ঘন দেয়া গরজায় গো

বাণী

ঘন দেয়া গরজায় গো — কেঁদে ফেরে পূবালী বায়।।
একা ঘরে মম ডর লাগে, কার বিধুর স্মৃতি মনে জাগে,
বারি ধারে কাঁদে চারিধার, সে কোথায় আজি সে কোথায়।।
গগনে বরষে বারি, তৃষ্ণা গেল না তবু আমারি,
কোন্‌ দূর দেশে প্রিয়তম এ বিধুর বরষায়।।

দে জাকাত দে জাকাত তোরা

বাণী

	দে জাকাত, দে জাকাত, তোরা দে রে জাকাত।
	তোর দিল্‌ খুলবে পরে ওরে আগে খুলুক হাত।।
	দেখ পাক্‌ কোরআন শোন্‌ নবীজীর ফরমান
	ভোগের তরে আসেনি দুনিয়ায় মুসলমান।
তোর	একার তরে দেননি খোদা দৌলতের খেলাত।।
তোর	দর্‌ দালানে কাঁদে ভুখা হাজারো মুসলিম
আছে	দৌলতে তোর তাদেরও ভাগ, বলেছেন রহিম।
	বলেছেন রহমানুর রহিম, বলেছেন রসুলে করিম।
	সঞ্চয়ে তোর সফল হবে পাবি রে নাজাত।।
	এই দৌলত বিভব রতন যাবে না তোর সাথে
	হয়তো চেরাগ জ্বলবে না তোর গোরে শবেরাতে।
	এই জাকাতের বদলাতে পাবি বেহেশ্‌তী সওগাত।।

গিন্নির চেয়ে শালী ভালো

বাণী

গিন্নির চেয়ে শালী ভালো মেসোর চেয়ে মামা।
আর ডাইনের চেয়ে ডুগি ভালো অর্থাৎ কিনা বামা।।
একশালা সে দোশালা আচ্ছা, চন্ডুর চেয়ে গাঁজা,
আর হাতের চেয়ে ভালো, তেনার হাতদিয়ে পান সাজা,
আর ধাক্কার চেয়ে গুঁতো ভালো, উকোর চেয়ে ঝামা।।
টিকির চেয়ে বেণী ভালো, ধূতির চেয়ে শাড়ি,
আর পাঠার চেয়ে মুরগি ভালো, থানার চেয়ে ফাঁড়ি
ঠুঁটোর চেয়ে নুলো ভালো, প্যান্ট চেয়ে পায়জামা।।
আর পেয়াদার চেয়ে যম ভালোরে (ভাই), শালের চেয়ে বাঁশ,
আর দাঁড়ির চেয়ে গোফ্ ভলো ভাই আঁটির চেয়ে শাঁস,
আর ছেলের চেয়ে ছালা ভালো (ওগো), ঝুড়ির চেয়ে ধামা।।
পাকার চেয়ে কাঁচা ভালো, কালোর চেয়ে ফরসা
আর পেত্‌নীর চেয়ে ভূত ভালো ভাই, ছাড়বার থাকে ভরসা,
আর ঝগ্‌ড়ার চেয়ে কুস্‌তি ভালো, কাল্লুর চেয়ে গামা।।

নূপুর মধুর রুনুঝুনু বোলে

বাণী

নূপুর মধুর রুনুঝুনু বোলে।
মন-গোকুলে রুনুঝুনু বোলে।।
	কূলের বাঁধন টুটে,
	যমুনা উথলি' ওঠে,
পুলকে কদম ফোটে পেখম খোলে
	শিখী পেখম খোলে।।
ব্রজনারী কুল ভুলে'
	লুটায় সে পদমুলে
চোখে জল, বুকে প্রেম- তরঙ্গ দোলে।।
	শ্রীমতি রাধারই সাথে
	বিশ্ব ছুটেছে পথে,
হরি হরি ব'লে মাতে ত্রিভুবন ভোলে।
	নামে ত্রিভুবন ভোলে।।

কেন ফোটে কেন কুসুম ঝ'রে যায়

বাণী

কেন ফোটে কেন কুসুম ঝ'রে যায়!
মুখের হাসি চোখের জলে ম'রে যায়, হায়।।
নিশীথে যে কাঁদিল প্রিয় ব'লে
হায় নিশি-ভোরে সে কেন হায় স'রে যায়।।
হায় আজ যাহার প্রেম করে গো রাজাধিরাজ
কাল কেন সে চির-কাঙাল ক'রে যায়।।
মান-অভিমান খেলার ছলে
ফেরে না আর যে যায় চ'লে
মিলন-মালা মলিন ধূলায় ভ'রে যায়।।

আমি নিজেরে আড়াল রাখি

বাণী

আমি নিজেরে আড়াল রাখি, বঁধু সারাদিন গৃহ-কাজে।
হাসে গুরুজন আশেপাশে তাই চাহিতে পারি না লাজে।।
	ওগো প্রিয় তুমি অহরহ
	কেন বাহির ভবনে রহ?
তব মৌন এ অভিমান বুকে কাঁটার মতন বাজে।।
আমি তোমারি ঘরের বধূ, বঁধু এ-লাজ তোমারি লাগি’,
আমি দিনের কুমুদ কলি, ওগো চাঁদ আমি রাতে জাগি।
	মোর দেহ গৃহ-কাজ করে
	তব পায়ে থাকে মন প’ড়ে,
মোর লাজ-গুণ্ঠন টানি’ লাজ দিও না সভার মাঝে।।