বাণী
টলমল টলে হৃদয়-সরসী। নীর ভরণে এলে কে ষোড়শী।। এলে কি নাহিতে, পরশ চাহিতে এলে কি অলস তরণী বাহিতে, এলে কি ভুলিতে কমল তুলিতে — আমার স্বপন-মানসী।।
রাগ ও তাল
রাগঃ দুর্গা (খাম্বাজ ঠাট)
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালী
টলমল টলে হৃদয়-সরসী। নীর ভরণে এলে কে ষোড়শী।। এলে কি নাহিতে, পরশ চাহিতে এলে কি অলস তরণী বাহিতে, এলে কি ভুলিতে কমল তুলিতে — আমার স্বপন-মানসী।।
রাগঃ দুর্গা (খাম্বাজ ঠাট)
তালঃ আদ্ধা-কাওয়ালী
কে বলে মোর মাকে কালো, মা যে আমার জ্যোতির্মতী। কোটি চন্দ্র সূর্য তারা নিত্য করে যার আরতি।। কালো রূপের মায়া দিয়ে মহামায়া রয় লুকিয়ে, মায়ের শুভ্ররূপ দেখেছে শুভ্র শুচি যার ভকতি।। যোগীন্দ্র যাঁর চরণ-তলে ধ্যান করে রে যাঁর মহিমা, দু’টি নয়ন-প্রদীপ জ্বেলে খুঁজি সেই অসীমার সীমা। সাজিয়ে কালী গৌরী মাকে পূজা করি তমসাকে, মায়ের শুভ্ররূপ দেখেছে শুভ্র শুচি যার ভকতি।।
রাগঃ
তালঃ তেওড়া

স্বপনের ফুলবনে যেদিন দেখিনু রূপরানী তোমায়। চকিতে ঐ চোখে তোমার শরমের কোন হাসি লুকায়।। নিরালার কুঞ্জ বীথিকায় সে প্রথম প্রেম নিবেদনে দেখেছি ঐ অধর কোণে সে-ভীরু কোন হাসি পালায়।। বিদায়ের সে-বেদন বেলায় মানা না মানলে আঁখি-জল ভোরে ম্লান চাঁদসম সখি বিমলিন কোন হাসি লুকায়।। আজ আর নাই হাসি খেলা নিভেছে সে-উজল আলো ভাবি আজ সব চেয়ে তোমার ভুলালো কোন্ হাসি আমায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

চুড়ির তালে নুড়ির মালা রিনিঝিনি বাজে লো – খোঁপায় দোলে বুনো ফুলের কুঁড়ি। কালো ছোঁড়ার কাঁকাল ধ’রে নাচে মাতাল ছুঁড়ি লো।। মহুয়া মদের নেশা পিয়ে বুঁদ হয়েছে বৌয়ে–ঝিয়ে চাঁদ ছুটছে মনকে নিয়ে ডুরি ছেঁড়া ঘুড়ি (যেন) লো।। বাজে নুপূর পাঁইজোড় সারা গায়ে নাচের ঘোর ওলো লেগেছে, মন হ’ল নেশায় বিভোর; ওই আকাশে চাঁদ হের মেঘের সাথে যেন করে খুনসুড়ি লো।।
রাগঃ
তালঃ দ্রুত–দাদ্রা

কুলের আচার নাচার হয়ে আছিস কেন শিকায় ঝুলে কাচের জারে বেচারা তুই মরিস কেন ফেঁপে ফু’লে।। কাঁচা তেঁতুল পেয়ারা আম ডাঁশা জামরুল আর গোলাপ জাম — যেমনি তোরে দেখিলাম অমনি সব গেলাম ভুলে।।
নাটিকাঃ ‘পুতুলের বিয়ে’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

গগনে সঘন চমকিছে দামিনী মেঘ-ঘন-রস রিমঝিম বরষে। একেলা ভবনে বসি’ বাতায়নে পথ চাহে বিরহিণী কামিনী।। পূবালি পবন বহে দাদুরি ডাকে, অভিসারে চলে খুঁজে’ কাহাকে। বৈরাগিনী সাজে উন্মনা যামিনী।।
রাগঃ মেঘ
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ আফরোজা খান মিতা
