মোরে মন মন্দিরমে শুনো স্যখিরি

বাণী

মোরে মন মন্দিরমে শুনো স্যখিরি শোওত হায় গিরধারী।
জাগ জাগ কর প্রেম হামারা দেও দ্বারী।।
ছাতিপে মেরে কৃষ্ণ শোওত হায় ভক্তি চাঁওর ঢুরাওয়ে
উন্‌কে শিরাহনে দীপক মোরি আঁখিয়া প্রীতি হায় দাসী হামারি।।
চোরি চোরি শাস ননদ মোরা দেখ রহি হ্যঁয় ন্যায়ন।
উনকা ডার মোহে কুছওয়া না না লাগে জাগত হায় মোরা প্রেম।
আধি রাত যব জাগে বিহারী, ধ্যারি হ্যঁয় হাথ কৃষ্ণ মুরারি
ধ্যান ধ্যরে অব ইয়ে প্রাণ মেরা য্যয়সে রাধাপ্যারী।।

পেয়ে আমি হারায়েছি গো

বাণী

পেয়ে আমি হারায়েছি গো আমার বুকের হারামণি।
গানের প্রদীপ জ্বেলে তা’রেই খুঁজে ফিরি দিন-রজনী।।
সে ছিল গো মধ্যমণি আমার মনের মণি-মালায়,
রেখেছিলাম লুকিয়ে তায়, মানিক যেমন রাখে ফণী।।
স্নিগ্ধ জ্যোতি নিয়ে সে মোর এসেছিল দগ্ধ বুকে,
অসীম আঁধার হাত্‌ড়ে ফিরি খুঁজি তারি রূপ-লাবণি।।
হারিয়ে যে যায় হায় কেন সে যায় হারিয়ে চিরতরে,
মিলন-বেলাভুমে বাজে বিরহেরই রোদন-ধ্বনি।।

কারো ভরসা করিসনে তুই

বাণী

		কারো ভরসা করিসনে তুই (ও মন) এক আল্লার ভরসা কর।
		আল্লা যদি সহায় থাকেন (ও তোর) ভাবনা কিসের, কিসের ডর।।
		রোগে শোকে দুঃখে ঋণে নাই ভরসা আল্লা বিনে রে
তুই		মানুষের সহায় মাগিস (তাই) পাস্‌নে খোদার নেক্‌-নজর।।
		রাজার রাজা বাদশাহ্‌ যিনি গোলাম হ তুই সেই খোদার,
		বড় লোকের দুয়ারে তুই বৃথাই হাত পাতিস্‌নে আর।
		তোর দুখের বোঝা ভারি হ’লে ফেলে প্রিয়জনও যায় রে চ’লে
সেদিন	ডাক্‌লে খোদায় তাঁহার রহম (ওরে) ঝরবে রে তোর মাথার ’পর।।

বরিষণ শেষে ডাকিয়া যূথীরে

বাণী

বরিষণ-শেষে ডাকিয়া যূথীরে কহিল মালতী-কলি — 
‘আমি দুলিব পিয়াল-কোলে পিয়া, পিয়া বলি’।।
	চাহিয়া বারেক রবিকরে
	তুমি বুঝিবে ধূলির ’পরে,
সৌরভ তব থরে থরে, তবু আসিবে না তব অলি।।
	সিক্ত বাতাসে চাঁদের আবেশে
	শ্বেত পুষ্পের স্নিগ্ধ সুবাসে,
প্রেম ও প্রীতির সুরভি-আকাশে — যূথী-দল প’ড়ে ঢলি’।।
বিদায়-বেলায় যূথিকা কহিল — বিলাতে আমি
			আসিনু ধরায় নামি’,
প্রেমের মিলন-বাসরে, আমারে যেয়ো গো দলি’।।

চম্‌’কে চম্‌’কে ধীর ভীরু পায়

বাণী

চম্‌’কে চম্‌’কে ধীর ভীরু পায়,
পল্লী–বালিকা বন–পথে যায় একেলা বন–পথে যায়।।
শাড়ি তার কাঁটা লতায়, জড়িয়ে জড়িয়ে যায়,
পাগল হাওয়াতে অঞ্চল ল’য়ে মাতে —
		যেন তার তনুর পরশ চায়।।
শিরীষের পাতায় নূপুর, বাজে তার ঝুমুর ঝুমুর,
কুসুম ঝরিয়া মরিতে চাহে তার কবরীতে,
		পাখী গায় পাতার ঝরোকায়।।
চাহি’ তা’র নীল নয়নে, হরিণী লুকায় বনে,
হাতে তা’র কাঁকন হ’তে মাধবী লতা কাঁদে,
		ভ্রমরা কুন্তলে লুকায়।।

পথ-ভোলা কোন্‌ রাখাল ছেলে

বাণী

	পথ-ভোলা কোন্‌ রাখাল ছেলে।
সে	এক্‌লা বাটে শূন্য মাঠে
		খেলে বেড়ায় বাঁশি ফেলে’।।
কভু	সাঁঝ-গগনে উদাস মনে
		চাহিয়া হেরে গো কারে,
হেরে	তারার উদয়, কভু চেয়ে রয়,
		সুদূর বন-কিনারে।
হেরে	সাঁঝের পাখি ফিরে গো যখন
		নীড়ের পানে পাখা মেলে’।।
তা’র	ধেনু ফিরে যায় গ্রামের পানে,
		আনমনে সে বসিয়া থাকে,
ঐ	সন্ধ্যাতারার দীপ যে জ্বালায়
		সে যেন কোথায় দেখেছে তাকে।
তার	নূপুর লুটায় পথের ধূলায়
		সে ফিরে নাহি চায়, কাহারে খোঁজে,
দূর	চাঁদের ভেলায় মেঘ-পরী যায়
		সে যেন তার ইশারা বোঝে।
সে	চির-উদাসী পথে ফেরে হায়
		সকল সুখে আগুন জ্বেলে।।