বাণী
ঢল ঢল নয়নে স্বপনের ছায়া গো। কোন্ অমরার কোন্ মায়া গো।। মনের বনের ’পারে চকিতে দেখেছি যারে, সে এলে কি আজ ধরি’ কায়া গো।।
রাগ ও তাল
রাগঃ
তালঃ
ঢল ঢল নয়নে স্বপনের ছায়া গো। কোন্ অমরার কোন্ মায়া গো।। মনের বনের ’পারে চকিতে দেখেছি যারে, সে এলে কি আজ ধরি’ কায়া গো।।
রাগঃ
তালঃ
তব গানের ভাষায় সুরে বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি এত দিনে পেয়েছি তারে আমি যারে খুঁজেছি।। ছিল পাষাণ হয়ে গভীর অভিমান সহসা, এলো সহসা আনন্দ-অশ্রুর বান। বিরহ-সুন্দর হয়ে সেই এলো দেবতা বলে যাঁরে পুজেছি বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।। তোমার দেওয়া বিদায়ের মালা পুন প্রাণ পেল প্রিয় হ’য়ে শুভদৃষ্টি মিলন-মালিকা বুকে ফিরে এলো — এলো প্রিয়। যাহারে নিষ্ঠুর বলেছি নিশীথে গোপনে কেঁদেছি নয়নের বারি হাসি দিয়ে মুছেছি বুঝেছি বুঝেছি বুঝেছি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
শিল্পীঃ রোখসানা

হার মানি ননদিনী মুখর মুখের বাণী শুনি তোর লজ্জাও লাজ সখি ভোলে পুলকে প্রাণ মন দোলে দোলে।। পলকের চাহনিতে কে জানে কেমনে প্রাণে এলো এত মধু এত লাজ নয়নে বাহিরে নীরব কথার কুহু অন্তরে মুহুমুহু বোলে বোলে মুহু মুহু কুহু কুহু বোলে।। তোরি মত ছিনু সই বনের কুরঙ্গী মানি নাই কোনদিন লাজের ভ্রুভঙ্গি। মধুরা মুখরা ওলো! মিষ্টি মুখের তোর সব মধু খেয়েছে কি ঠাকুর জামাই চোর? তব অভিনব বাণী হিল্লোলে গুন্ঠন আপনি খোলে পুলকে প্রাণ মন দোলে।।
নাটিকাঃ ‘প্রীতি উপহার’
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

অরুণ কিরণ সুধা-স্রোতে, ভাসাও প্রভু মোরে। গ্লানি পাপ তাপ মলিনতা, যাক ধুয়ে চিরতরে।। প্রশান্ত স্নিগ্ধ তব হাসি, ঝরুক অশান্তি প্রাণে বুকে১ প্রভাত আলোর ধারা, যেমন ঝরে সব ঘরে।। যেমন বিহগেরা জাগি ভোরে, আলোর নেশার ঘোরে আকাশ পানে ..., বন্দে প্রেম-মনোহরে২।।
১. পান্ডুলিপিতে পরিবর্ত লাইন হিসেবে ‘সবারে আজ যেন ভালোবাসি’ লেখা আছে।
২. পান্ডুলিপিতে গানটির সঙ্গে কবি-কৃত স্বরলিপি আছে।
রাগঃ কুকুভ বিলাবল
তালঃ একতাল
কেন ফোটে কেন কুসুম ঝ'রে যায়! মুখের হাসি চোখের জলে ম'রে যায়, হায়।। নিশীথে যে কাঁদিল প্রিয় ব'লে হায় নিশি-ভোরে সে কেন হায় স'রে যায়।। হায় আজ যাহার প্রেম করে গো রাজাধিরাজ কাল কেন সে চির-কাঙাল ক'রে যায়।। মান-অভিমান খেলার ছলে ফেরে না আর যে যায় চ'লে মিলন-মালা মলিন ধূলায় ভ'রে যায়।।
রাগঃ পিলু-বারোয়াঁ
তালঃ কাহার্বা

সহসা কি গোল বাঁধালো পাপিয়া আর পিকে গোলাপ ফুলের টুকটুকে রঙ চোখে লাগে ফিকে।। নাই বৃষ্টি বাদল ওলো, দৃষ্টি কেন ঝাপসা হলো? অশ্রু জলের ঝালর দোলে চোখের পাতার চিকে।। পলাশ-কলির লাল আঁখরে বনের দিকে দিকে গোপন আমার ব্যথার কথা কে গেল সই লিখে। মনে আমার পাইনে লো খেই; কে যেন নেই, কি যেন নেই। কে বনবাস দিল আমার মনের বাসন্তীকে।।
রাগঃ সিন্ধু-ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা
