আ’ মেরে সঙ্গ আ

বাণী

আ’ মেরে সঙ্গ আ, মঙ্গল গা হিল্‌মিল্‌কে এয় বনমালী।
আরমা ফের পুরে হো জাঁয়ে সারে দিল্‌কে এয় বনমালী॥
মুঝ্‌কো জাগানেওয়ালা, হো, জগ্‌মে তেরা উজালা
তু মুঝ্‌কো ধূল সমঝ্‌কে, লে লে চরণ মে আপ্‌নে
তুনে দিয়ে জ্বালায়ে বিরাণ মন্‌জিল্‌ কে এয় বনমালী॥
তু হামকো খাক্‌ ছানায়া, (আউর) ব্যাকুল আপনা বানায়া
কহিঁ আউ না কহিঁ জাউ, আপনে আগে তুমকো পাউঁ
খো জায়েঁ যুঁহি মিট্টি মে হাম মিলকে এয় বনমালী॥

দোল ফাগুনের দোল লেগেছে

বাণী

দোল ফাগুনের দোল লেগেছে, আমের বোলে দোলন-চাঁপায়।
মৌমাছিরা পলাশ-ফুলের গেলাশ ভ’রে মউ পিয়ে যায়।।
		শ্যামল পাতার কোলে কোলে
		আবির-রাঙা কুসুম দোলে,
দোয়েল শ্যামা লহর তোলে কৃষ্ণচূড়ার ফুলেল শাখায়।।
বন-গোপিনী ফুল ছুঁড়ে ঐ খেলে হোরী দখিন-বায়ে,
হলদে পাখি দোদুল দুলে সোনাল শাখায় আদুল গায়ে।
		ভাঁট-ফুলের ঐ নাট-দেউলে
		রঙিন প্রজাপতি দুলে,
মন ছুটে যায় দূর গোকুলে, বৃন্দাবনে প্রেম যমুনায়।।

রহি' রহি' কেন আজো সেই মুখ মনে পড়ে

বাণী

রহি' রহি' কেন আজো সেই মুখ মনে পড়ে।
ভুলিতে তা'য় চাহি যত, তত স্মৃতি কেঁদে মরে।।
দিয়েছি তাহারে বিদায় ভাসায়ে নয়ন-নীরে,
সেই আঁখি-বারি আজো মোর নয়নে ঝরে।।
হেনেছি যে অবহেলা পাষাণে বাঁধিয়া হিয়া,
তারি ব্যথা পাষাণ সম রহিল বুকে চাপিয়া।
সেই বসন্ত ও বরষা আসিবে গো ফিরে ফিরে,
আসিবে না আর ফিরে অভিমানী মোর ঘরে।।

আজি আল কোরায়শী প্রিয় নবী এলেন ধরাধাম

বাণী

আজি	আল কোরায়শী প্রিয় নবী এলেন ধরাধাম
তাঁর	কদম মোবারকে লাখো হাজারো সালাম।
	তওরত ইঞ্জিলে মুসা ঈসা পয়গম্বর
	বলেছিলেন আগাম যাঁহার আসারি খবর
	রব্বুলে দায়ের যাঁহার দিয়েছিলেন নাম
	সেই আহমদ মোর্তজা আজি এলেন আরব ধাম।।
	আদমেরি পেশানিতে জ‍্যোতি ছিল যাঁর
	যাঁর গুণে নূহ তরে গেল তুফান পাথার
	যাঁর নূরে নমরুদের আগুন হলো ফুলহার
	সেই মোহাম্মদ মুস্তাফা এলেন নিয়ে দীন-ইসলাম।।
	এলেন কাবার মুক্তিদাতা মসজিদের প্রাণ,
	শাফায়াতের তরী এলে পাপী তাপীর ত্রাণ
	দিকে দিকে শুনি খোদার নামের আজান
	নবীর রূপে এলো খোদার রহমতেরি জাম।।

এ কি অপরূপ রূপের কুমার

বাণী

এ কি অপরূপ রূপের কুমার হেরিলাম সখি যমুনা কূলে,
তার	এ সুনীল লাবনি গলিয়া গলিয়া ঢলিয়া পড়িছে গগন-মূলে।।
যেন	কমল ফুটেছে সখি, সহস্র-দল রূপে-কমল ফুটেছে,
	রূপের সাগর মন্থন করি’ সখি চাঁদ যেন উঠছে। সখি গো —
	কালো সে রূপের মাঝে হয়ে যায় হারা
	কোটি আলো-রাধিকা-রবি, শশী, তারা,
	প্রেম-যমুনার তীরে সই আমি রিবধি দেখি তারে,
		দেখি আর চেয়ে রই।
	আমি এই রূপ চেয়ে থাকি
সখি	জনমে জনমে জীবনে মরণে এই রূপ চেয়ে থাকি।
ঐ	মোহন কালোর গহন কাননে হারাইয়া যাক আঁখি।।

ভোরে ঝিলের জলে শালুক-পদ্ম

বাণী

ভোরে ঝিলের জলে শালুক-পদ্ম তোলে কে
		ভ্রমর-কুন্তলা কিশোরী
ফুল দেখে বেভুল সিনান বিসরি’।।
একি নূতন লীলা আঁখিতে দেখি ভুল
কমল ফুল যেন তোলে কমল ফুল
ভাসায়ে আকাশ-গাঙে অরুণ-গাগরি।।
ঝিলের নিথর জলে আবেশে ঢল ঢল
গ’লে পড়ে শত সে তরঙ্গে,
শারদ-আকাশে দলে দলে আসে
মেঘ, বলাকার খেলিতে সঙ্গে।
আলোক-মঞ্জরি প্রভাত বেলা
বিকশি’ জলে কি গো করিছে খেলা
বুকের আঁচলে ফুল উঠিছে শিহরি’।।