বাণী
রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ বরষা এলো আমারি আশালতা সজল হলো॥ কুসুম কলি মুঞ্জরিল বিরহী লতিকা সহসা ফুটিল মন এলোমেলো মেদুর ছাইলো॥
রাগ ও তাল
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ তেওড়া
রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ বরষা এলো আমারি আশালতা সজল হলো॥ কুসুম কলি মুঞ্জরিল বিরহী লতিকা সহসা ফুটিল মন এলোমেলো মেদুর ছাইলো॥
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ তেওড়া
পরদেশী মেঘ যাও রে ফিরে। বলিও আমার পরদেশী রে।। সে দেশে যবে বাদল ঝরে কাঁদে নাকি প্রাণ একেলা ঘরে, বিরহ-ব্যথা নাহি কি সেথা বাজে না বাঁশি নদীর তীরে।। বাদল-রাতে ডাকিলে ‘পিয়া পিয়া পাপিয়া’, বেদনায় ভ’রে ওঠে নাকি রে কাহারো হিয়া। ফোটে যবে ফুল, ওঠে যবে চাঁদ জাগে না সেথা কি প্রাণে কোন সাধ, দেয় না কেহ গুরু গঞ্জনা সে দেশে বুঝি কুলবতী রে।।
রাগঃ সিংহেন্দ্র মধ্যম (দক্ষিণী রাগ)
তালঃ আদ্ধা
শিল্পীঃ ইন্দ্রানী গাঙ্গুলি
বি. দ্র.: স্বরলিপি অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে প্রাপ্ত

স্নিগ্ধ-শ্যাম-বেণী-বর্ণা এসো মালবিকা অর্জুন-মঞ্জরি-কর্ণে গলে নীপ-মালিকা, মালবিকা।। ক্ষীণা তন্বী জল-ভার-নমিতা শ্যাম জম্বু-বনে এসো অমিতা আনো কুন্দ মালতী যুঁই ভরি থালিকা, মালবিকা।। ঘন নীল বাসে অঙ্গ ঘিরে এসো অঞ্জনা রেবা-নদীর তীরে। পরি’ হংস-মিথুন আঁকা শাড়ি ঝিল্মিল্ এসো ডাগর চোখে মাখি সাগরের নীল ডাকে বিদ্যুৎ ইঙ্গিতে দিগ্-বালিকা, মালবিকা।।
রাগঃ মিঞা কী মল্লার
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ অনুপ জালোটা

অচেনা সুরে অজানা পথিক নিতি গেয়ে যায় করুণ গীতি। শুনিয়া সে গান দু’লে ওঠে প্রাণ জেগে ওঠে কোন্ হারানো স্মৃতি॥ ঘুরিয়া মরে উদাসী সে সুর সাঁঝের কূলে বিষাদ-বিধুর, নীড়ে যেতে হায় পাখি ফিরে চায়, আবেশে ঝিমায় কুসুম-বীথি॥
রাগঃ পিলু
তালঃ কাহার্বা
পরমাত্মা নহ তুমি মোর (তুমি) পরমাত্মীয় মোর। হে বিপুল বিরাট! মোর কাছে তুমি, প্রিয়তম চিতচোর॥ তোমারে যে ভয় করে হে বিশ্বত্রাতা তার কাছে তুমি রুদ্র দন্ডদাতা, প্রেমময় বলে তোমারে যে বাসে ভালো তার কাছে তুমি মধুর লীলা কিশোর॥ দ্যাখে ভীরু চোখ আষাঢ়ের মেঘে বজ্র তব বিপুল, মোর মালঞ্চে সেই মেঘে হেরি, ফোটায় নবমুকুল। আকাশের নীল অসীম পদ্ম পরে চরণ রেখেছ, হে মহান লীলা ভরে সেই অনন্ত জানি না কেমন ক’রে আমার হৃদয়ে খেল দিবানিশি ভোর॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

ছাড়িতে পরান নাহি চায় তবু যেতে হবে হায় মলয়া মিনতি করে তবু কুসুম শুকায়॥ রবে না এ মধুরাতি জানি তবু মালা গাঁথি মালা চলিতে দলিয়া যাবে তবু চরণে জড়ায়॥ যে কাঁটার জ্বালা সয়ে উঠে ব্যথা ফুল হয়ে আমি কাঁদিব সে-কাঁটা লয়ে নিশীথ বেলায়॥ নীরবে রবে যবে পরবাসে আমি দূর নীল আকাশে জাগিব তোমারি আশে নূতন তারায়॥
বৈতালিক
রাগঃ জয়জয়ন্তী-খাম্বাজ
তালঃ
