ফিরি পথে পথে মজনুঁ দীওয়ানা হয়ে

বাণী

	ফিরি পথে পথে মজনুঁ দীওয়ানা হয়ে।
	বুকে মোর এয়্ খোদা তোমারি এশ্‌ক ল’য়ে।।
	তোমার নামের তস্‌বিহ্‌ ল’য়ে ফিরি গলে
	দুনিয়াদার বোঝে না মোরে পাগল বলে,
	ওরা চাহে ধনজন, আমি চাহি প্রেমময়ে।।
	আছ সকল ঠাঁয়ে শু’নে বলে সবে
	এমনি চোখে তোমার দিদার কবে হবে
আমি	মনসুর নহি যে পাগল হব ‘আনাল্ হক’ ক’য়ে।।
	তোমার হবিবের আমি উম্মত্ এয়্ খোদা
	তাই ত দেখিতে তোমায় সাধ জাগে সদা,
আমি	মুসা নহি যে বেহোঁশ্ হয়ে পড়ব ভয়ে।।
	তোমারি করুণায় যাবই তোমায় জেনে
	বসাব মোর হৃদে তোমার আর্শ এনে,
আমি	চাই না বেহেশ্‌ত, র’ব বেহেশ্‌তের মালিক ল’য়ে।।

মধুকর মঞ্জির বাজে

বাণী

মধুকর মঞ্জির বাজে বাজে
		গুন্‌ গুন্‌ মঞ্জুল গুঞ্জরণে।
মৃদুল দোদুল নৃত্যে
		বন শবরী মাতে কুঞ্জবনে।।
বাজাইছে সমীর দখিনা
পল্লবে মর্মর বীণা,
বনভুমি ধ্যান–আসীনা
		সাজিল রাঙা কিশলয়–বসনে।।
ধূলি ধূসর প্রান্তর পরেছিল গৈরিক সন্ন্যাস–সাজ
নব–দূর্বাদল শ্যাম হলো আনন্দে আজ।
লতিকা–বিতানে ওঠে ডাকি’
মুহু মুহু ঘুমহারা পাখি
নব নীল অঞ্জন মাখি’
		উদাসী আকাশ হাসে চাঁদের সনে।।

আমার উমা কই গিরিরাজ

বাণী

আমার উমা কই গিরিরাজ, কোথায় আমার নন্দিনী।
এ যে দেবী দশভুজা এ কোন্ রণ-রঙ্গিণী॥
	মোর লীলাময়ী চঞ্চলারে ফেলে
	এ কোন দেবীমূর্তি নিয়ে এলে,
এ যে মহীয়সী মহামায়া বামা মহিষ-মর্দিনী॥
মোর মধুর স্নেহে জ্বালতে আগুন আন্‌লে কারে ভুল ক’রে,
এরে কোলে নিতে হয় না সাহস ডাকতে নারি নাম ধ’রে।
	কে এলি মা দনুজ-দলন বেশে
	কন্যারূপে মা ব’লে ডাক হেসে হেসে,
তুই চিরকাল যে দুলালী মোর মাতৃস্নেহে বন্দিনী॥

আঁচলে হংস-মিথুন আঁকা

বাণী

আঁচলে হংস-মিথুন আঁকা
		বলাকা-পে’ড়ে শাড়ি দুলায়ে।
চলিছে কিশোরী শ্যামা একা
		রুমুঝুমু বাজে নূপুর মৃদু পায়ে।।
ভয়ে ভয়ে চলে আধো-আঁধারে
বিরহী বন্ধুর দূর অভিসারে,
পথ কাঁদে যেয়ো না যেয়ো না যেয়ো না ওগো
		থামো ক্ষণেক এ ঠাঁয়ে।।

রাই বিনোদিনী দোলো ঝুলন দোলায়

বাণী

রাই বিনোদিনী দোলো ঝুলন দোলায়॥
একা লাগে না ভালো
সাথে এসে দোলো শ্যামরায়॥
রাঙা চরণ দেখিতে পাব বলে
ওগো দাঁড়াইয়া এই তরুতলে
শ্যাম বাঁধিয়া বাহু ডোরে
আশ্রয় দাও মোরে একা বড় ভয় পায়॥

চলচ্চিত্রঃ ‘বিদ্যাপতি’

মা গো আমায় শিখাইলি কেন আল্লা নাম

বাণী

মা গো আমায় শিখাইলি কেন আল্লা নাম।
নাম জপিলে আর হুঁশ থাকে না, ভুলি সকল কাম।।
লোকে বলে, আল্লাতালায় যায় না নাকি পাওয়া
ও-নাম জপিলে প্রাণে কেন বহে দখিন হাওয়া।
ও-নাম জপিলে হিয়ার মাঝে কেন এত ব্যথা বাজে,
কে তবে মা আমার বুকে কাঁদে অবিরাম।।
পুরুষরা সব মস্‌জিদে যায় আমি ঘরে কাঁদি
কে যেন কয় কানের কাছে তুই যে আমার বাঁদি —
			তাই ঘরে রাখি বাঁধি’।
মা গো আমার নামাজ রোজা খোদায় ভালোবাসা
ঐ নাম জপিলেই মেটে আমার বেহেশ্‌তের পিয়াসা,
শত ঈদের চাঁদও দিতে নারে আল্লাহ্ নামের দাম।।