বাণী
মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি ফুল ছাড়ায়ে কাঁদে বনভূমি।। ঝুরে বারিধারা ফিরে এসো পথহারা কাঁদে নদী তট চুমি’।।
রাগ ও তাল
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ ত্রিতাল
ভিডিও
স্বরলিপি

মেঘ মেদুর বরষায় কোথা তুমি ফুল ছাড়ায়ে কাঁদে বনভূমি।। ঝুরে বারিধারা ফিরে এসো পথহারা কাঁদে নদী তট চুমি’।।
রাগঃ জয়জয়ন্তী
তালঃ ত্রিতাল

কবি, সবার কথা কইলে, এবার নিজের কথা কহ।১ (কেন) নিখিল ভুবন অভিমানের আগুন দিয়ে দহ।। কে তোমারে হান্ল হেলা, কবি! (হায়!) সুরে সুরে আঁক কি গো সেই বেদনার ছবি? কা’র বিরহ রক্ত ঝরায় বক্ষে অহরহ।। কোন্ ছন্দময়ীর ছন্দ দোলে আমার গানে গানে, তোমার সুরের স্রোত ব’য়ে যায় কাহার প্রেমের টানে গো — কাহার চরণ পানে? কাহার গলায় ঠাঁই পেল না ব’লে (তব) কথার মালা ব্যথার মত প্রতি হিয়ায় দোলে, (তোমার) হাসিতে যে বাঁশি বাজে, সে ত’ তুমি নহ।।
১. সবার কথা কইলে কবি নিজের কথা কহ।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

দুঃখ অভাব শোক দিয়েছ হে নাথ তাহে দুঃখ নাই তুমি যেন অন্তরে মোর বিরাজ করো সর্বদাই॥ রোগের মাঝে অশান্তিতে তুমি থেকো আমার চিতে তোমার নামের ভজন গীতে প্রাণে যেন শান্তি পাই॥ দুর্দিনেরি বিপদ এলে তোমায় যেন না ভুলি তোমার ধ্যানে পর্বত প্রায় অটল থাকি, না দুলি। সুখের দিনে বিলাস ঘোরে ভুলতে নাহি দিও মোরে আপনি ডেকে নিও কোলে দূরে যদি সরে যাই॥
রাগঃ
তালঃ দাদ্রা

জয় কৃষ্ণ-ভিখারিনী তুলসী হরি-শিব-বিহারিণী তুলসী। জয় কল্পতরু সমা বিষ্ণুর মনোরমা কলির কলুষ-বারিণী তুলসী।। অভিষ্ট-দায়িণী তুমি বসুধায় শ্রেষ্ঠ পুষ্প তুমি দেব-পূজায়, তপে ও জপে তুমি মন্ত্র-শক্তি রূপা ভক্তি-প্রেম সঞ্চারিণী তুলসী।। তীর্থসমূহ মাগো তোমার কাছে আত্মশুদ্ধি তরে শরণ যাচে, সকল কর্ম হয় নিষ্ফল ত্রিলোকে তোমার প্রসাদ বিনা তারিণী তুলসী।। শুদ্ধ সত্ত্বা রূপা তপস্যা মগ্না বিরাজ দীনা বেশে মন্দির-লগ্না, হে হরি-বল্লভে, তব দীন পল্লবে অনন্ত নারায়ণ-ধারিণী তুলসী।।
‘শ্রীতুলসী-বন্দনা’
রাগঃ
তালঃ
ভাল লাগার স্মৃতি ভোলা নাহি যায়। তাই বারে বারে আসি ফিরে তব আঙিনায়।। আজো ওঠে বাঁকা চাঁদ নীল গগনে আজো ফোটে রাঙা ফুল মম কাননে, ‘পিয়া পিয়া’ গাহে পাখি পিয়াল শাখায়।। যে আলো বাজালে বেণু রঙীন ঊষায়, তাহারি পুলকে আজি পরান মাতায়। মরুর কামনা আজো দীপ-শিখা সম পরানে লাগে জাগিয়া আছে ওগো প্রিয়তম, অনুরাগে লাগে দোল, দোল দেহ-যমুনায়।।
রাগঃ খাম্বাজ মিশ্র
তালঃ কাহার্বা
সেদিন প্রভাতে অরুণ শোভাতে হেসেছ বুকে মোর মধু-হাসিনী। পরেছ গলায় আমার দেওয়া ফুল সে কি গো সবি ভুল বিজন-বাসিনী।। যেচেছ কত না আদর সোহাগ ক্ষণে অভিমান ক্ষণে অনুরাগ, কত প্রিয় নামে ডেকেছ আমায় সে কি গো গেছ ভুলে মধুভাষিণী।। আমার সাধ-আশ-সাধনা-সুখ-হাসি তোমার সনে প্রিয় সকলি গেছে ভাসি, কেন ফেলে দিলে নিরাশার কূলে, কোন্ অপরাধে বল উদাসিনী।।
রাগঃ ইমন কল্যাণ
তালঃ ত্রিতাল
