বাণী
ভোলো অতীত-স্মৃতি ভোলো কালা। কি হবে কুড়ায়ে এ ছিন্ন মালা।। মিছে রোধি’ পথ মিনতি করিছ কত, জাগায়ে পুরানো ক্ষত — দিও না জ্বালা।।
রাগ ও তাল
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ
ভোলো অতীত-স্মৃতি ভোলো কালা। কি হবে কুড়ায়ে এ ছিন্ন মালা।। মিছে রোধি’ পথ মিনতি করিছ কত, জাগায়ে পুরানো ক্ষত — দিও না জ্বালা।।
রাগঃ বেহাগ-খাম্বাজ
তালঃ
নারদ : হৃদি-পদ্মে চরণ রাখো বাঁকা ঘনশ্যাম। ধ্রুব : বাঁকা শিখী-পাখা নয়ন বাঁকা বঙ্কিম ঠাম॥ নারদ : তুমি দাঁড়ায়ো ত্রিভঙ্গে! ধ্রুব : অধরে মুরলী ধরি দাঁড়ায়ো ত্রিভঙ্গে॥ নারদ : সোনার গোধূলি যেন নিবিড় সুনীল নভে পীতধড়া প’রো কালো অঙ্গে (হরি হে) ধ্রুব : নীল কপোত সম চরণ দুটি নেচে যাক অপরূপ ভঙ্গে (হরি হে) উভয় : যেন নূপুর বাজে হরি সেই পায়ে যেন নূপুর বাজে। বনে নয় শ্যাম মনোমাঝে যেন নূপুর বাজে। ঐ চরণে জড়ায়ে পরান আমার (যেন) মঞ্জির হয়ে বাজে॥
চলচ্চিত্রঃ ‘ধ্রুব’ (ধ্রুব ও নারদের গান)
রাগঃ
তালঃ ফের্তা (দীপচন্দী ও কাহার্বা)

শ্যামা বড় লাজুক মেয়ে কেবলই সে লুকাতে চায়। আলো-আঁধার পর্দা টেনে বালিকা সে পালিয়ে বেড়ায়।। নিখিল ভুবন আছে তারে ঘিরে আমার মেয়ে তবু বসন খুঁজে ফিরে, তারে যে দেখে সে এক নিমেষে তারি মাঝে লয় হয়ে যায়।। তাই কেবলি সে লুকাতে চায়।। কোটি শিব ব্রহ্মা হরি অনন্তকাল গভীর ধ্যানে, তার সে লুকোচুরি খেলায় পায় না দিশা পায় না মনে। রবি শশী গ্রহতারার ফাঁকে যে দেখেছে পালিয়ে যেতে মাকে, (সে) আপনাকে আর পায় না খুঁজে মায়াবিনীর মহামায়ায়।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

এলো এলো রে ঐ সুদূর বন্ধু এলো। এলো পথ চাওয়া এলো হারিয়ে পাওয়া মনের আঁধার দূরে গেল, ঐ বন্ধু এলো।। এলো চঞ্চল বন্যার ঢল মন্থর স্রোত-নীড়ে, এলো শ্যামল মেঘ-মায়া তৃষিত গগন ঘিরে; তার পলাতকা মৃগে বন ফিরে পেল।। এলো পবনে বিহ্বল চঞ্চলতা যেন শান্ত ভবনে এলো সারা ভুবনের কল-কথা। অলি গুঞ্জরি’ কয় জাগো বনবীথি; ডাকে দখিনা মলয় — এলো এলো অতিথি; বাজে তোরণ দ্বারে বাঁশরি গীতি, দুখ নিশি পোহাল, আঁখি মেল।।
নাটিকা: ‘বাসন্তিকা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

আবহায়াতের পানি দাও, মরি পিপাসায় শরণ নিলাম নবীজির মোবারক পা’য়।। ভিখারিরে ফিরাবে কি শূন্য হাতে, দয়ার সাগর তুমি যে মরু সাহারায়।। অন্ধ আমি আঁধারে মরি ঘুরিয়া, দেখাবে না-কি মোরে পথ, এই নিরাশায়।। যে-মধু পিয়ে রহে না ক্ষুধা তৃষ্ণা, মরার আগে সেই মধু দিও গো আমায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

আমায় আঘাত যত হানবি শ্যামা ডাকব তত তোরে। মায়ের ভয়ে শিশু যেমন লুকায় মায়ের ক্রোড়ে।। ওমা চারধারে মোর দুখের পাথার তুই পরখ্ কত করবি মা আর, আমি জানি তবু পার হ’ব মা চরণতরী ধ’রে।। আমি ছাড়বো না তোর নামের ধেয়ান বিশ্বভুবন পেলে, আমায় দুঃখ দিয়ে নাম ভুলাবি, নই মা তেমন ছেলে। আমায় দুঃখ দেওয়ার ছলে তুই স্মরণ করিস পলে পলে, আমি সেই আনন্দে দুখের অসীম-সাগর যাব ত’রে।।
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা