সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা পথে এসো

বাণী

সঙ্ঘ শরণ তীর্থযাত্রা-পথে এসো মোরা যাই।
সঙ্ঘ বাঁধিয়া চলিলে অভয় সে পথে মৃত্যু নাই।।
সঙ্ঘবদ্ধ হইলে তাদের সাথে,
ঐশী শক্তি সহায় হইয়া চলে হাত রেখে হাতে
সঙ্ঘবদ্ধ হইলে সারথি ভগবানে মোরা পাই।।
সঙ্ঘ শক্তি আসিলে সর্ব ক্লৈব্য হইবে লীন,
চল্লিশ কোটি মানুষ এই ভারতে
ভিন্ন হইয়া ডাকি ঠাঁই ঠাঁই, তাই মোরা পরাধীন।
মোরা সঙ্ঘবদ্ধ হই যদি একবার
জাতি ও ধর্ম ভেদ রবে নাকো আর
পাব সাম্য, শান্তি, অন্ন, বস্ত্র পুনঃ সবাই।।

পরান-প্রিয় কেন এলে অবেলায়

বাণী

পরান-প্রিয়! কেন এলে অবেলায়
শীতল হিমেল বায়ে ফুল ঝ’রে যায়।।
	সেদিনও সকাল বেলা
	খেলেছি কুসুম–খেলা,
আজি যে কাঁদি একেলা ভাঙ্গা এ মেলায়।।

কৃষ্ণ কৃষ্ণ বল্ রসনা

বাণী

কৃষ্ণ কৃষ্ণ বল্ রসনা রাধা রাধা বল্,
রাধাকৃষ্ণ রাধাকৃষ্ণ রাধাকৃষ্ণ বল্।।
যোগে খোঁজেন শিব কৃষ্ণ-গোবিন্দে
ব্রহ্মা পূজেন রাধা-চরণারবিন্দে,
অধরা যুগল চাঁদে ধরিল প্রেমের ফাঁদে গোপ গোপীদল।।
(মোর) শ্রীকৃষ্ণে থাকে যেন অটল মতি
সেই মতি দেন্ মোর রাধা শ্রীমতী,
মন-বৃন্দাবনে ফোটে কৃষ্ণ নামের ফুল —
ঝরায়ে সে-ফুল রাই দেন সবে প্রেম-ফল।।
রাধাকৃষ্ণ বল্ ওরে নর-নারী
সংসার বনে তোরা যেন শুক-শারি,
তার, পরানে নিত্য রাস-রসের উল্লাস —
যাহার হৃদয়ে দোলে মূরতি যুগল।।

কুলের আচার নাচার হয়ে আছিস কেন

বাণী

কুলের আচার নাচার হয়ে আছিস কেন শিকায় ঝুলে
কাচের জারে বেচারা তুই মরিস কেন ফেঁপে ফু’লে।।
কাঁচা তেঁতুল পেয়ারা আম
ডাঁশা জামরুল আর গোলাপ জাম —
যেমনি তোরে দেখিলাম অমনি সব গেলাম ভুলে।।

নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’

জবা কুসুম-সঙ্কাশ ঐ

বাণী

জবা কুসুম-সঙ্কাশ ঐ উদার অরুণোদয়।
অপগত তমোভয় জয় হে জ্যোতির্ময়।।
জননীর সম স্নেহ-সজল, নীল গাঢ় গগন-তল
সুপেয় বারি প্রসুন ফল —
তব দান অক্ষয়, অপহৃত সংশয়
		জয় হে জ্যোতির্ময়।।

আমি নূতন ক’রে গড়ব ঠাকুর

বাণী

আমি নূতন ক’রে গড়ব ঠাকুর কষ্টি পাথর দে মা এনে।
দিব হাতে বাঁশি মুখে হাসি ডাগর চোখে কাজল টেনে।।
মথুরাতে আর যাবে না, মা যশোদায় কাঁদাবে না,
রইবে ব্রজগোপীর কেনা, চলবে রাধার আদেশ মেনে।।
শ্রীচরণ তার গড়ব না মা, গড়লে চরণ পালিয়ে যাবে
নাইবা শুনলে নূপুর-ধ্বনি, ঠাকুরকে তো কাছে পাবে।
চরণ পেলে দেশে দেশে, কুরুক্ষেত্র বাঁধাবে সে —
গন্ধমালা দিসনে মাগো, ভক্ত ভ্রমর ফেলবে জেনে।।
	দেখে কখন করবে চুরি
	একলা ঘরে মরব ঝুরি,
গন্ধমালা দিসনে মাগো, ভক্ত ভ্রমর ফেলবে জেনে।।