বাণী
রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ বরষা এলো আমারি আশালতা সজল হলো॥ কুসুম কলি মুঞ্জরিল বিরহী লতিকা সহসা ফুটিল মন এলোমেলো মেদুর ছাইলো॥
রাগ ও তাল
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ তেওড়া
রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ বরষা এলো আমারি আশালতা সজল হলো॥ কুসুম কলি মুঞ্জরিল বিরহী লতিকা সহসা ফুটিল মন এলোমেলো মেদুর ছাইলো॥
রাগঃ গৌড় সারং
তালঃ তেওড়া
বলেছিলে ভুলিবে না মোরে। ভুলে গেলে হায়, কেমন ক’রে।। নিশীথের স্বপনে কে যেন কহে ধরণীর প্রেম সে কি স্মরণে রহে, ফুলের মতন ফুটে যায় রে ঝ’রে।। বোঝে না বিরহী মন অসহায়, যত নাহি পায় তত জড়াইতে চায়। যত দূরে যাও তত, তব গাওয়া গান কেন স্মৃতিপথে এসে কাঁদায় এ প্রাণ, আঁখিতে দেখি না দেখি আঁখির লোরে।।
রাগঃ আনন্দী
তালঃ ত্রিতাল

জাগো রূপের কুমার, কেন অলস ঘুমে কাটাও রাতি। হের দুয়ারে দাঁড়ায়ে বধূর সাজে তব জাগার সাথী।। আসে বারেবারে সে যে অভিসারে তার বুকের ভাষা মুখে কইতে নারে, মোরা বাসর ঘরে এলাম জ্বাল্তে বাতি।।
নৃত্য-সঙ্গীত, নাটক : সর্বহারা
রাগঃ
তালঃ
তব ফুলহার নহে মোর নহে। ভুলায়ো না আর মালার মোহে।। মালার সাথে যদি না মেলে হৃদয় হানে আরো জ্বালা, মালা সে নয়, আরো কাঁদায় বিরহে।।
রাগঃ দুর্গা (বেলাওল ঠাট)
তালঃ আদ্ধা কাওয়ালী
ভেসে আসে সুদূর স্মৃতির সুরভি হায় সন্ধ্যায় রহি’ রহি’ কাঁদি’ ওঠে সকরুণ পূরবী, আমারে কাঁদায়।। কা’রা যেন এসেছিল, এসে ভালোবেসেছিল। ম্লান হ’য়ে আসে মনে তাহাদের সে-ছবি, পথের ধুলায়।। কেহ গেল দ’লে – কেহ ছ’লে, কেহ গলিয়া নয়ন নীরে যে গেল সে জনমের মত গেল চলিয়া এলো না, এলো না ফিরে। কেহ দুখ দিয়া গেল কেহ ব্যথা নিয়া গেল কেহ সুধা পিয়া গেল কেহ বিষ করবী তাহারা কোথায় আজ তাহারা কোথায়।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

এলো ঐ শারদ রাতি! শেফালি-সুগন্ধে ভরিয়া পবনে, জ্বালায়ে চাঁদের বাতি।। বরষার জলধারা ত্যাজিল সে-খরবেগ ঝরঝর ঝরণে রিক্ত হইল মেঘ, শ্বেত-হংস খেলে, সারঙ্ সুরে মাতি’।। আবরণ-হীনা মেঘ ভেসে যায় বাতাসে কাহার আগমনী প্রকাশে আভাসে, কদম্ব রেণু মাখি’, এসো প্রিয় সাথি।।
রাগঃ পুরিয়া-ধানশ্রী
তালঃ কাহার্বা