ওরে বনের ময়ূর কোথায় পেলি এমন চিত্রপাখা

বাণী

ওরে বনের ময়ূর কোথায় পেলি এমন চিত্রপাখা
তোর পাখাতে হরির স্মৃতি পাখার শ্রী কি আঁকা॥
		তারই মতন হেলে দুলে
		নাচিস্ রে তুই পেখম খুলে
তনুতে তোর ওরে শ্যামের আঁখির নীলাঞ্জন মাখা॥
হারিয়ে নব কিশোরে, দিবা-নিশি ঘুরি
তাই কি শ্যামের বিভূতি তুই আনলি ক’রে চুরি।
		সান্ত্বনা কি দিতে মোরে 
		শ্যামল রেখে গেছে তোরে
তাইতো তোরে হেরি ওরে যায় না কাঁদন্ রাখা॥

অবুঝ মোর আঁখি বারি

বাণী

অবুঝ মোর আঁখি বারি, আমি রোধিতে নারি।।
গ'লেছে যে-নদী জল, কে তারে রোধিবে বল,
পাষাণের সে নারায়ণ তবু সে আমারি।।

মৌন আরতি তব বাজে নিশিদিন

বাণী

মৌন আরতি তব বাজে নিশিদিন
ত্রিভুবন মাঝে প্রভু বানী-বিহীন।।
সম্ভ্রমে-শ্রদ্ধায় গ্রহ-তারা দল
স্থির হয়ে রয় অপলক অচপল,
ধ্যান-মৌনী মহাযোগী অটল
আপন মহিমায় তুমি সমাসীন।।
মৌন সে সিন্ধুতে জলবিম্বের প্রায়
বাণী ও সঙ্গীত যায় হারাইয়া যায়।
বিস্ময়ে অনিমেষ আঁখি চেয়ে রয়
তব পানে অনন্ত সৃষ্টি-প্রলয়,
তব ধ্রুব-লোকে, হে চির অক্ষয়,
সকল ছন্দ-গতি হইয়াছে লীন।।

আমার মা আছে রে সকল নামে

বাণী

(আমার)	মা আছে রে সকল নামে মা যে আমার সর্বনাম।
	যে নামে ডাক শ্যামা মাকে পুর্‌বে তাতেই মনস্কাম।।
		ভালোবেসে আমার শ্যামা মাকে
		যার যাহা সাধ সেই নামে সে ডাকে,
	সেই নামে মা দেয় রে সাড়া কেউ শ্যামা কয়, কেহ শ্যাম।।
	এক সাগরে মিশে গিয়ে সকল নামের নদী,
	সেই হরি হর কৃষ্ণ ও রাম, দেখিস্ তাঁকে যদি।
		নিরাকারা সাকারা সে কভু
		সকল জাতির উপাস্য সে প্রভু,
	নয় সে নারী নয় সে পুরুষ, সর্বলোকে তাঁহার ধাম।।

১. দেয় রে ধরা।

আয় মরু পারের হাওয়া নিয়ে যা রে

বাণী

আয় মরু পারের হাওয়া নিয়ে যা রে মদিনায় —
জাত-পাক মুস্তাফার রওজা মুবারক যেথায়।।
মরিয়া আছি দুখে মাশরেকী এই মুল্লুকে,
পড়ব মাগরিবের নামাজ কবে খানা-এ কা'বায়।।
হজরতের নাম তসবি করে যাব রে মিসকিন বেশে
ইসলামের ঐ দ্বীনী ডঙ্কা বাজল প্রথম যে দেশে।
কাঁদব ধরে মাজার শরীফ ধরে শুনব সেথায় কান পাতি, —
নবীর মুখে তেমনি কি রে রব ওঠে 'এ্যায় উম্মতি'!
পাক কোরানের কালাম হয়ত সেথা শোনা যায়।।

রাঙা পির্‌হান প'রে শিশু নবী খেলেন পথে

বাণী

রাঙা পির্‌হান প'রে শিশু নবী খেলেন পথে।
দেখে হুর-পরীরা সব লুকিয়ে বেহেশ্‌ত হ'তে।।
মোহনী সুরত বাঁকা চাঁদে চন্দন মাখা।
নূরানী রওশনী তাঁর চমকে দিনের আলোতে।।
নাচের তালে তালে সোনার তাবিজ দোলে,
চরণ তলে ধূলি কাঁদে মোহাম্মদ ব'লে।
নীল রেশমি রুমাল বাঁধা তাঁর চাঁচর কেশে
রাঙা সালোয়ার প'রে নাচে সে হেসে হেসে,
খোদার আরশ টলে সে রূপ-সুধা-স্রোতে।।