বাণী
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
অশিব শক্তি হতে হে শঙ্কর অষ্টসিদ্ধিরে কর ত্রাণ, ত্রাণ কর শঙ্কর।।
নাটক : ‘অন্নপূর্ণা’
রাগঃ
তালঃ
এ কি এ মধু শ্যাম-বিরহে। হৃদি-বৃন্দাবনে নিতি রসধারা বহে।। গভীর বেদনা মাঝে শ্যাম-নাম-বীনা বাজে প্রেমে মন মোহে যত ব্যথায় প্রাণ দহে।।
রাগঃ বৃন্দাবনী সারং
তালঃ ত্রিতাল

আয় ঘুম আয়! সাপিনীর দংশনে যেমন অবশ তনু — তেমনি ঢলিয়া পড় মায়া-নিদ্রায়।। সংসার অহিফেন বিষ পিয়ে হায় যেমন অচেতন জীব অসাড়ে ঘুমায়, যেমন পাতাল তলে ঘুমায় দৈত্যদলে তেমনি ঘুমাও জড় পাষাণের প্রায়।।
নাট্যগীতি : ‘দেবী দুর্গা’
রাগঃ
তালঃ
উভয়ে : কপোত কপোতী উড়িয়া বেড়াই সুদূর বিমানে আমরা দু’জনে। কানন-কান্তর শিহরি’ ওঠে মোদের প্রণয়-মদির কূজনে।। স্ত্রী : ভ্রমর গুঞ্জে মঞ্জুল গীতি, হেরিয়া আমার বঁধূর প্রীতি, পুরুষ : আমার প্রিয়ার নয়নে চাহি’ কুসুম ফুটে ওঠে বিপিনে বিজনে।। স্ত্রী : তোমা ছাড়া স্বর্গ চাহি না, প্রিয়! মোদের প্রেমে চাঁদ আসে নেমে মাটির পাত্রে পান করি অমিয়।। পুরুষ : বিশ্ব ভুলায়ে ও-রাঙা পায়ে আমারে বেঁধেছে জীবনে মরণে।।
রাগঃ পিলু বারোয়াঁ
তালঃ ত্রিতাল

[ওম্ সর্বমঙ্গল্যে শিবে সর্বার্থসাধিকে। শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরী নারায়ণী নমোস্তুতে।।] জয় দুর্গা, জননী, দাও শক্তি শুদ্ধ জ্ঞান দাও, দাও প্রেম-ভক্তি, অসুর-সংহারি কবচ-অস্ত্র দাও মা, বাঁধি বাহুতে।। অর্থ-বিভব দাও, যশ দাও মাগো, প্রতি ঘরে দাও শান্তি, পরম-অমৃত দাও, দূর কর’ মৃত্যু-সম বাঁচিয়া থাকার এই ক্লান্তি। শ্রান্তিবিহীন উৎসাহ দাও কর্মে নবীন দীক্ষা দাও শক্তির ধর্মে মোদের রক্ষা কর’ বরাভয় বর্মে, চিন্ময় জ্যোতি দাও প্রতি অণুতে।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চারু চপল পায়ে যায় যুবতী গোরী।। আঁচলের পাল তুলে সে চলে ময়ূর-পঙ্খি-তরী।। আয়রে দেখবি যদি ভাদরের ভরা নদী, চলে কে বে-দরদি — ভেঙে কূল গিরি-দরি।। মুখে চাঁদের মায়া কেশে তমাল-ছায়া, এলোচুলে দুলে দুলে নেচে চলে হাওয়া-পরী।। নয়ন-বাণে মারে প্রাণে চরণ-ছোঁয়ায় জীবন দানে, মায়াবিনী যাদু জানে — হার মানে ঊর্বশী অপ্সরী।।
রাগঃ খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা
