বাণী
সুনয়না চোখে কথা ক’য়ে যায় বনের রানী, দুটি ফুলে শুনি নয়ন ফাঁকে প্রাণ লুকিয়ে চায়॥ দেহ দেউলে, দুটি দীপ দুলে হেরি সারা অন্তর তায়॥
রাগ ও তাল
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ আদ্ধা
সুনয়না চোখে কথা ক’য়ে যায় বনের রানী, দুটি ফুলে শুনি নয়ন ফাঁকে প্রাণ লুকিয়ে চায়॥ দেহ দেউলে, দুটি দীপ দুলে হেরি সারা অন্তর তায়॥
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ আদ্ধা
কে নিবি মালিকা এ মধু যামিনী, আয় লো যুবতী কুল কামিনী॥ আমার বেল ফুলের মালা গুণ জানে গো, পরবাসী বঁধুকে ঘরে আনে গো। আমার মালার মায়ায় ভালোবাসা পায় কেঁদে কাটায় রাতি যে অভিমানিনী॥ আমি রূপের দেশের মায়া পরী, (সেই) আমার মালার গুণে কুরূপা যে সে হয় সুন্দরী। যে চঞ্চলে অঞ্চলে বাঁধিতে চায়, যার নিঠুর বঁধু সদা পালিয়ে বেড়ায়। আমার মালার মোহে ঘরে রহে সে ফোটে মলিন মুখে হাসির সৌদামিনী॥
রাগঃ
তালঃ দ্রুত-দাদ্রা

লহ রাজ রাজ, আনিয়াছি মালা। আনিয়াছি মালা, ভরি’ তনু-ডালা।। এনেছি ছলছল নয়ন-পাতে প্রেম-সুধা-রস মালার সাথে, অধরে অনুরাগ-রাঙা পিয়ালা।। এনেছি প্রীতির মালতী-বকুল রস টলমল রূপের মুকুল, (যেন) বৃথা না যায় শুভলগ্ন নিরালা।।
নাটক : ‘অর্জুন বিজয়’
রাগঃ
তালঃ
রুম্ ঝুম্ বাদল আজি বরষে আকুল শিখি নাচে ঘন দরশে॥ বারির দরশনে আজি ক্ষণে ক্ষণে নব নীরদ শ্যাম রূপে পড়ে মনে না-জানি কোন্ দেশে কোন্ প্রিয়া সনে রয়েছে ভুলিয়া নটবর সে॥
রাগঃ নট-মল্লার
তালঃ ত্রিতাল

আয় বনফুল ডাকিছে মলয় এলোমেলো হাওয়ায় নূপুর বাজায় , কচি কিশলয়।। তোমরা এলে না ব'লে - ভোমরা কাদেঁ অভিমানে মেঘ ঢাকিল চাদেঁ 'ভুল বঁধু ভুল' টুলটুলে মৌটুসি বুলবুলে কয়।। কুহু যামিনীর তিমির টুটে মুহু মুহু কুহু কুহরি ওঠে। হে বন-কলি, গুণ্ঠন খোলো হে মৃদুলজি্জিতা, লজ্জা ভোলো, কোথা তার দুল দোলে নটিনী তটিনী খুজেঁ বনময়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ফুলমালিনী! এনেছ কি মালা। এনেছ কি মালা, ভরি’, তনু-ডালা।। এনেছ পসারিণী নয়ন-পাতে প্রেমসুধা-রস মালারই সাথে, অধরের অনুরাগ রাঙা-পেয়ালা।। এনেছ প্রীতির মালতী বকুল, রসে টলমল রূপের মুকুল। গাঁথ পরান মম তব ফুলহারে মালার বিনিময়ে লহ আমারে, বৃথা না যায় শুভ লগ্ন নিরালা।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ কাহার্বা
