বাণী
কী অনল জ্বলে লো সই কী অনল জ্বলে। নয়ন ভরল জলে লো সই আমার হিয়ার তলে।। (আমি) উদাসী পাগল হ’য়ে না ত্যাজিলাম কায়া এই চাঁদের মুখে পড়ল আমার রাহুল প্রেমের ছায়া, মোর বুকের মাঝে সাত সিন্ধুর একি ঢেউ উথলে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
কী অনল জ্বলে লো সই কী অনল জ্বলে। নয়ন ভরল জলে লো সই আমার হিয়ার তলে।। (আমি) উদাসী পাগল হ’য়ে না ত্যাজিলাম কায়া এই চাঁদের মুখে পড়ল আমার রাহুল প্রেমের ছায়া, মোর বুকের মাঝে সাত সিন্ধুর একি ঢেউ উথলে।।
নাটক : ‘মধুমালা’ (ঘুমপরীর গান)
রাগঃ
তালঃ
প্রণমি তোমায় বনদেবতা। শাখে শাখে শুনি তব ফুল-বারতা — দেবতা।। তোমার ময়ূর তোমার হরিণ লীলা-সাথী রয় নিশিদিন, বিলায় ছায়া বাণী-বিহীন — তরু ও লতা — দেবতা।।
রাগঃ দুর্গা
তালঃ দাদ্রা
ফিরে ফিরে দ্বারে আসে যায় কে নিতি। তার অধরে হাসি আর নয়নে প্রীতি।। দোদুল্ তাহার কায়া ঘনায় চোখে মায়া, জেগে ওঠে দেখে তা’য় পুরানো স্মৃতি।। তাহার চরণ-পাতে তাহার সাথে সাথে, আসে আঁধার রাতে শুক্লা চাঁদের তিথি।। গেলে মন দিতে চাহে না সে নিতে, ধরিতে গেলে চোখে সে কী তার ভীতি।। ডাকি প্রিয় ব’লে তবু যায় সে চ’লে, পায়ে পায়ে দ’লে হৃদয় ফুল-বীথি।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
সকাল সাঁঝে প্রভু সকল কাজে উঠুক তোমারি নাম — বেজে উঠুক তোমারি নাম। নিশীথ রাতে তারার মত উঠুক তোমারি নাম — বেজে উঠুক তোমারি নাম।। তরুর শাখায় ফুলের সম বিকশিত হোক (প্রভু) তব নাম নিরুপম, সাগর মাঝে তরঙ্গ সম বহুক তোমারি নাম।। পাষাণ শিলায় গিরি নির্ঝর সম বহুক তোমারি নাম অকুল সমুদ্রে ধ্রুবতারা-সম জাগি’ রহুক তব নাম প্রভু জাগি’ রহুক তব নাম। শ্রাবণ দিনে বারি ধারার মত ঝরুক ও নাম প্রভু অবিরত মানস কমল বনে মধুকর সম লুটুক তোমারি নাম।।
নাটক: ‘রূপকথা’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

ঐ জল্কে চলে লো কার ঝিয়ারি। রূপ চাপে না তার নীল শাড়ি।। এমন মিঠি বিজলি দিঠি শেখালে তায় কে গো? রূপে ডুবু ডুবু রবির রঙ-ভরা ছবির, ছোঁয়াচ লেগেছে গো। মন মানে না, আর কি করি ! চলে পিছনে ছুটে’ তারি।। নাচে বুলবুলি ফিঙে ঢেউয়ে নাচে ডিঙে মাঠে নাচে খঞ্জন; তার দু’টি আঁখি-তারা নেচে হতো সারা — দেখেছে বল কোন জন? আঁখি নিল যে মোর মন্ কাড়ি’ — ঘরে থাকিতে আর নারি লো।। গোলাপ বেলী যুঁই-চামেলি - কোন্ ফুল তারি তুল্ গো তার যৌবন-নদী বয় নিরবধি ভাসায়ে দু’ কূল গো নিল ভাসায়ে প্রাণ আমারি রূপে দু’কূল–ছাপা গাঙ্ তারি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

মমতাজ মমতাজ তোমার তাজমহল — যেন ফিরদৌসের একমুঠো প্রেম, বৃন্দাবনের একমুঠো প্রেম, আজো করে ঝলমল।। কত সম্রাট হ’ল ধূলি স্মৃতির গোরস্তানে — পৃথিবী ভুলিতে নারে প্রেমিক শাহ্জাহানে, শ্বেত মর্মরে সেই বিরহীর ক্রন্দন –মর্মর গুঞ্জরে অবিরল।। কেমনে জানিল শাজাহান – প্রেম পৃথিবীতে ম’রে যায়, তাই পাষাণ প্রেমের স্মৃতি রেখে গেল পাষাণে লিখিয়া হায়! যেন তাজের পাষাণ অঞ্জলি ল’য়ে নিঠুর বিধাতা পানে অতৃপ্ত প্রেম বিরহী আত্মা আজো অভিযোগ হানে! বুঝি সেই লাজে বালুকায় মুখ লুকাইতে চায় শীর্ণা যমুনা জল।।
রাগঃ মুলতানী মিশ্র
তালঃ দাদ্রা
