৃষ্ণচূড়া তার মালা লুটায় — চৈত্র-শেষে বনের ধূলায় কান্না-বিধুর তার ভৈরবী সুর প্রভাতী তারায় অশ্রু ঘনায়, চির-বিরহী চিনি ওকে।।
রাগঃ ভৈরবী মিশ্র
তালঃ কাহার্বা

মোর স্বপ্নে যেন বাজিয়েছিলে করুণ রাগিণী। হে রূপকুমার! ঘুমিয়েছিলাম, সেদিন জাগিনি।। যেন আধোঘুমের ঘোরে দেখেছিলাম চুরি ক’রে, চাইতে গিয়ে চোখের জলে চাইতে পারিনি।। তন্দ্রা আমার টুট্ল তবু শরম ভরে, (হে) চির-চাওয়া! পারিনি’ক ডাকতে আদরে। চেয়ে চেয়ে আমার পানে চ’লে গেলে অভিমানে, (তোমার) পথের-ধূলি হইনি কেন হতভাগিনী।।
রাগঃ
তালঃ
(তুমি) যে-হার দিলে ভালোবেসে সে-হার আমার হ’ল ফাঁসি। (প্রিয়) সেই হার আজ বক্ষে চেপে আকুল নয়ন-জলে ভাসি।। তুমি জান অন্তর্যামী দান তো তোমার চাইনি আমি, তোমায় শুধু চেয়েছিলাম১ সাধ ছিল মোর হ’তে দাসী।। দুখের মালা কেড়ে নিয়ে কেন দিলে মতির মালা, মালায় শীতল হবে কি নাথ! শূন্য আমার বুকের জ্বালা? (মোরে) রেখো না আর সোনার রথে ডাকো তোমার তীর্থ-পথে, (আমার) সুখের ঘরে আগুন জ্বালো শোনাও বাঁশি সর্বনাশী।।
১. চেয়েছিলাম তোমায় স্বামী
রাগঃ
তালঃ
ওগো বৈশাখী ঝড়! ল’য়ে যাও অবেলায় ঝরা এ মুকুল। ল’য়ে যাও বিফল এ জীবন — এই পায়ে দলা ফুল।। ওগো নদীজল লহো আমারে বিরহের সেই মহা-পাথারে, চাঁদের পানে চাহে যে পারাবারে — অনন্তকাল কাঁদে বিরহ-ব্যাকুল।।
রাগঃ মনোরঞ্জনী
তালঃ ত্রিতাল (ঢিমা)
Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan