কিশোরী সাধিকা রাধিকা শ্রীমতী

বাণী

কিশোরী সাধিকা রাধিকা শ্রীমতী।
চির-কিশোর আরাধিকা শ্রীমতী।।
	কমলা গোলোকে
	গোপিনী ভুলোকে,
সেবিকা প্রকৃতি পরমা তপতী।।
	শ্যাম ভুবন কালো
	রাই অরুণ আলো,
হরি পূজারিণী প্রেম মূর্তিমতী।।
	ব্রজধাম বাসিনী
	লীলা বিলাসিনী,
শ্যাম নাম ভাষিণী বিরহ ভারতী।।
	শ্যাম মেঘ গলে
	রাই বিজলি দোলে,
শ্যাম পত্র কোলে রাই ফুল আরতি।।
	লয়ে যাঁহার নাম
	হরি হন রাধা শ্যাম,
সুর নর অবিরাম করে যাঁর প্রণতি।।

প্রিয়তম এত প্রেম দিও না গো সহিতে পারি না আর

বাণী

প্রিয়তম, এত প্রেম দিও না গো সহিতে পারি না আর
তটিনীর বুকে ঝাঁপায়ে পড়িলে কেন মহা- পারাবার।।
	তোমার প্রেমের বন্যায় বঁধু, হায়!
	দুই কুল মোর ভাঙিয়া ভাসিয়া যায়;
আমি নিজেরে হারাতে চাহিনি, বন্ধু; দিতে চেয়েছিনু হার।।
তুমি চাহ বুঝি তুমি ছাড়া আর রহিবে না মোর কেউ,
তাই কি পরানে তুফান তোলে গো এত রোদনের ঢেউ।
	দেহ ও মনের সীমা ছাড়াইয়া মোরে
	কোথায় নিয়ে যেতে চাও মোর হাত ধরে
বলো কোন মধু বনে শেষ হবে বঁধু আমাদের অভিসার।।

ঝাঁকড়া-চুলো তালগাছ তুই দাঁড়িয়ে কেন

বাণী

ঝাঁকড়া-চুলো তালগাছ তুই দাঁড়িয়ে কেন ভাই।
আমার মত পড়া কি তোর মুখস্থ হয় নাই।।
	আমার মত একপায়ে ভাই
	দাঁড়িয়ে আছিস্‌ কান ধ’রে ঠায়,
একটুখানি ঘুমোয় না তোর পণ্ডিত মশাই।।
	মাথায় তুলে পাত্‌তাড়ি তোর
	কি ছাই বকিস্‌ বকর বকর,
আম্‌তা আম্‌তা করে নাম্‌তা পড়িস্‌ কি সদাই।।
	তালগাছ তোর পাতার কোলে
	বাবুই পাখির বাসা ঝোলে,
কোচড়-ভরা মুড়ি যেন, দেনা দুটি খাই।।
	পাখিরা তোর মাথায় এসে
	উড়ে এসে জুড়ে বসে,
ঠুক্‌রে ওরা দেয় কি মাথায় পাতা নাড়িস্‌ তাই।।

আল্লাহ্‌ রসুল জপের গুণে

বাণী

	আল্লাহ্‌ রসুল জপের গুণে কি হ'ল দেখ চেয়ে —
সদা	ঈদের দিনের খুশিতে তোর পরাণ আছে ছেয়ে।।
		আল্লাহ্‌র রহমত ঝরে
		ঘরে বাইরে তোর উপরে,
	আল্লাহ্‌ রসুল হয়েছেন তোর জীবন-তরীর নেয়ে।।
	দুখে সুখে সমান খুশি নাই ভাবনা ভয়,
তুই	দুনিয়াদারী করিস তবু আল্লাহ্‌তে মন রয়।
		মরণকে আর ভয় নাই তোর,
		খোদার প্রেমে পরাণ বিভোর,
	তিনি দেখেন তোর সংসার, তোরই ছেলেমেয়ে।।

আমি বাণিজ্যেতে যাব এবার

বাণী

আমি	বাণিজ্যেতে যাব এবার মদিনা শহর।
আমি	এদেশে হায় গোনাহ্গারি ছিলাম জীবন ভর।।
	পাঞ্জেগানার বাজার যেথা বসে দিনে রাতে
	দু’টি টাকা ‘আল্লাহ্’ ‘রসুল’ পুঁজি নিয়ে হাতে,
কত	পথের ফকির সওদা ক’রে হ’ল সওদাগর।।
সেথা	আজান দিয়ে কোরান প’ড়ে ফিরিওয়ালা হাঁকে
	বোঝাই ক’রে দৌলত দেয়, যে সাড়া দেয় ডাকে
ওগো	জানেন তাহার পাকে কা’বা খোদার অফিস্-ঘর।।
	বেহেশ্‌তে রোজগারের পরে ছাড়পত্র পায়,
	পায় সে সাহস ঈমান-জাহাজ যদি ডুবে’ যায়।
ওগো	যেতে খোদার খাস্-মহলে পায় সে সিল্‌মোহর।।

পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া

বাণী

পিয়াল তরুতে হেরিয়াছিল প্রিয়া তোমার দীঘল তনু।
ফুল-ভারনত শাখাতে তাহার বাঁকা তব ভুরু-ধনু।।

নাটিকা: ‘লায়লী-মজনু’ (মজনু গান)