তোর কালো রূপ দেখতে মাগো

বাণী

(মাগো)	তোর কালো রূপ দেখতে মাগো, কাল্ হ’ল মোর আঁখি,
		চোখের ফাঁকে যাস পালিয়ে মা তুই কালো পাখি॥
আমার		নয়ন দুয়ার বন্ধ ক’রে এই দেহ পিঞ্জরে,
		চঞ্চলা গো বুকের মাঝে রাখি তোরে ধ’রে;
		চোখ্ চেয়ে তাই খুঁজে বেড়াই পাই না ভুবন ভ’রে
		সাধ যায় মা জন্ম জন্ম অন্ধ হ’য়ে থাকি॥
		কালো রূপের বিজলি চমক কোটি লোকের জ্যোতি,
		অনন্ত তোর কালোতে মা সকল আলোর গতি।
		তোর কালো রূপ কে বলে মা ‘তমঃ’,
		ঐ রূপে তুই মহাকালি মাগো নমঃ নমঃ
তুই		আলোর আড়াল টেনে মাগো দিস্ না মোরে ফাঁকি॥

আয় মা চঞ্চলা মুক্তকেশী

বাণী

আয় মা চঞ্চলা মুক্তকেশী শ্যামা কালী।
নেচে নেচে আয় বুকে আয়, দিয়ে তাথৈ তাথৈ করতালি।।
		দশদিক আলো ক’রে
		ঝঞ্ঝার নূপুর প’রে,
দুরন্ত রূপ ধ’রে আয় মায়ার সংসারে আগুন জ্বালি’।।
আমার স্নেহের রাঙাজবা পায়ে দ’লে
কালো রূপ-তরঙ্গ তুলে
গগন-তলে সিন্ধুজলে
আমার কোলে আয় মা আয়।
		তোর চপলতায় মা কবে
		শান্ত ভবন প্রাণ-চঞ্চল হবে,
এলোকেশে এনে ঝড় মায়ার এ খেলাঘর ভেঙে দে মা আনন্দ-দুলালি।।

১. কালোরূপ — তরঙ্গ তুলে সাগর জলে

আঁধার মনের মিনারে মোর

বাণী

আঁধার মনের মিনারে মোর হে মুয়াজ্জিন, দাও আজান
গাফেলতির ঘুম ভেঙে দাও হউক নিশি অবসান॥
	আল্লাহ নামের যে তক্‌বীরে
	ঝর্না বহে পাষাণ চিরে
শুনি’ সে তক্‌বিরের আওয়াজ জাগুক আমার পাষাণ প্রাণ॥
জামাত ভারি জমবে এবার এই দুনিয়ার ঈদগাহে,
মেহেদী হবেন ইমাম সেথায় রাহ্ দেখাবেন গুমরাহে।
	আমি যেন সেই জামাতে
	সামিল হতে পারি প্রাতে
ডাকে আমায় শহীদ হতে সেথায় যতো নওজোয়ান॥

মনে রাখার দিন গিয়েছে

বাণী

মনে রাখার দিন গিয়েছে এখন ভোলার বেলা
আর লাগে না ভালো আমার হৃদয় নিয়ে খেলা।।
	লগ্ন ছিল ছিল সময়
	পরান ভরা চিল প্রণয়,
সেদিন যদি আসতে মলয় বসতো ফুলের মেলা।।
সুকুমার সুন্দর যাহা চিল আমার মাঝে
গেছে ম'রে নিরাশাতে ঝ'রে গেছে লাজে।
	আজ উদাসীন শূন্য মনে
	ঘুরে বেড়াই অকারণে
তোমার চেয়েও আমি আমায় হানি অবহেলা।।

আমার ঘরের মলিন দীপালোকে

বাণী

আমার ঘরের মলিন দীপালোকে
জল দেখেছি যেন তোমার চোখে।।
	বল পথিক বল বল
	কেন নয়ন ছল ছল
কেন শিশির টলমল কমল-কোরকে।।
তোমার হাসির তড়িৎ আলোকে
মেঘ দেখেছি তব মানস-লোকে।
	চাঁদনি রাতে আনো কেন
	পুবের হাওয়ার কাঁদন হেন?
ধূলি ঝড়ে ঢাকল যেন ফুলেল বসন্তকে।।

আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্

বাণী

	আল্লা ব’লে কাঁদ বারেক্ রসুল ব’লে কাঁদ্।
	সাফ্ হবে তোর মনের আকাশ উঠবে ঈদের চাঁদ।।
	ভোগে কেবল দুর্ভোগ সার, বাড়ে দুখের বোঝা
	ত্যাগ শিখ্ তুই সংযম শিখ, সেই তো আসল রোজা,
এই	রোজার শেষে ঈদ আস্‌বে, রইবে না বিষাদ।।
	আস্‌বে খোদার দরগা থেকে শিরনি তোর তরে
	কমলিওয়ালা নবীর দেখা পাবি রে অন্তরে,
	খোদার প্রেমের স্রোত বইবে ভেঙ্গে মনের বাঁধ।।
	তোর হৃদয়ের কারবালাতে বইবে ফোরাত নদী
	শহীদের দর্‌জা তোরে দেবেন আল্লা হাদী,
	দুনিয়াদারি ক’রেই পাবি বেহেশ্‌তেরি স্বাদ।।