বাণী
ফুলবনে যদি বসন্ত এলো মনবনে নাহি এলো, কেন মনবনে নাহি এলো।। বিবশা এ হিয়া উঠিছে রাঙিয়া মধুর পরশন মাগিয়া, ফুরাবে সবই কি, বিফল-চাওয়া চাহিয়া।। তৃষিত এ প্রাণ চাহে যাহারে গগন-পারে খোঁজে তাহারে, অ-ধরা কি রবে পিয়া রে।।
রাগ ও তাল
মিশ্র সুর
তালঃ কাহার্বা
ফুলবনে যদি বসন্ত এলো মনবনে নাহি এলো, কেন মনবনে নাহি এলো।। বিবশা এ হিয়া উঠিছে রাঙিয়া মধুর পরশন মাগিয়া, ফুরাবে সবই কি, বিফল-চাওয়া চাহিয়া।। তৃষিত এ প্রাণ চাহে যাহারে গগন-পারে খোঁজে তাহারে, অ-ধরা কি রবে পিয়া রে।।
মিশ্র সুর
তালঃ কাহার্বা
আমি গো-রাখা রাখাল। যারা গোপের মতন চির-সরলমন — তাদেরি সাথে আমি খেলি চিরকাল গো।। নয়ন বুঁজে ধ্যানী আমারে খুঁজে যে গিরি-গুহায়, (সেই) গিরি ধরিয়া রহি গিরিধারী ওরা দেখিতে না পায়। আমি নন্দ-লালার বেশে কাছে আসি মৃদু হেসে, ওরা ভাবে হরি শুধু বিপুল বিশাল।। (ওরা প্রেম যে পায়নি, ওরা সহজে গোপীর মত ভালোবেসে চায়নি প্রেম যে পায়নি!)
নাটক : ‘অর্জুন-বিজয়’
রাগঃ
তালঃ
নহে নহে প্রিয় এ নয় আঁখি-জল মলিন হয়েছে ঘুমে চোখের কাজল।। হেরিয়া নিশি-প্রভাতে শিশির কমল-পাতে ভাব বুঝি বেদনাতে ফুটেছে কমল।। এ শুধু শীতের মেঘে কপট কুয়াশা লেগে’ ছলনা উঠেছে জেগে’ এ নহে বাদল।। কেন কবি খালি খালি হ’লি রে চোখের বালি কাঁদাতে গিয়া কাঁদালি নিজেরে কেবল।।
রাগঃ দূর্গা (বিলাবল ঠাট)
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ
শিল্পীঃ সোমা ফারাহ

আজি গানে গানে ঢাক্ব আমার গভীর অভিমান। কাঁটার ঘায়ে কুসুম ক’রে ফোটাব মোর প্রাণ।। ভুলতে তোমার অবহেলা গান গেয়ে মোর কাট্বে বেলা, আঘাত যত হান্বে বীণায় উঠ্বে তত তান।। ছিড়লে যে ফুল মনের ভুলে আমি গাঁথব মালা সেই ফুলে, (ওগো) আস্বে যখন বন্ধু তোমার কর্ব তা’রে দান।। (আজি) কথায় কথায় মিলায়ে মিল কবি রে, তোর ভরল কি দিল্, তোর শূন্য হিয়া, শূন্য নিখিল মিল পেল না প্রাণ।।
রাগঃ পিলু-খাম্বাজ
তালঃ কাহার্বা

কেঁদে যায় দখিন-হাওয়া ফিরে ফুল-বনের গলি। ‘ফিরে যাও চপল পথিক’, দু’লে কয় কুসুম-কলি। দু’লে কয় কুসুম-কলি॥ ফেলিছে সমীর দীরঘ শ্বাস — আসিবে না আর এ মধুমাস, কহে ফুল, ‘জনম জনম এমনি গিয়াছ ছলি’। জনম জনম গিয়াছ ছলি’॥ কাঁদে বায়, ‘নিদাঘ আসে আমি যাই সুদূর বাসে’, ফুটে ফুল হাসিয়া ভাসে, ‘প্রিয়তম যেয়োনা চলি’। ওগো প্রিয়তম যেয়োনা চলি’॥
রাগঃ সিন্ধু-ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
১। চন্দ্রবিন্দুঃ সিন্ধু-কাফি, ঠুমরী
২। বনগীতিঃ সিন্ধু-ভৈরবী, তালঃ কাহার্বা

ব্রজে আবার আসবে ফিরে আমার ননী-চোরা আর কাঁদিস্নে গো তোরা। স্বভাব যে ওর লুকিয়ে থেকে কাঁদিয়ে পাগল করা — আর কাঁদিস্নে গো তোরা। আমি যে তার মা যশোদা সে আমারেই কাঁদায় সদা, যেই কাঁদি সে যায় যে ভুলে বনে বনে ঘোরা॥ মথুরাতে আমার গোপাল রাজা হ’ল নাকি, যেখানে যায়, সে রাজা হয় (তোরে) ভুল দেখেনি আঁখি। সে রাজা যদি হয়েই থাকে তাই ব’লে কি ভুলবে মাকে, আমি হব রাজ-মাতা, তাই ওর রাজবেশ পরা॥
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
