তুমি চ’লে যাবে দূরে লায়লী

বাণী

(হায়) 	তুমি চ’লে যাবে দূরে লায়লী তব মজনু কাঁদিবে একা।
	বুঝি পাব না তোমায় জীবনে বুঝি এই নিয়তির লেখা।।

নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’

মাগো আমি মন্দমতি

বাণী

	মাগো আমি মন্দমতি তবু যে সন্তান তোরই
(হায়)	পুত্র বেড়ায় কাঙাল বেশে মা যার ভূবনেশ্বরী।।
		তুই যে এত হানিস হেলা
	(তবু)	তোকেই ডাকি সারা বেলা
	মার খেলে মা’র শিশুর মত মাগো তোকেই জড়িয়ে ধরি।।
	মা হয়ে তুই কেমন করে কোল থেকে তোর দিলি ফেলে
	(মাগো)	কেন দিলি ধুলায় ফেলে?
	(আমি)	মন্দ এত হতাম না মা মায়ের স্নেহ-সুধা পেলে।
	(মা)	তোর উপরে অভিমানে দু’চোখ যায় যেদিক পানে
	সেই দিকে তাই ধাই মা এখন মরণ-বাঁচন ভয় না করি।।

টারালা টারালা টারালা টা টারালা

বাণী

	টারালা টারালা টারালা টা টারালা টারালোল্লা
নাচে	শুটকী শুকনো সাহেবকে ধ'রে মুটকি মিস আরসোল্লা।
		হা-হা- হা-হা- হা।।
	খুরওয়ালা জুতা পরে খটখট ঠেংরী নাড়ে
	চাবুক খেয়ে জোড়া ঘোড়ায় যেন পেছলি ঝাড়ে!
দেখে	পাদ্রি, পুরুত, মোল্লা বাবাজী কাছা খোল্লা।
		আর বাবাজী কাছা খোল্লা।।
দেখে	আণ্ডাওয়ালা ভাবে বুঝি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	গণ্ডার মার্কা ষণ্ডা বিবি খেল ডাণ্ডাগুলি
হা	ভাব-আবেশের নয়ন তাহার হলো নয়ান ঝুলি;
	নেকু বাবুর ঢেকুর ওঠে পেটে মেকুর আচড়ায়!
	কাল্লু ভাবে মেম পালোয়ান সাহেবকে বুঝি পাছড়ায়। ( হায় হায় হায়)
	যতো কাবলিওয়ালা মাউড়া সব হো গিয়া ভাই বাউড়া
	মোষের গাড়োয়ান প্রেম-রসে হলো রসগোল্লা।।

ফিরে নাহি এলে প্রিয় ফিরে এলো বরষা

বাণী

ফিরে নাহি এলে প্রিয় ফিরে এলো বরষা।
মুঞ্জরিল বনে বিরহিণী লতিকা —
আমারি আশালতা হ'লো না গো সরসা।।

নিশীথ রাতে ডাক্‌লে আমায়

বাণী

নিশীথ রাতে ডাক্‌লে আমায়, কে গো তুমি কে?
কাঁদিয়ে গেলে আমার মনের বনভূমিকে,
		কে গো তুমি কে।।
	তোমার আকুল করুণ স্বরে
	আজকে তা’রেই মনে পড়ে,
এম্‌নি রাতে হারিয়েছি যে হৃদয়-মণিকে।।
দুয়ার খু’লে চেয়ে আছি১ তারার পানে দূরে,
আর একটিবার ডাকো ডাকো তেম্‌নি করুণ সুরে।
	একটি কথা শুন্‌ব ব’লে
	রাত কেটে যায় চোখের জলে,
দাও সাড়া দাও, জাগিয়ে তোলো আঁধার পুরীকে।।

১. থাকি

মোর গানের কথা যেন আলোকলতা

বাণী

মোর গানের কথা যেন আলোকলতা, যেন স্বর্ণলতা।
মূল নাই ফুল নাই আছে শুধু বনের বিহ্বলতা।।
	আকাশ-বনস্পতি জড়ায়ে
	ধরণীর বুকে পড়ে গড়ায়ে,
কখন কি আবেশে কার কথা ভাবে সে — কে জানে কেন অযথা।।
রহে কারো বক্ষে, রহে কারো চক্ষে বিরহের অশ্রুজলে,
কণ্ঠলগ্না কারো রহে সে গীত-কলি মুঞ্জরে অধরতলে।
	রাখি হয়ে কারও হাতে বাঁধে সে
	কাহারও চরণতলে কাঁদে সে,
সুরে সুরে গুঞ্জিত ও-যেন পূঞ্জিত — অকারণ মৌন ব্যথা।।