কোকিল সাধিলি কি বাদ

বাণী

কোকিল, সাধিলি কি বাদ।
নিশি অবসান হল না মিটিতে সাধ।।
	মিলনের মোহ কেন
	ডাকিয়া ভাঙিলি হেন,
তুই রে সতিনী যেন — চন্দ্রাবলীর ফাঁদ।।
	সারা নিশি অভিমানে
	চাহিনি শ্যামের পানে,
জেগে দেখি কুহু-তানে — নাহি শ্যামচাঁদ।।
	ননদিনী কুটিলা কি
	পাঠায়েছে তোরে পাখি,
সুরের বাসরে ডাকি’ — আনিলি বিষাদ।।

শিউলি তলায় ভোর বেলায়

বাণী

শিউলি তলায় ভোর বেলায় কুসুম কুড়ায় পল্লী-বালা।
শেফালি পুলকে ঝ’রে পড়ে মুখে খোঁপাতে চিবুকে আবেশ-উতলা।।
		ঘোম্‌টা খুলিয়া তার পিঠে লুটায়
		শিথিল কবরী লুটিছে পায়,
নৃত্যের ভঙ্গে ফুল তোলে রঙ্গে, আধো আঁধার বন তার রূপে উজালা।।
নিলাজ পাঁয়জোরে তার ওঠে ঝঙ্কার রিনিঝিনি, মন কয় চিনি চিনি
		এ কি গো বন-দেবীর সতিনী
শিশির ধরে’ পায় আল্‌তার রঙ্‌ চায় পাখি তারি গান গায় বনে নিরালা।।

ঈদজ্জোহার তকবীর শোন ঈদ্গাহে

বাণী

ঈদজ্জোহার তকবীর শোন ঈদ্গাহে!
(তোর) কোরবানিরই সামান নিয়ে চল্ রাহে।।
কোরবানির রঙে রঙিন পর লেবাস্
পিরহানে মাখ্‌রে ত্যাগের গুল্-সুবাস,
হিংসা ভুলে প্রেমে মেতে
ঈদগাহেরই পথে যেতে দে মোবারকবাদ দ্বীনের বাদ্শাহে।।
খোদারে দে প্রাণের প্রিয়, শোন্ এ ঈদের মাজেরা
যেমন পুত্র বিলিয়ে দিলেন খোদার নামে হাজেরা,
	ওরে কৃপণ, দিস্‌নে ফাঁকি আল্লাহে।।
তোর পাশের ঘরে গরীব কাঙাল কাঁদছে যে
তুই তারে ফেলে ঈদ্গাহে যাস্ সঙ সেজে,
	তাই চাঁদ উঠ্ল, এলো না ঈদ্
	নাই হিম্মৎ, নাই উম্মিদ,
শোন্ কেঁদে কেঁদে বেহেশ্‌ত হ’তে হজরত আজ কি চাহে।।

টলমল্ টলমল্ টলে সরসী

বাণী

টলমল্ টলমল্ টলে সরসী
জল নিতে এলে কি গো ষোড়শী।।
হেরিয়া তোমার রাঙা পদতল
ফুটিল প্রেমের কুমুদ কমল
খেলিছে চঞ্চল তরঙ্গ-দল ল’য়ে তব কলসি।।
হেরি’তোমার নীলাম্বরী কাজল-আঁখি
হলোকাজ্‌লা দীঘির জল সুনীল না-কি!
হাতেশাপলা মৃণাল দিয়ে বাঁধে রাখি
নাচেলীলায়িত ঢেউ তব তনু পরশি’।।

ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ

বাণী

ঈদজ্জোহার চাঁদ হাসে ঐ এলো আবার দুস্‌রা ঈদ
কোর্‌বানি দে কোর্‌বানি দে শোন্‌ খোদার ফর্‌মান তাকিদ।।
এমনি দিনে কোর্‌বানি দেন পুত্রে হজরত ইব্‌রাহীম,
তেমনি তোরা খোদার রাহে আয় রে হবি কে শহীদ্।।
মনের মাঝে পশু যে তোর আজকে তা’রে কর্ জবেহ,
পুল্‌সেরাতের পুল হ’তে পার নিয়ে রাখ্ আগাম রসিদ্।।
গলায় গলায় মিল্ রে সবে ভুলে যা ঘরোয়া বিবাদ,
মিলনের ঈদগাহ্‌ গড়ে তোল্‌ প্রাণ দিয়ে তার তোল্‌ বুনিয়াদ।।
মিলনের আর্‌ফাত ময়দান হোক আজি গ্রামে গ্রামে,
হজের অধিক পাবি সওয়াব এক হ’লে সব মুসলিমে।
বাজবে আবার নূতন ক’রে দ্বীনি ডঙ্কা, হয় উমীদ্।।
ইসমাইলের মতন যদি কোর্‌বানি পারিস হতে
দেখব আবার তোদের মাঝে দিশারি মুসা, খালিদ।।

প্রেম নগরকা ঠিকানা করলে

বাণী

প্রেম নগরকা ঠিকানা করলে প্রেম নগরকা ঠিকানা।
ছোড় করিয়ে দোদিন কা ঘর ওহি রাহপে জানা।।
	দুনিয়া দওলত হ্যায় সব মায়া
	সুখ দুখ দো হ্যায় জগ কা কায়া
দুখকো তু প্রেম সে গলে লাগালে আগে না পছতানা।।
	আতি হ্যায় যব রাত আঁধেরি
	ছোড় তু মায়া বন্ধন-ভারি
প্রেম নগর কি কর তৈয়ারি, আয়া হ্যায় পরোয়ানা।।