বাণী
ভোলো ভোলো ভোলো মান, ভোল আমারে। আঁধারে যে ফুল ফোটে, ভোলো তাহারে॥ ভুলিতে যদি গো লাগে বুকেতে ব্যথা’ নিঠুর মরম-বাণে না ক’য়ো কথা, দরদি গো সে-ব্যথারে রাখিবি কাহারে॥
রাগ ও তাল
রাগঃ মিশ্র তিলং
তালঃ কাহার্বা
ভোলো ভোলো ভোলো মান, ভোল আমারে। আঁধারে যে ফুল ফোটে, ভোলো তাহারে॥ ভুলিতে যদি গো লাগে বুকেতে ব্যথা’ নিঠুর মরম-বাণে না ক’য়ো কথা, দরদি গো সে-ব্যথারে রাখিবি কাহারে॥
রাগঃ মিশ্র তিলং
তালঃ কাহার্বা
বল প্রিয়তম বল — মোর নিরাশা-আঁধারে আলো দিতে তুমি কেন দীপ হ’য়ে জ্বল॥ যত কাঁটা পড়ে মোর পথে যেতে যেতে, কেন তুমি তাহা লহ বঁধু বুক পেতে। যদি ব্যথা পাই বুঝি পথে তাই তুমি ফুল বিছাইয়া চল॥ বল হে বিরহী, তুমি আমারে অমৃত এনে দাও কেন নিজে উপবাসী রহি’। মোর পথের দাহন আপন বক্ষে নিয়ে, মেঘ হয়ে চল সাথে সাথে ছায়া দিয়ে। মোর ঘুম না আসিলে কেন কাঁদ চাঁদ হয়ে ঢলঢল॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

বাঁশি কে বাজায় বনে আমি চিনি আমি চিনি, কলসে কাঁকন চুড়ি তাল দিয়ে কয় গো রিনিঝিনি। আমি চিনি আমি চিনি।। বুঝি গো বন পাপিয়া তারেই দেখে ‘চোখ গেল, চোখ গেল’ বলে উঠে ডেকে। ও বাঁশি বাজলে ‘জলে যাসনে’, (ও বৌ যাস্নে) বলে ‘ননদিনী’ ‘ননদিনী’।আমি চিনি আমি চিনি।। মোর সেই বাঁশুরিয়ায় চেনে পাড়ার পড়শিরা চেনে তায় যায় যমুনায় গো যত প্রেমের গরবীরা। সে যে মোর ঘর জ্বালানো পর ভুলানো আমার কালো বরণ গো, তমালের ডাল দুলানো। মন কয় আমায় নিয়ে গো সেই ত খেলে ছিনিমিনি।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

ওগো মা — ফাতেমা ছুটে আয়, তোর দুলালের বুকে হানে ছুরি। দ্বীনের শেষ বাতি নিভিয়া যায় মাগো, বুঝি আঁধার হ’ল মদিনা-পুরী।। কোথায় শেরে খোদা, জুলফিকার কোথা, কবর ফেঁড়ে এসো কারবালা যথা — তোমার আওলাদ বিরান হ’ল আজি, নিখিল শোকে মরে ঝুরি’।। কোথায় আখেরী নবী, চুমা খেতে তুমি, যে গলে হোসেনের সহিছ কেমনে? সে গলে দুশমন হানিছে শমসের। রোজ্হাশরে নাকি কওসরের পানি পিয়াবে তোমরা গো গোনাহ্গারে আনি, দেখ না কি চেয়ে, দুধের ছেলেমেয়ে পানি বিহনে মরে পুড়ি।।
রাগঃ
তালঃ বৈতালিক

কেন দিলে এ কাঁটা যদি গো কুসুম দিলে ফুটিত না কি কমল ও কাঁটা না বিঁধিলে।। কেন এ আঁখি-কূলে বিধুর অশ্রু দুলে কেন দিলে এ হৃদি যদি না হৃদয় মিলে।। কেন কামনা-ফাঁদে রূপ-পিপাসা কাঁদে শোভিত না কি কপোল ও কালো তিল নহিলে।। কাঁটা-নিকুঞ্জে কবি এঁকে যা সুখের ছবি নিজে তুই গোপন রবি তোরি আঁখির সলিলে।।
রাগঃ বেহাগ
তালঃ দাদ্রা
১.

২.

ওমা নির্গুণেরে প্রসাদ দিতে তোর মত কেউ নাই। তোর পায়ে মা তাই রক্তজবা গায়ে শ্মশান-ছাই।। দৈত্য-অসুর হনন ছলে ঠাঁই দিস্ তুই চরণ তলে, আমি তামসিকের দলে মা গো তাই নিয়েছি ঠাঁই।। কালো ব’লে গৌরী তোরে কে দিয়েছে গালি, (ওমা) ত্রিভুবনের পাপ নিয়ে তোর অঙ্গ হ’ল কালি। অপরাধ না করলে শ্যামা ক্ষমা যে তোর পেতাম না মা, (আমি) পাপী ব’লে আশা রাখি চরণ যদি পাই।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা
