বাণী
কাল কাল ক’রে গেল কতকাল কালের নাহিক শেষ। কাল যাই যথা বন্ধু রে ল’য়ে যাব আমি সেই দেশ।।
নাটক : ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কাল কাল ক’রে গেল কতকাল কালের নাহিক শেষ। কাল যাই যথা বন্ধু রে ল’য়ে যাব আমি সেই দেশ।।
নাটক : ‘বিষ্ণুপ্রিয়া’
রাগঃ
তালঃ
অ্যগ্যর তুম রাধা হোতে শ্যাম। মেরি তরা বস আঠোঁ প্যহর তুম, রট্কে শ্যামকা নাম।। বন-ফুলকে মালা নিরালি বন্ যাতি নাগন কালি কৃষ্ঞ-প্রেমকী ভীক্ মাঙ্গনে আতে লাখ্ যনম্। তুম, আতে ইস্ বৃজধাম।। চুপ্কে চুপ্কে তুম্রে হিরদয় ম বসতা বন্সীওয়ালা, আওর, ধীরে ধীরে উস্কী ধূন সে ব্যঢ়তী মন্কি জ্বালা। পন-ঘটমে ন্যয়্যন বিছায়ে তুম্, র্যহতে আস্ ল্যগায়ে আওর, কালেকে সঙ্গ প্রীত ল্যগাকর্ হো জাতে বদনাম।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পাপে তাপে মগ্ন আমি জানি জানি তবু। পাপের চেয়ে তোমার ক্ষমা অনেক অধিক প্রভু।। শিশু যেমন সারা বেলায় ধূলা মাখে খেলার শেষে সন্ধ্যাবেলায় মাকে ডাকে, (ওগো) ধূলায় মলিন সে ছেলেরে মা কি ত্যাজে কভু।। তোমার ক্ষমা যে দেখেছে হে মোর প্রেমময়, অশেষ পাপে পাপী হলেও করে না সে ভয়। মুছবে তুমি তুমিই যদি মাখাও ধূলি কাঁদাও যদি তুমি নেবে কোলে তুলি, আমি তাই করি যা করাও তুমি হে লীলাময় প্রভু।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

আর অনুনয় করিবে না কেউ কথা কহিবার তরে আর দেখিবে না স্বপন রাতে গো কেহ কাদেঁ হাত ধ'রে। তব মুখ ঘিরে আর মোর দু' নয়ন ভ্রমরের মত করিবে না জ্বালাতন তব পথ আর পিছল হবে না আমার অশ্রু ঝরে'। তোমার ভুবনে পড়িবে না আর কোনদিন ছায়া মম তোমার পূর্ণ-চাদেঁর তিথিতে আসিব না রাহু-সম। আর শুনিবে না করুণ কাতর এই ক্ষুধাতুর ভিখারির স্বর শুনিবে না আর কাহারও রোদন রাতের আকাশ ভ'রে।।
রাগঃ
তালঃ
নাচে গৌরীদিবা হিম-গিরি-দুহিতা। নাচে দীপ্তিমতী নাচে উমা তপতী নাচে রে চির-আনন্দিতা।। তার কিরণ-আচল দোলে ঝলমল গিরি-পাষাণ অটল করে টলমল গলিয়া তুষার ঝরে নির্ঝর জল তার চরণ-ছন্দ-চকিতা।। তার নাচের মায়ায় প্রাণ পায় জড় জীব ভুলি’ বিরহ সতীর জাগে যোগীন্দ্র শিব, জাগে কুসুম-কলি গাহে বিহগ-অলি, তার রূপে ত্রিদিব হ’ল দীপন্বিতা।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

তোমার আকাশে উঠেছিনু চাঁদ, ডুবিয়া যাই এখন। দিনের আলোকে ভুলিও তোমার রাতের দুঃস্বপন।। তুমি সুখে থাক আমি চলে যাই, তোমারে চাহিয়া ব্যথা যেন পাই, জনমে জনমে এই শুধু চাই — না-ই যদি পাই মন।। ভয় নাই রাণী রেখে গেনু শুধু চোখের জলের লেখা, জলের লিখন শুকাবে প্রভাতে, আমি চলে যাব একা! ঊর্ধ্বে তোমার প্রহরী দেবতা, মধ্যে দাঁড়ায়ে তুমি ব্যথাহতা, — পায়ের তলার দৈত্যের কথা ভুলিতে কতক্ষণ।।
রাগঃ টোড়ি
তালঃ বৈতালিক
