বঁধু হে বঁধু ফিরে এসো

বাণী

বঁধু হে
বঁধু ফিরে এসো আজো প্রাণের প্রদীপ রেখেছি আঁচল ঢেকে
বিরহ নিশাসে দীরঘ বাতাসে কেঁপে ওঠে থেকে থেকে।
আর রাখতে নারি, নিবু নিবু দীপ রাখতে নারি
বুঝি আমার পরান প্রদীপ নিভাবে আমারি নয়ন বারি।
বঁধু যমুনারি তীরে আসি ফিরে ফিরে কাঁদি কদম তরু তলে
হেরি বালুচরে বেণু আছে পড়ে ডাকে না আর রাধা বলে।
অভিমানে বাঁশি আমার বুকে আসি’ কেঁদে কেঁদে কহে যেন গো
হরি আরাধিকা রাধিকা এলে যদি শ্রীহরি এলো না কেন গো।
পায়ে পড়ে কাঁদে এসে যমুনারি ঢেউ
বলে রাধা রাধা বলে আর ডাকে না তো কেউ।
জটিলা কুটিলা আজ কলহ ভুলে জড়াইয়া মোরে কাঁদে যমুনা কূলে।
বলে কৃষ্ণ কই লো প্রলয়েরি কালে আর লইব কার নাম।
এই বিরহ যমুনা পার হব কবে বল হে বিরহী মম
গেলে কোন সে গোলকে রহিবে চোখে চোখে
প্রিয়তম হে কৃষ্ণ আঁখি তারা সম।।

প্রদীপ নিভায়ে দাও উঠিয়াছে চাঁদ

বাণী

প্রদীপ নিভায়ে দাও, উঠিয়াছে চাঁদ।
বাহুর ডোর আছে, মালায় কি সাধ।।
ফুল আনিও না ভবনে
কেশের সুবাস তব ঘনাক মনে,
হৃদয়ের লাগি মোর হৃদয় কাঁদে চন্দন লাগে বিস্বাদ।।
খোলো গুণ্ঠন, ফেলে দাও আভরণ,
হাতে রাখ হাত, তোলো আনত নয়ন।
বাহিরে বহুক বাতাস
বক্ষে লাগুক মোর তব ঘন শ্বাস,
চম্পার ডালে ব’সে মোদেরে দেখে,
কুহু আর পাপিয়ায় করুক বিবাদ।।

১. বাহু-বন্ধন

এরি লাগি তপস্যা কি করে

বাণী

এরি লাগি তপস্যা কি করে আঁধার রাতি।।
সই দেখলো চেয়ে রূপ-সায়রে জ্বলে এ কোন্ বাতি
লক্ষ চাঁদের জোছনা হেথা কে রেখেছে পাতি’?

নাটক : ‘মধুমালা’ (স্বপনপরীর গান)

আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ওই

বাণী

আকাশে হেলান দিয়ে পাহাড় ঘুমায় ওই।
ওই পাহাড়ের ঝর্না আমি, ঘরে নাহি রই গো
				উধাও হ’য়ে বই।।
চিতা বাঘ মিতা আমার গোখ্‌রো খেলার সাথি
সাপের ঝাঁপি বুকে ধ’রে সুখে কাটাই রাতি
ঘূর্ণি হাওয়ার উড়্‌নি ধ’রে নাচি তাথৈ থৈ গো ‘আমি’
				নাচি তাথৈ থৈ।।

চলচ্চিত্র: ‌‘সাপুড়ে’

আজ সকালে সূর্য ওঠা সফল হলো মম

বাণী

আজ সকালে সূর্য ওঠা সফল হলো মম
ঘরে এলে ফিরে পরবাসী প্রিয়তম।।
	আজ প্রভাতের কুসুমগুলি
	সফল হলো ডালায় তুলি'
সাজির ফুলে আজ এ মালা হবে অনুপম।।
এতদিনে সুখের হলো প্রভাতী শুকতারা
ললাটে মোর সিঁদুর দিলো ঊষার রঙের ধারা।
	আজকে সকল কাজের মাঝে
	আনন্দেরই বীনা বাজে
দেবতার বর পেয়েছি আজ তপস্বিনীর সম।।

গগনে খেলায় সাপ বরষা-বেদিনী

বাণী

	গগনে খেলায় সাপ বরষা-বেদিনী।
	দূরে দাঁড়ায়ে দেখে ভয়-ভীতা মেদিনী।।
	দেখায় মেঘের ঝাপি তুলিয়া
	ফনা তুলি’ বিদ্যুৎ-ফণি ওঠে দুলিয়া,
	ঝড়ের তুব্‌ড়িতে বাজে তার অশান্ত রাগিণী।।
	মহাসাগরে লুটায় তার সর্পিল অঞ্চল
	দিগন্তে দুলে তার এলোকেশ পিঙ্গল
	ছিটায় মন্ত্রপূত ধারাজল অবিরল তন্বী-মোহিনী।।
	অশনি-ডমরু ওঠে দমকি’
	পাতালে বাসুকি ওঠে চমকি’
তার 	ডাক শুনে ছুটে আসে নদীজল যেন পাহাড়িয়া নাগিনী।।